CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

বাড্ডায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

#
news image

রাজধানীর বাড্ডায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও জোরপূর্বক নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তায় এ দখল কার্যক্রম চালাচ্ছেন তারা।

শুক্রবার (২২আগস্ট) সকালে রাজধানীর মগবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন জমির মালিক ভুক্তভোগী মো. রনি খান (৩৭)।

সংবাদ সম্মেলনে রনি খান লিখিত বক্তব্যে জানান, বাড্ডার পূর্বপাড়ায় তাদের পৈত্রিক (দাগ নং ৮৫৪/৮৫৫ নম্বর) জমিতে একটি তিনতলা ভবন রয়েছে। যেখানে কয়েকটি পরিবার ভাড়া থাকেন। জমি নিয়ে মামলা চলমান এবং আদালত ইতোমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। তবুও বিবাদী পারুল বেগম, আনিছ উদ্দিন, জব্বার, বিল্লাল, বন্যা, রবিন, শাওন, আলো ও রওশন আরা প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ১৫ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে তারা তার বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং জোরপূর্বক নির্মাণকাজ শুরু করে। এসময় বাঁধা দিতে গেলে রনি খান ও তার চাচাতো ভাই আলমকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত ও জখম করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর বাড্ডা থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও কার্যত দখলকারীদের পক্ষেই অবস্থান নেন তারা। এমনকি থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জায়গা ভাগাভাগির প্রস্তাব দিলেও বিবাদীরা কোনো নির্দেশ মানেনি এবং নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রনি খান বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও অসাধু পুলিশ সদস্যের প্রত্যক্ষ সহায়তা ছাড়া আদালতের আদেশ অমান্য করার দুঃসাহস বিবাদীরা দেখাতে পারত না।

এ সময় রনি খান অবিলম্বে অবৈধ দখল কার্যক্রম বন্ধ করা, আদালতের আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, সহযোগী পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য চার দফা দাবি জানান। তিনি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ আগস্ট, ২০২৫,  4:20 PM

news image

রাজধানীর বাড্ডায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও জোরপূর্বক নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তায় এ দখল কার্যক্রম চালাচ্ছেন তারা।

শুক্রবার (২২আগস্ট) সকালে রাজধানীর মগবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন জমির মালিক ভুক্তভোগী মো. রনি খান (৩৭)।

সংবাদ সম্মেলনে রনি খান লিখিত বক্তব্যে জানান, বাড্ডার পূর্বপাড়ায় তাদের পৈত্রিক (দাগ নং ৮৫৪/৮৫৫ নম্বর) জমিতে একটি তিনতলা ভবন রয়েছে। যেখানে কয়েকটি পরিবার ভাড়া থাকেন। জমি নিয়ে মামলা চলমান এবং আদালত ইতোমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। তবুও বিবাদী পারুল বেগম, আনিছ উদ্দিন, জব্বার, বিল্লাল, বন্যা, রবিন, শাওন, আলো ও রওশন আরা প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ১৫ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে তারা তার বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং জোরপূর্বক নির্মাণকাজ শুরু করে। এসময় বাঁধা দিতে গেলে রনি খান ও তার চাচাতো ভাই আলমকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত ও জখম করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর বাড্ডা থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও কার্যত দখলকারীদের পক্ষেই অবস্থান নেন তারা। এমনকি থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জায়গা ভাগাভাগির প্রস্তাব দিলেও বিবাদীরা কোনো নির্দেশ মানেনি এবং নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রনি খান বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও অসাধু পুলিশ সদস্যের প্রত্যক্ষ সহায়তা ছাড়া আদালতের আদেশ অমান্য করার দুঃসাহস বিবাদীরা দেখাতে পারত না।

এ সময় রনি খান অবিলম্বে অবৈধ দখল কার্যক্রম বন্ধ করা, আদালতের আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, সহযোগী পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য চার দফা দাবি জানান। তিনি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।