CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

জাইকা-এলজিইডি’র যৌথ উদ্যোগে মহারশি ফ্ল্যাগশিপ উপ-প্রকল্পের উদ্বোধন

#
news image

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আজ যৌথভাবে মহারশি ফ্ল্যাগশিপ উপ-প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে। ‘ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প, ফেজ–২’-এর আওতাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটির উদ্বোধন করা হয় শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকল্পের পরিধি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
বর্তমানে প্রবহমান মহারশি নদীর পানি ব্যবহার করে এ উপ-প্রকল্পটি মোট ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দিচ্ছে।

উপকারভোগী: মোট ২,৪০৫ পরিবারের মধ্যে বর্তমানে ১,৪২০ পরিবার এই সুবিধার আওতায় এসেছে।

অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: প্রকল্পটির ইকোনমিক ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (EIRR) বা অর্থনৈতিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ১২.৯ শতাংশ, যা এর শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও লাভজনকতার ইঙ্গিত বহন করে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হল বছরজুড়ে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি, একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষিভিত্তিক ব্যবসা কেন্দ্র (এগ্রি-বিজনেস সেন্টার) স্থাপনের মাধ্যমে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণ সহজ করাও এর উদ্দেশ্য।

জাইকার বার্তা: 'নতুন এক মানদণ্ড স্থাপন'
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুচি তোমোহিদে বলেন, "গত ৫২ বছর ধরে জাইকা বাংলাদেশের পাশে আছে। এ উপ–প্রকল্পটি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, এটি মানুষের জীবনধারা পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি।"

তিনি মহারশি উপ-প্রকল্পকে সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন এক মানদণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এটি প্রমাণ করেছে যে সরকার, জাইকা ও স্থানীয় জনগণ একসাথে কাজ করলে উন্নত ফসল উৎপাদন থেকে শক্তিশালী কমিউনিটি তৈরি করা সহ অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাইকা বাংলাদেশ অফিসের সিনিয়র প্রতিনিধি শোজি ইজুমি, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী জাভেদ করিম, প্রকল্প পরিচালক সানিউল হক, নিপ্পন কোই পরামর্শক দলের টিম লিডার ইয়োজিরো সেকিগুচি, এবং এলজিইডি ও মহারশি উপ-প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ নভেম্বর, ২০২৫,  4:20 PM

news image

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আজ যৌথভাবে মহারশি ফ্ল্যাগশিপ উপ-প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে। ‘ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প, ফেজ–২’-এর আওতাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটির উদ্বোধন করা হয় শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকল্পের পরিধি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
বর্তমানে প্রবহমান মহারশি নদীর পানি ব্যবহার করে এ উপ-প্রকল্পটি মোট ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দিচ্ছে।

উপকারভোগী: মোট ২,৪০৫ পরিবারের মধ্যে বর্তমানে ১,৪২০ পরিবার এই সুবিধার আওতায় এসেছে।

অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: প্রকল্পটির ইকোনমিক ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (EIRR) বা অর্থনৈতিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ১২.৯ শতাংশ, যা এর শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও লাভজনকতার ইঙ্গিত বহন করে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হল বছরজুড়ে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি, একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষিভিত্তিক ব্যবসা কেন্দ্র (এগ্রি-বিজনেস সেন্টার) স্থাপনের মাধ্যমে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণ সহজ করাও এর উদ্দেশ্য।

জাইকার বার্তা: 'নতুন এক মানদণ্ড স্থাপন'
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুচি তোমোহিদে বলেন, "গত ৫২ বছর ধরে জাইকা বাংলাদেশের পাশে আছে। এ উপ–প্রকল্পটি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, এটি মানুষের জীবনধারা পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি।"

তিনি মহারশি উপ-প্রকল্পকে সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন এক মানদণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এটি প্রমাণ করেছে যে সরকার, জাইকা ও স্থানীয় জনগণ একসাথে কাজ করলে উন্নত ফসল উৎপাদন থেকে শক্তিশালী কমিউনিটি তৈরি করা সহ অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাইকা বাংলাদেশ অফিসের সিনিয়র প্রতিনিধি শোজি ইজুমি, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী জাভেদ করিম, প্রকল্প পরিচালক সানিউল হক, নিপ্পন কোই পরামর্শক দলের টিম লিডার ইয়োজিরো সেকিগুচি, এবং এলজিইডি ও মহারশি উপ-প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা।