CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস

#
news image

আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ইউনেস্কো বিশ্বজুড়ে পঠন-পাঠন, প্রকাশনা ও কপিরাইটকে উৎসাহ দিতে দিবসটি উদযাপন শুরু করে। মূলত বই পড়া, বই ছাপা এবং বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৮২ সালে লন্ডনে আন্তর্জাতিক গ্রন্থ সম্মেলনের আয়োজন করে ইউনেস্কো। সেখানে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ‘পড়ুয়া সমাজ’ গঠনের ঘোষণা আসে। এরপর ১৯৯৫ সালের প্যারিস অধিবেশনে দিনটিকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য হলো লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠন আজ আলোচনা সভা এবং র‍্যালির আয়োজন করেছে।

পাঠাগার আন্দোলনের সাথে যুক্ত কর্মীরা মনে করেন, বই হোক মানুষের নিত্যসঙ্গী এবং কপিরাইট রক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হোক লেখকের ন্যায্য অধিকার।

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল, ২০২৬,  1:31 PM

news image
সংগৃহীত

আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ইউনেস্কো বিশ্বজুড়ে পঠন-পাঠন, প্রকাশনা ও কপিরাইটকে উৎসাহ দিতে দিবসটি উদযাপন শুরু করে। মূলত বই পড়া, বই ছাপা এবং বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৮২ সালে লন্ডনে আন্তর্জাতিক গ্রন্থ সম্মেলনের আয়োজন করে ইউনেস্কো। সেখানে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ‘পড়ুয়া সমাজ’ গঠনের ঘোষণা আসে। এরপর ১৯৯৫ সালের প্যারিস অধিবেশনে দিনটিকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য হলো লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠন আজ আলোচনা সভা এবং র‍্যালির আয়োজন করেছে।

পাঠাগার আন্দোলনের সাথে যুক্ত কর্মীরা মনে করেন, বই হোক মানুষের নিত্যসঙ্গী এবং কপিরাইট রক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হোক লেখকের ন্যায্য অধিকার।