CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০১ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিতে চীনের নতুন বিমানবাহী রণতরী

#
news image

চীনের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘ফুজিয়ান’ আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বিশাল কমিশনিং অনুষ্ঠানের কয়েক দিনের মধ্যেই রণতরীটি কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ফুজিয়ান হলো চীনের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী, তবে প্রযুক্তিগতভাবে এটি সবচেয়ে উন্নত। এতে রয়েছে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট সিস্টেম, যা যুদ্ধবিমানগুলোকে উচ্চগতিতে উড্ডয়নে সহায়তা করবে। একই ধরনের প্রযুক্তি বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের রণতরীতেই ব্যবহৃত হচ্ছে।


রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুজিয়ানের এই প্রযুক্তি চীনকে সামুদ্রিক শক্তিতে এক ধাপ এগিয়ে নেবে। এখন দেশটির নৌবাহিনী জাহাজসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড়। শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে গত এক দশকে চীনের নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।


ফুজিয়ান রণতরীতে একইসঙ্গে তিন ধরনের যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের সক্ষমতা রয়েছে। সমতল ফ্লাইট ডেক এবং শক্তিশালী ক্যাটাপাল্টের মাধ্যমে এটি ভারী অস্ত্র ও বেশি জ্বালানি বহনকারী বিমান মোতায়েন করতে পারবে। যা দূরপাল্লায় আঘাত হানার ক্ষমতা বাড়াবে। এর ফলে ফুজিয়ান চীনের আগের দুই রণতরী লিয়াওনিং ও শানডং-এর তুলনায় আরও বেশি কার্যকর হয়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ফুজিয়ানকে চীনের নৌবাহিনীর ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে অভিহিত করেছে। এর কমিশনিং অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণাঞ্চলীয় হাইনান প্রদেশে। সেখানে প্রেসিডেন্ট শি নিজে রণতরীর ডেকে উঠে এর সামুদ্রিক কর্মক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত শোনেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগতভাবে শি জিনপিং-ই নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে রণতরীর ডেকে সারিবদ্ধ নাবিকরা পার্টির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে একযোগে স্লোগান দেন, দলের আদেশ মেনে চল, জয়লাভের জন্য লড়াই করো এবং সুশৃঙ্খল আচরণ বজায় রাখো।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    

০৭ নভেম্বর, ২০২৫,  5:57 PM

news image

চীনের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘ফুজিয়ান’ আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বিশাল কমিশনিং অনুষ্ঠানের কয়েক দিনের মধ্যেই রণতরীটি কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ফুজিয়ান হলো চীনের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী, তবে প্রযুক্তিগতভাবে এটি সবচেয়ে উন্নত। এতে রয়েছে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট সিস্টেম, যা যুদ্ধবিমানগুলোকে উচ্চগতিতে উড্ডয়নে সহায়তা করবে। একই ধরনের প্রযুক্তি বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের রণতরীতেই ব্যবহৃত হচ্ছে।


রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুজিয়ানের এই প্রযুক্তি চীনকে সামুদ্রিক শক্তিতে এক ধাপ এগিয়ে নেবে। এখন দেশটির নৌবাহিনী জাহাজসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড়। শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে গত এক দশকে চীনের নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।


ফুজিয়ান রণতরীতে একইসঙ্গে তিন ধরনের যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের সক্ষমতা রয়েছে। সমতল ফ্লাইট ডেক এবং শক্তিশালী ক্যাটাপাল্টের মাধ্যমে এটি ভারী অস্ত্র ও বেশি জ্বালানি বহনকারী বিমান মোতায়েন করতে পারবে। যা দূরপাল্লায় আঘাত হানার ক্ষমতা বাড়াবে। এর ফলে ফুজিয়ান চীনের আগের দুই রণতরী লিয়াওনিং ও শানডং-এর তুলনায় আরও বেশি কার্যকর হয়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ফুজিয়ানকে চীনের নৌবাহিনীর ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে অভিহিত করেছে। এর কমিশনিং অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণাঞ্চলীয় হাইনান প্রদেশে। সেখানে প্রেসিডেন্ট শি নিজে রণতরীর ডেকে উঠে এর সামুদ্রিক কর্মক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত শোনেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগতভাবে শি জিনপিং-ই নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে রণতরীর ডেকে সারিবদ্ধ নাবিকরা পার্টির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে একযোগে স্লোগান দেন, দলের আদেশ মেনে চল, জয়লাভের জন্য লড়াই করো এবং সুশৃঙ্খল আচরণ বজায় রাখো।