CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

বার কাউন্সিল নির্বাচনে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি: আইনমন্ত্রী

#
news image

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন,  বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে সরকার কোন হস্তক্ষেপ করেনি। দেশের বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন চলছে। তাদের অনুরোধে নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যেকোনো যুক্তিসংগত কারণে আইনে নির্বাচন স্থগিত করার সুযোগ আছে। তবে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেননি। ওই অংশটুকু তিনি আনেননি। এরপর তিনি কবিতার ভাষায় পড়ে শোনান, ‘তুমি সব বোঝো মানি যতটুকু বোঝো না ততটুকুই আমি।’ তিনি সব বোঝেন এটা যেমন মানি কিন্তু যতটুকু তার প্রয়োজন ততটুকু তিনি আনেন এর বাইরের টুকু আনেন না।

তিনি আরও বলেন, ঢাকাবারসহ বেশ কয়েকটি  অ্যাসোসিয়েশন তাদের নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় রাখার স্বার্থে নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছিল। বিশেষ করে ঢাকা বারের ২২ হাজারেরও বেশি আইনজীবী সদস্য রয়েছে। তাদের নির্বাচন ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এর আগে, আখতার হোসেন বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে গতকাল মধ্যরাতে নোটিশের মাধ্যমে বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি সংকট নেই বলে দাবি করা হয়। অথচ একই সরকার-সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে সেই সংকটের কারণ দেখানো হচ্ছে কেন। আসলে কি জ্বালানি সংকট কি ইস্যু নাকি একটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ রাখা হবে, সেটা মূল ইস্যু এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর বার কাউন্সিলের নির্বাচন হওয়ার কথা। বিশেষ পরিস্থিতি যেমন মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কোনো ধরনের দুর্যোগ ঘটে, তখন নির্বাচন স্থগিত রেখে অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধান থাকে। 

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল, ২০২৬,  2:49 PM

news image

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন,  বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে সরকার কোন হস্তক্ষেপ করেনি। দেশের বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন চলছে। তাদের অনুরোধে নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যেকোনো যুক্তিসংগত কারণে আইনে নির্বাচন স্থগিত করার সুযোগ আছে। তবে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেননি। ওই অংশটুকু তিনি আনেননি। এরপর তিনি কবিতার ভাষায় পড়ে শোনান, ‘তুমি সব বোঝো মানি যতটুকু বোঝো না ততটুকুই আমি।’ তিনি সব বোঝেন এটা যেমন মানি কিন্তু যতটুকু তার প্রয়োজন ততটুকু তিনি আনেন এর বাইরের টুকু আনেন না।

তিনি আরও বলেন, ঢাকাবারসহ বেশ কয়েকটি  অ্যাসোসিয়েশন তাদের নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় রাখার স্বার্থে নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছিল। বিশেষ করে ঢাকা বারের ২২ হাজারেরও বেশি আইনজীবী সদস্য রয়েছে। তাদের নির্বাচন ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এর আগে, আখতার হোসেন বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে গতকাল মধ্যরাতে নোটিশের মাধ্যমে বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি সংকট নেই বলে দাবি করা হয়। অথচ একই সরকার-সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে সেই সংকটের কারণ দেখানো হচ্ছে কেন। আসলে কি জ্বালানি সংকট কি ইস্যু নাকি একটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ রাখা হবে, সেটা মূল ইস্যু এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর বার কাউন্সিলের নির্বাচন হওয়ার কথা। বিশেষ পরিস্থিতি যেমন মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কোনো ধরনের দুর্যোগ ঘটে, তখন নির্বাচন স্থগিত রেখে অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধান থাকে।