CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

মঞ্চে ‘চিত্রাঙ্গদা’য় বসন্ত রূপে নিশক তারেক আজিজ

#
news image

দর্শক তাকে চেনে একজন ব্যস্ত গণমাধ্যম কর্মী ও টেলিভিশন নাটকের অভিনেতা হিসেবে। বড় পর্দায়ও দেখা গেছে একাধিকবার। কিন্তু মঞ্চের প্রতি টানটা তার পুরনো। সেই টানেই মঞ্চে ফিরলেন অভিনেতা নিশক। এবার তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’য় অভিনয় করছেন কেন্দ্রীয় চরিত্র 'ঋতুরাজ বসন্ত' রূপে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় নাটকটির পরপর দুইটি সফল মঞ্চায়ন হয়।  প্রেমের দেবতা বসন্ত রূপে তার প্রবেশ, সংলাপ আর শারীরিক অভিব্যক্তি দর্শকের করতালি কুড়ায়। বাসন্তী রঙের কস্টিউম, গলায় রুদ্রাক্ষ ও কয়েক লেয়ারের পুঁথির মালা  মুকুট আর চঞ্চল উপস্থিতি দিয়ে তিনি মঞ্চে সত্যিকারের বসন্ত নিয়ে আসেন। 

নিশক বলেন, “চিত্রাঙ্গদা আমার জন্য নতুন না। এটা ছিল  আমাদের  ১২২ ও ১২৩তম শো। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথের এই কাজটা নিয়ে স্বপ্নদলের পক্ষ থেকে 'ভারত রঙ মহোৎসব' এর আমন্ত্রণে উড়িষ্যা ও দিল্লিতে ইতোমধ্যে দুইটি শো করেছি। বসন্ত চরিত্রটা কেবলমাত্র প্রেমের দেবতা না, সে একটা দর্শন। রূপ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আত্মার শক্তি চিরস্থায়ী - রবীন্দ্রনাথ এটাই বলতে চেয়েছেন। এই মেসেজটা এখনকার সময়ে খুব জরুরি।”

নিশক এর শিল্পীজীবন শুরু মঞ্চনাটক দিয়ে। নাট্যকার ও নির্দেশক দীন মোহাম্মদ মন্টুর হাত ধরে মঞ্চে অভিনয়ের পর তিনি টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন। চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের 'রানওয়ে', নির্মাতা আশরাফী মিঠুর মেগা সিরিয়াল 'দৈনিক তোলপাড়', কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ, নির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠু সহ বহু নির্মাতার দর্শকপ্রিয় কাজে তাকে দেখা গেছে। বর্তমানে একাধিক ধারাবাহিক ও খণ্ডনাটকে কাজ করছেন।

তবু মঞ্চ ছাড়েননি। তিনি বলেন, “টিভি-সিনেমা আমাকে পরিচিতি দিয়েছে, গ্রাসাচ্ছাদন দিয়েছে। কিন্তু মঞ্চ আমাকে শিল্পী বানিয়েছে। মঞ্চের সাথে নাড়ির টান। তাই সময়-সুযোগ পেলে সারাজীবন মঞ্চে কাজ করতে চাই। চিত্রাঙ্গদা’র মতো ক্ল্যাসিক কাজের অফার তো আর ফেরানো যায় না।”

নাটকটির নির্দেশক নাট্যজন জাহিদ রিপন জানান, “বসন্ত চরিত্রের জন্য আমাদের এমন একজনকে দরকার ছিল যার ভেতরে একইসাথে চাঞ্চল্য আর গভীরতা আছে। নিশক এর অভিজ্ঞতা আর ডেডিকেশন দেখে আমি নিশ্চিত ছিলাম। রিহার্সাল থেকেই তার ইনপুট নাটকটাকে সমৃদ্ধ করেছে।”

 

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল, ২০২৬,  3:30 PM

news image
'চিত্রাঙ্গদা' নাটকে ঋতুরাজ বসন্ত রূপে অভিনেতা নিশক

দর্শক তাকে চেনে একজন ব্যস্ত গণমাধ্যম কর্মী ও টেলিভিশন নাটকের অভিনেতা হিসেবে। বড় পর্দায়ও দেখা গেছে একাধিকবার। কিন্তু মঞ্চের প্রতি টানটা তার পুরনো। সেই টানেই মঞ্চে ফিরলেন অভিনেতা নিশক। এবার তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’য় অভিনয় করছেন কেন্দ্রীয় চরিত্র 'ঋতুরাজ বসন্ত' রূপে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় নাটকটির পরপর দুইটি সফল মঞ্চায়ন হয়।  প্রেমের দেবতা বসন্ত রূপে তার প্রবেশ, সংলাপ আর শারীরিক অভিব্যক্তি দর্শকের করতালি কুড়ায়। বাসন্তী রঙের কস্টিউম, গলায় রুদ্রাক্ষ ও কয়েক লেয়ারের পুঁথির মালা  মুকুট আর চঞ্চল উপস্থিতি দিয়ে তিনি মঞ্চে সত্যিকারের বসন্ত নিয়ে আসেন। 

নিশক বলেন, “চিত্রাঙ্গদা আমার জন্য নতুন না। এটা ছিল  আমাদের  ১২২ ও ১২৩তম শো। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথের এই কাজটা নিয়ে স্বপ্নদলের পক্ষ থেকে 'ভারত রঙ মহোৎসব' এর আমন্ত্রণে উড়িষ্যা ও দিল্লিতে ইতোমধ্যে দুইটি শো করেছি। বসন্ত চরিত্রটা কেবলমাত্র প্রেমের দেবতা না, সে একটা দর্শন। রূপ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আত্মার শক্তি চিরস্থায়ী - রবীন্দ্রনাথ এটাই বলতে চেয়েছেন। এই মেসেজটা এখনকার সময়ে খুব জরুরি।”

নিশক এর শিল্পীজীবন শুরু মঞ্চনাটক দিয়ে। নাট্যকার ও নির্দেশক দীন মোহাম্মদ মন্টুর হাত ধরে মঞ্চে অভিনয়ের পর তিনি টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন। চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের 'রানওয়ে', নির্মাতা আশরাফী মিঠুর মেগা সিরিয়াল 'দৈনিক তোলপাড়', কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ, নির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠু সহ বহু নির্মাতার দর্শকপ্রিয় কাজে তাকে দেখা গেছে। বর্তমানে একাধিক ধারাবাহিক ও খণ্ডনাটকে কাজ করছেন।

তবু মঞ্চ ছাড়েননি। তিনি বলেন, “টিভি-সিনেমা আমাকে পরিচিতি দিয়েছে, গ্রাসাচ্ছাদন দিয়েছে। কিন্তু মঞ্চ আমাকে শিল্পী বানিয়েছে। মঞ্চের সাথে নাড়ির টান। তাই সময়-সুযোগ পেলে সারাজীবন মঞ্চে কাজ করতে চাই। চিত্রাঙ্গদা’র মতো ক্ল্যাসিক কাজের অফার তো আর ফেরানো যায় না।”

নাটকটির নির্দেশক নাট্যজন জাহিদ রিপন জানান, “বসন্ত চরিত্রের জন্য আমাদের এমন একজনকে দরকার ছিল যার ভেতরে একইসাথে চাঞ্চল্য আর গভীরতা আছে। নিশক এর অভিজ্ঞতা আর ডেডিকেশন দেখে আমি নিশ্চিত ছিলাম। রিহার্সাল থেকেই তার ইনপুট নাটকটাকে সমৃদ্ধ করেছে।”