CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

নিজের জন্য বাঁচছেন সামান্থা !

#
news image

জন্মদিন মানেই জীবনের ক্যালেন্ডারে একটি নতুন সংখ্যার যোগ হওয়া। কিন্তু অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর কাছে এবারের জন্মদিনটি কেবল উদযাপনের নয় বরং নিজেকে নতুন করে চিনে নেওয়ার এক সন্ধিক্ষণ। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, ভাঙা-গড়ার পথ হেঁটে সামান্থা আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, সেখান থেকে তিনি ফিরে তাকিয়েছেন তাঁর ফেলে আসা দিনগুলোর দিকে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘কী হারিয়েছে আর কী রয়ে গেছে’-এই চিরন্তন প্রশ্নের উত্তরে নিজের অন্তরের গভীর এক রূপান্তরের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

সামান্থার এই পথচলা ছিল মূলত নিজেকে খুঁজে পাওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, এক সময় তিনি অন্যের পছন্দের অপেক্ষায় থাকতেন, কিন্তু আজ সেই পরনির্ভরশীলতা বিদায় নিয়েছে; রয়ে গেছে কেবল কাজের প্রতি তাঁর নিখাদ ভালোবাসা। জীবনের পরিকল্পনা যখন ভেস্তে গিয়েছিল, তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার বৃথা চেষ্টার চেয়ে নিজের সহজাত প্রবৃত্তির ওপর ভরসা করাই শ্রেয়। আজ তিনি আর সেই মানুষটি হওয়ার চেষ্টা করেন না, যা সমাজ তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশা করে। বরং নিজের ভেতরের প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে সম্বল করে তিনি খুঁজে পেয়েছেন তাঁর নিজস্ব ‘কণ্ঠস্বর’।

এই সুস্থ হয়ে ওঠার যাত্রায় সামান্থা সবচেয়ে বড় যে জয়টি পেয়েছেন, তা হলো নিজের সত্যকে আঁকড়ে ধরা। নিজেকে গুটিয়ে রাখার দিনগুলো পেছনে ফেলে তিনি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর জীবন থেকে এখন অহেতুক তাড়াহুড়ো বিদায় নিয়েছে, তার জায়গা করে নিয়েছে স্থির লক্ষ্য এবং জীবনের গভীর উদ্দেশ্য।

ব্যক্তিগত জীবনেও সামান্থা এখন এক নতুন বসন্তের যাত্রী। ২০২১ সালে এক বিচ্ছেদের বিষাদময় অধ্যায় পেরিয়ে ২০২৫ সালের শেষে তিনি নতুন করে ঘর বেঁধেছেন পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে। ইশা ফাউন্ডেশনের পবিত্র পরিবেশে শুরু হওয়া এই নতুন জীবন আর পেশাগত সাফল্যে সামান্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত।

সামান্থার এই আত্মদর্শন কেবল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের গল্প নয়, বরং এটি ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়ানোর এক অনুপ্রেরণা। জন্মদিনের এই প্রাক্কালে তাঁর এই শক্তিশালী বার্তা ভক্তদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, জীবন থেকে অনেক কিছু হারিয়ে গেলেও যদি নিজের ‘সত্য’ এবং ‘উদ্দেশ্য’ টিকে থাকে, তবে সেখান থেকেই আবার নতুন করে পৃথিবী জয় করা সম্ভব।

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল, ২০২৬,  1:47 PM

news image

জন্মদিন মানেই জীবনের ক্যালেন্ডারে একটি নতুন সংখ্যার যোগ হওয়া। কিন্তু অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর কাছে এবারের জন্মদিনটি কেবল উদযাপনের নয় বরং নিজেকে নতুন করে চিনে নেওয়ার এক সন্ধিক্ষণ। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, ভাঙা-গড়ার পথ হেঁটে সামান্থা আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, সেখান থেকে তিনি ফিরে তাকিয়েছেন তাঁর ফেলে আসা দিনগুলোর দিকে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘কী হারিয়েছে আর কী রয়ে গেছে’-এই চিরন্তন প্রশ্নের উত্তরে নিজের অন্তরের গভীর এক রূপান্তরের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

সামান্থার এই পথচলা ছিল মূলত নিজেকে খুঁজে পাওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, এক সময় তিনি অন্যের পছন্দের অপেক্ষায় থাকতেন, কিন্তু আজ সেই পরনির্ভরশীলতা বিদায় নিয়েছে; রয়ে গেছে কেবল কাজের প্রতি তাঁর নিখাদ ভালোবাসা। জীবনের পরিকল্পনা যখন ভেস্তে গিয়েছিল, তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার বৃথা চেষ্টার চেয়ে নিজের সহজাত প্রবৃত্তির ওপর ভরসা করাই শ্রেয়। আজ তিনি আর সেই মানুষটি হওয়ার চেষ্টা করেন না, যা সমাজ তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশা করে। বরং নিজের ভেতরের প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে সম্বল করে তিনি খুঁজে পেয়েছেন তাঁর নিজস্ব ‘কণ্ঠস্বর’।

এই সুস্থ হয়ে ওঠার যাত্রায় সামান্থা সবচেয়ে বড় যে জয়টি পেয়েছেন, তা হলো নিজের সত্যকে আঁকড়ে ধরা। নিজেকে গুটিয়ে রাখার দিনগুলো পেছনে ফেলে তিনি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর জীবন থেকে এখন অহেতুক তাড়াহুড়ো বিদায় নিয়েছে, তার জায়গা করে নিয়েছে স্থির লক্ষ্য এবং জীবনের গভীর উদ্দেশ্য।

ব্যক্তিগত জীবনেও সামান্থা এখন এক নতুন বসন্তের যাত্রী। ২০২১ সালে এক বিচ্ছেদের বিষাদময় অধ্যায় পেরিয়ে ২০২৫ সালের শেষে তিনি নতুন করে ঘর বেঁধেছেন পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে। ইশা ফাউন্ডেশনের পবিত্র পরিবেশে শুরু হওয়া এই নতুন জীবন আর পেশাগত সাফল্যে সামান্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত।

সামান্থার এই আত্মদর্শন কেবল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের গল্প নয়, বরং এটি ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়ানোর এক অনুপ্রেরণা। জন্মদিনের এই প্রাক্কালে তাঁর এই শক্তিশালী বার্তা ভক্তদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, জীবন থেকে অনেক কিছু হারিয়ে গেলেও যদি নিজের ‘সত্য’ এবং ‘উদ্দেশ্য’ টিকে থাকে, তবে সেখান থেকেই আবার নতুন করে পৃথিবী জয় করা সম্ভব।