CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

শেখ হাসিনার প্লট দুর্নীতি মামলা: আত্মপক্ষ সমর্থন শেষ, যুক্তিতর্ক ২৩ নভেম্বর

#
news image

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি জমি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির এক মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন শেষ হয়েছে। পরবর্তী যুক্তিতর্কের জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত। পাশাপাশি এ দিন পৃথক দুই মামলার জন্য শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্যও নির্ধারণ করা হয়েছে। 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়াকে জেরা করে এ দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস এম আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


অন্যদিকে এ মামলায় একমাত্র আত্মসমর্পণকারী আসামি রাজউকের সদস্য খুরশীদ আলম আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি কোনও সাফাই সাক্ষী দেবেন না বলেন এবং আদালতের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।


এর আগে গত ৩১ জুলাই শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা পরিবারের পৃথক ছয় মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। 

প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। গত ২৯ অক্টোবর আদালতে এই মামলায় আত্মসমর্পণ করেন রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তার আইনজীবী মোহাম্মদ শাহীনুর ইসলাম মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার সুযোগ পান।

দুদকের অভিযোগ, রাজউকের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহযোগিতা নিয়ে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা পূর্বাচলের ২৭ নম্বর সেক্টরের কূটনৈতিক অঞ্চলে বিধি বহির্ভূতভাবে ছয়টি ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। বিধি অনুযায়ী তারা এসব প্লট পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

গত ২৫ মার্চ দুদক ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ছয়টি মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ৩১ জুলাই মোট ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং তাদের পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ নভেম্বর, ২০২৫,  4:57 PM

news image

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি জমি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির এক মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন শেষ হয়েছে। পরবর্তী যুক্তিতর্কের জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত। পাশাপাশি এ দিন পৃথক দুই মামলার জন্য শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্যও নির্ধারণ করা হয়েছে। 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়াকে জেরা করে এ দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস এম আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


অন্যদিকে এ মামলায় একমাত্র আত্মসমর্পণকারী আসামি রাজউকের সদস্য খুরশীদ আলম আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি কোনও সাফাই সাক্ষী দেবেন না বলেন এবং আদালতের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।


এর আগে গত ৩১ জুলাই শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা পরিবারের পৃথক ছয় মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। 

প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। গত ২৯ অক্টোবর আদালতে এই মামলায় আত্মসমর্পণ করেন রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তার আইনজীবী মোহাম্মদ শাহীনুর ইসলাম মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার সুযোগ পান।

দুদকের অভিযোগ, রাজউকের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহযোগিতা নিয়ে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা পূর্বাচলের ২৭ নম্বর সেক্টরের কূটনৈতিক অঞ্চলে বিধি বহির্ভূতভাবে ছয়টি ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। বিধি অনুযায়ী তারা এসব প্লট পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

গত ২৫ মার্চ দুদক ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ছয়টি মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ৩১ জুলাই মোট ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং তাদের পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।