CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

বন্ড অপব্যবহারকারীদের তালিকা প্রকাশের দাবি বিজিএমইএ সভাপতির

#
news image

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে কঠোর অবস্থান জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান বন্ডের অপব্যবহার করছে—সে তালিকা স্পষ্টভাবে বিজিএমইএকে জানাতে হবে। অপব্যবহার প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সব সেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতারা।


বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘মুষ্টিমেয় কয়েকজনের অপকর্মের দায় পুরো শিল্পের ওপর চাপানো যাবে না। আমাদের ২২টি সদস্য প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। এনবিআর আমাদের যাদের নাম দেবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।’


তিনি বলেন, ‘বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ কার্যকর করা গেলে প্রায় ২০০ সদস্য স্বেচ্ছায় তাদের বন্ড লাইসেন্স সারেন্ডার করবে। কারণ লাইসেন্স বজায় রাখতে যে নানা জটিলতা, তা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেক প্রতিষ্ঠানই আগ্রহী।’

কর অব্যাহতির ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়াকে স্বাগত জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘যে সুবিধা দেওয়া হবে তা সংসদের মাধ্যমে হবে; আবার যে সুবিধা বন্ধ করা হবে, সেটিও সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। হঠাৎ করে এসআরও জারি করে সুবিধা বাতিল করা অনাকাঙ্ক্ষিত।’

অটোমেশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অটোমেশন ছাড়া দুর্নীতি কমবে না। বন্ডসহ সব প্রক্রিয়া দ্রুত অটোমেশনে যেতে হবে।’

এদিকে বন্ড সুবিধার অপব্যবহারকারীদের তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি জানান, বন্ড ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং বন্ড কর্মকর্তাদের জন্য এক সপ্তাহের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে ব্যর্থ হলে চাকরিতে টিকে থাকা কঠিন হবে। অদক্ষ কর্মকর্তাদের অপসারণেরও ইঙ্গিত দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই বন্ডের কোনও কাজই হাতে (ম্যানুয়াল) করা হবে না; সবই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসবে।’

বন্ড ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও রফতানি খাতকে শৃঙ্খলায় আনতে বিজিএমইএ–এনবিআরের এই অবস্থান রফতানি খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ নভেম্বর, ২০২৫,  5:12 PM

news image

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে কঠোর অবস্থান জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান বন্ডের অপব্যবহার করছে—সে তালিকা স্পষ্টভাবে বিজিএমইএকে জানাতে হবে। অপব্যবহার প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সব সেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতারা।


বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘মুষ্টিমেয় কয়েকজনের অপকর্মের দায় পুরো শিল্পের ওপর চাপানো যাবে না। আমাদের ২২টি সদস্য প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। এনবিআর আমাদের যাদের নাম দেবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।’


তিনি বলেন, ‘বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ কার্যকর করা গেলে প্রায় ২০০ সদস্য স্বেচ্ছায় তাদের বন্ড লাইসেন্স সারেন্ডার করবে। কারণ লাইসেন্স বজায় রাখতে যে নানা জটিলতা, তা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেক প্রতিষ্ঠানই আগ্রহী।’

কর অব্যাহতির ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়াকে স্বাগত জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘যে সুবিধা দেওয়া হবে তা সংসদের মাধ্যমে হবে; আবার যে সুবিধা বন্ধ করা হবে, সেটিও সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। হঠাৎ করে এসআরও জারি করে সুবিধা বাতিল করা অনাকাঙ্ক্ষিত।’

অটোমেশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অটোমেশন ছাড়া দুর্নীতি কমবে না। বন্ডসহ সব প্রক্রিয়া দ্রুত অটোমেশনে যেতে হবে।’

এদিকে বন্ড সুবিধার অপব্যবহারকারীদের তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি জানান, বন্ড ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং বন্ড কর্মকর্তাদের জন্য এক সপ্তাহের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে ব্যর্থ হলে চাকরিতে টিকে থাকা কঠিন হবে। অদক্ষ কর্মকর্তাদের অপসারণেরও ইঙ্গিত দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই বন্ডের কোনও কাজই হাতে (ম্যানুয়াল) করা হবে না; সবই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসবে।’

বন্ড ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও রফতানি খাতকে শৃঙ্খলায় আনতে বিজিএমইএ–এনবিআরের এই অবস্থান রফতানি খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।