CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

আন্দোলন স্থগিত, কাল থেকে ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষকরা

#
news image

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া দুই ধাপে ১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।

বুধবার (২২ অক্টোবর) থেকে শিক্ষকরা ক্লাসে ফিরবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্র শিক্ষা উপদেষ্টা এই শিক্ষক প্রতিনিধির হাতে তুলে দেওয়ার পর তিনি এ ঘোষণা দেন।

অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘শিক্ষক পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের অভিভাবক শিক্ষা উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ। আমরা ঘোষণা দিচ্ছি আগামীকাল থেকে ক্লাসে ফিরবো। আন্দোলনের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে শিক্ষার্থীদের তা পুষিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেবো।’

বিকালে শহীদ মিনারে গণমাধ্যমের কাছে এ বিষয়ে ব্রিফ করবেন বলে জানান অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।
অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের কপি শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর হাতে তুলে দেওয়ার সময় শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘নভেম্বর থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ এবং আগামী বছর থেকে সাড়ে সাত শতাংশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অনেক আলাপ আলোচনা করে তা করা হয়েছে। এটা এই সেক্টরেরর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। ভবিষ্যতে যারা সরকারের আসবেন তারা এর ধারাবাহিতা রাখবেন বলে আশা করি। আমি আশা করছি শিক্ষকরা তাদের কর্মে ফিরে যাবেন।’
মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা করা এবং উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করার আন্দোলনের ১০ দিনের মাথায় অর্থ বিভাগ নতুন করে বাড়িভাড়া বৃদ্ধির সম্মতি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পাঠানো অর্থ বিভাগ চিঠিতে বলা হয়, সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা ১ নভেম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে মূল বেতনের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) সর্বমোট ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হলো। অর্থ বিভাগের সম্মতি পত্রে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে।

শর্ত
(ক) পরবর্তী বেতন স্কেলে বর্ণিত অতিরিক্ত সুবিধাটি সমন্বয় করতে হবে;

(খ) এমপিওভুক্ত ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১’, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’; ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, কৃষি ডিপ্লোমা ও মৎস্য ডিপ্লোমা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এবং সরকার সময়ে সময়ে জারি করা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন/আদেশ/পরিপত্র/নীতিমালা অনুসরণ করে নিয়োগের শর্ত পালন করতে হবে।

(গ) বর্ণিত বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক/কর্মচারীরা কোনও বকেয়া প্রাপ্য হবেন না।

(ঘ) ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সব আর্থিক বিধি-বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে;

(ঙ) এ ভাতা সংক্রান্ত ব্যয়ে ভবিষ্যৎ কোনও অনিয়ম দেখা দিলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ ওই অনিয়মের জন্য দায়ী থাকবেন;

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ অক্টোবর, ২০২৫,  3:40 PM

news image

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া দুই ধাপে ১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।

বুধবার (২২ অক্টোবর) থেকে শিক্ষকরা ক্লাসে ফিরবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্র শিক্ষা উপদেষ্টা এই শিক্ষক প্রতিনিধির হাতে তুলে দেওয়ার পর তিনি এ ঘোষণা দেন।

অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘শিক্ষক পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের অভিভাবক শিক্ষা উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ। আমরা ঘোষণা দিচ্ছি আগামীকাল থেকে ক্লাসে ফিরবো। আন্দোলনের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে শিক্ষার্থীদের তা পুষিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেবো।’

বিকালে শহীদ মিনারে গণমাধ্যমের কাছে এ বিষয়ে ব্রিফ করবেন বলে জানান অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।
অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের কপি শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর হাতে তুলে দেওয়ার সময় শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘নভেম্বর থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ এবং আগামী বছর থেকে সাড়ে সাত শতাংশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অনেক আলাপ আলোচনা করে তা করা হয়েছে। এটা এই সেক্টরেরর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। ভবিষ্যতে যারা সরকারের আসবেন তারা এর ধারাবাহিতা রাখবেন বলে আশা করি। আমি আশা করছি শিক্ষকরা তাদের কর্মে ফিরে যাবেন।’
মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা করা এবং উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করার আন্দোলনের ১০ দিনের মাথায় অর্থ বিভাগ নতুন করে বাড়িভাড়া বৃদ্ধির সম্মতি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পাঠানো অর্থ বিভাগ চিঠিতে বলা হয়, সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা ১ নভেম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে মূল বেতনের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) সর্বমোট ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হলো। অর্থ বিভাগের সম্মতি পত্রে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে।

শর্ত
(ক) পরবর্তী বেতন স্কেলে বর্ণিত অতিরিক্ত সুবিধাটি সমন্বয় করতে হবে;

(খ) এমপিওভুক্ত ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১’, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’; ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, কৃষি ডিপ্লোমা ও মৎস্য ডিপ্লোমা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এবং সরকার সময়ে সময়ে জারি করা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন/আদেশ/পরিপত্র/নীতিমালা অনুসরণ করে নিয়োগের শর্ত পালন করতে হবে।

(গ) বর্ণিত বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক/কর্মচারীরা কোনও বকেয়া প্রাপ্য হবেন না।

(ঘ) ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সব আর্থিক বিধি-বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে;

(ঙ) এ ভাতা সংক্রান্ত ব্যয়ে ভবিষ্যৎ কোনও অনিয়ম দেখা দিলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ ওই অনিয়মের জন্য দায়ী থাকবেন;