CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০১ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

বন্ড ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আনছে এনবিআর

#
news image

দেশের বন্ড ব্যবস্থাপনাকে পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করতে আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিবিএমএস) ব্যবহারে বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সোমবার (১ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে সংস্থাটি।

এনবিআর জানায়, বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্সধারী রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচামাল শুল্কমুক্ত আমদানির জন্য যে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (ইউপি) নেয়, এখন থেকে সেই অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের পর থেকে সিবিএমএস ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে ইউপি ইস্যু বা সংশ্লিষ্ট সেবা দেওয়া হবে না।

বন্ড ব্যবস্থাপনাকে অটোমেশনের আওতায় আনতে গত ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এ সফটওয়্যার চালু করে এনবিআর। বর্তমানে তিনটি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট এ সিস্টেমের ২৪টি মডিউল ব্যবহার করে অনলাইনে সেবা দিচ্ছে। তবে ইউপি মডিউল চালু থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এখনও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সেবা নিচ্ছে। ফলে ১১ মাসেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি।

এনবিআর বলছে, ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংশোধন আনা হয়েছে। ফলে এখন সিস্টেমটি আগের চেয়ে আরও ব্যবহারবান্ধব।

এনবিআরের মতে, সফটওয়্যারটির বাধ্যতামূলক ব্যবহার বন্ড ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে দেবে। এর মধ্যে রয়েছে— সেবা প্রক্রিয়ায় দ্রুততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া; বন্ডেড প্রতিষ্ঠানগুলোর সময় ও ব্যয় সাশ্রয়; কাঁচামালের ইনপুট-আউটপুট হিসাব ডিজিটাল হওয়ায় স্বয়ংক্রিয় রেকর্ড সংরক্ষণ; ম্যানুয়াল কাগজপত্র জমা দেওয়ার ঝামেলা কমে যাওয়া; বন্ডসংক্রান্ত বিবাদ ও জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়া।

এনবিআর বলছে, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজিং ব্যবস্থাকে ধাপে ধাপে পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার সব প্রক্রিয়াই পর্যায়ক্রমে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ ডিসেম্বর, ২০২৫,  7:23 PM

news image

দেশের বন্ড ব্যবস্থাপনাকে পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করতে আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিবিএমএস) ব্যবহারে বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সোমবার (১ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে সংস্থাটি।

এনবিআর জানায়, বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্সধারী রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচামাল শুল্কমুক্ত আমদানির জন্য যে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (ইউপি) নেয়, এখন থেকে সেই অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের পর থেকে সিবিএমএস ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে ইউপি ইস্যু বা সংশ্লিষ্ট সেবা দেওয়া হবে না।

বন্ড ব্যবস্থাপনাকে অটোমেশনের আওতায় আনতে গত ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এ সফটওয়্যার চালু করে এনবিআর। বর্তমানে তিনটি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট এ সিস্টেমের ২৪টি মডিউল ব্যবহার করে অনলাইনে সেবা দিচ্ছে। তবে ইউপি মডিউল চালু থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এখনও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সেবা নিচ্ছে। ফলে ১১ মাসেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি।

এনবিআর বলছে, ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংশোধন আনা হয়েছে। ফলে এখন সিস্টেমটি আগের চেয়ে আরও ব্যবহারবান্ধব।

এনবিআরের মতে, সফটওয়্যারটির বাধ্যতামূলক ব্যবহার বন্ড ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে দেবে। এর মধ্যে রয়েছে— সেবা প্রক্রিয়ায় দ্রুততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া; বন্ডেড প্রতিষ্ঠানগুলোর সময় ও ব্যয় সাশ্রয়; কাঁচামালের ইনপুট-আউটপুট হিসাব ডিজিটাল হওয়ায় স্বয়ংক্রিয় রেকর্ড সংরক্ষণ; ম্যানুয়াল কাগজপত্র জমা দেওয়ার ঝামেলা কমে যাওয়া; বন্ডসংক্রান্ত বিবাদ ও জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়া।

এনবিআর বলছে, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজিং ব্যবস্থাকে ধাপে ধাপে পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার সব প্রক্রিয়াই পর্যায়ক্রমে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হবে।