CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

এক কোটি ই-পাসপোর্ট কাঁচামাল কেনার সিদ্ধান্ত

#
news image

এক কোটি ই-পাসপোর্টের কাঁচামাল, উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন।


বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রবর্তন’ প্রকল্পে ১ কোটি ই-পাসপোর্ট কাঁচামাল, ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপ এবং প্রশিক্ষণ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


জানা গেছে, এ প্রকল্পটি জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পে বর্তমান মজুত কাঁচামাল দিয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ই-পাসপোর্ট তৈরি করা যাবে। ২০২৭ সালের শুরুতে পাসপোর্ট বুকলেট কাঁচামাল নিশ্চিত করতে কমপক্ষে ১২ মাস আগে চুক্তি করতে হবে।

এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে প্রকল্পের বিদ্যমান সেবা প্রদানকারী সংস্থা জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচের কাছ থেকে এক কোটি ই-পাসপোর্ট কাঁচামাল (আপদকালীন সময়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ পাসপোর্ট কাঁচামাল থেকে পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপসহ), উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপ এবং প্রশিক্ষণ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা কমিটি তা অনুমোদন করে। 

উল্লেখ্য, প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী একনেক থেকে অনুমোদিত হয় ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর। প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে ২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। প্রস্তাবিত ক্রয় বাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৬৯২ কোটি ৩২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

২০১৮ সালে মূল চুক্তি সম্পাদনকালে পাসপোর্ট বুকলেট ৭ দশমিক ৩৫৯ ইউরো হারে এবং পাসপোর্ট কাঁচামাল ৫ দশমিক ৯৯০ হারে চুক্তি করা হয়েছিল। বর্তমান পাসপোর্ট বুকলেট ৮ দশমিক ৫৪০ ইউরো এবং পাসপোর্ট কাঁচামাল ৬ দশমিক ৯৮০ হারে প্রস্তাব করা হয়েছে।

এরূপ জটিল ও তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ভিন্ন কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে কিনলে জটিলতা সৃষ্টি হবে বিধায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচের কাছ থেকে কেনা যুক্তিযুক্ত হবে বলে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যুক্তি দেওয়া হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে উপদেষ্টা কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ অক্টোবর, ২০২৫,  6:53 PM

news image

এক কোটি ই-পাসপোর্টের কাঁচামাল, উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন।


বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রবর্তন’ প্রকল্পে ১ কোটি ই-পাসপোর্ট কাঁচামাল, ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপ এবং প্রশিক্ষণ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


জানা গেছে, এ প্রকল্পটি জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পে বর্তমান মজুত কাঁচামাল দিয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ই-পাসপোর্ট তৈরি করা যাবে। ২০২৭ সালের শুরুতে পাসপোর্ট বুকলেট কাঁচামাল নিশ্চিত করতে কমপক্ষে ১২ মাস আগে চুক্তি করতে হবে।

এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে প্রকল্পের বিদ্যমান সেবা প্রদানকারী সংস্থা জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচের কাছ থেকে এক কোটি ই-পাসপোর্ট কাঁচামাল (আপদকালীন সময়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ পাসপোর্ট কাঁচামাল থেকে পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপসহ), উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বুকলেট সুয়াপ এবং প্রশিক্ষণ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা কমিটি তা অনুমোদন করে। 

উল্লেখ্য, প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী একনেক থেকে অনুমোদিত হয় ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর। প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে ২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। প্রস্তাবিত ক্রয় বাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৬৯২ কোটি ৩২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

২০১৮ সালে মূল চুক্তি সম্পাদনকালে পাসপোর্ট বুকলেট ৭ দশমিক ৩৫৯ ইউরো হারে এবং পাসপোর্ট কাঁচামাল ৫ দশমিক ৯৯০ হারে চুক্তি করা হয়েছিল। বর্তমান পাসপোর্ট বুকলেট ৮ দশমিক ৫৪০ ইউরো এবং পাসপোর্ট কাঁচামাল ৬ দশমিক ৯৮০ হারে প্রস্তাব করা হয়েছে।

এরূপ জটিল ও তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ভিন্ন কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে কিনলে জটিলতা সৃষ্টি হবে বিধায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচের কাছ থেকে কেনা যুক্তিযুক্ত হবে বলে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যুক্তি দেওয়া হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে উপদেষ্টা কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।