CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

কোরআনের দৃষ্টিতে মৃত্যু

#
news image

পবিত্র কোরআনে মৃত্যুর বিষয়টি নানা আঙ্গিকে ও গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কোরআনে মৃত্যুর উল্লেখ জীবনের আগে আসার মূল কারণ হলো, মানুষ সৃষ্টির আগে অস্তিত্বহীন ছিল। মূলত আত্মা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াই হলো শারীরিক মৃত্যু, যা প্রতিটি জীবের জন্য অবশ্যম্ভাবী।

কোরআনের আলোকে মৃত্যুর দুটি রূপ ও তাৎপর্য লক্ষ্য করা যায়:

১. প্রকৃত বা শারীরিক মৃত্যু: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘প্রত্যেক প্রাণকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ শারীরিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেহ থেকে আত্মা বিচ্ছিন্ন হয়, যা আল্লাহর নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট নিয়মে সম্পন্ন হয়।

২. রূপক বা আধ্যাত্মিক মৃত্যু: পবিত্র কোরআনে রূপক অর্থে ‘মৃত’ শব্দটির ব্যবহার রয়েছে। ঈমানহীনতা, গোমরাহি বা হৃদয়ের অচেতনতাকে আত্মার মৃত্যু হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যে ব্যক্তির হৃদয়ে ঈমানের আলো নেই, সে জীবিত থাকলেও মূলত মৃত। শারীরিক মৃত্যুর চেয়ে এই আধ্যাত্মিক মৃত্যু বা ঈমানহীনতা অধিক ভয়াবহ।

কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকৃত বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তিই, যিনি এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে থেকে পরকালের স্থায়ী জীবনের পাথেয় সংগ্রহ করেন। দৈহিক মৃত্যুর পরেও ঈমানদার ব্যক্তি তার কর্ম ও বিশ্বাসের মাধ্যমে অবিনশ্বর সফলতার অধিকারী হতে পারেন।কোরআনের দৃষ্টিতে মৃত্যু: স্বরূপ ও তাৎপর্য

পবিত্র কোরআনে মৃত্যুর বিষয়টি নানা আঙ্গিকে ও গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কোরআনে মৃত্যুর উল্লেখ জীবনের আগে আসার মূল কারণ হলো, মানুষ সৃষ্টির আগে অস্তিত্বহীন ছিল। মূলত আত্মা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াই হলো শারীরিক মৃত্যু, যা প্রতিটি জীবের জন্য অবশ্যম্ভাবী।

কোরআনের আলোকে মৃত্যুর দুটি রূপ ও তাৎপর্য লক্ষ্য করা যায়:

১. প্রকৃত বা শারীরিক মৃত্যু: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘প্রত্যেক প্রাণকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ শারীরিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেহ থেকে আত্মা বিচ্ছিন্ন হয়, যা আল্লাহর নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট নিয়মে সম্পন্ন হয়।

২. রূপক বা আধ্যাত্মিক মৃত্যু: পবিত্র কোরআনে রূপক অর্থে ‘মৃত’ শব্দটির ব্যবহার রয়েছে। ঈমানহীনতা, গোমরাহি বা হৃদয়ের অচেতনতাকে আত্মার মৃত্যু হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যে ব্যক্তির হৃদয়ে ঈমানের আলো নেই, সে জীবিত থাকলেও মূলত মৃত। শারীরিক মৃত্যুর চেয়ে এই আধ্যাত্মিক মৃত্যু বা ঈমানহীনতা অধিক ভয়াবহ।

কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকৃত বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তিই, যিনি এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে থেকে পরকালের স্থায়ী জীবনের পাথেয় সংগ্রহ করেন। দৈহিক মৃত্যুর পরেও ঈমানদার ব্যক্তি তার কর্ম ও বিশ্বাসের মাধ্যমে অবিনশ্বর সফলতার অধিকারী হতে পারেন।

নিউজ ডেস্ক

২৮ এপ্রিল, ২০২৬,  12:33 PM

news image
সংগৃহীত

পবিত্র কোরআনে মৃত্যুর বিষয়টি নানা আঙ্গিকে ও গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কোরআনে মৃত্যুর উল্লেখ জীবনের আগে আসার মূল কারণ হলো, মানুষ সৃষ্টির আগে অস্তিত্বহীন ছিল। মূলত আত্মা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াই হলো শারীরিক মৃত্যু, যা প্রতিটি জীবের জন্য অবশ্যম্ভাবী।

কোরআনের আলোকে মৃত্যুর দুটি রূপ ও তাৎপর্য লক্ষ্য করা যায়:

১. প্রকৃত বা শারীরিক মৃত্যু: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘প্রত্যেক প্রাণকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ শারীরিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেহ থেকে আত্মা বিচ্ছিন্ন হয়, যা আল্লাহর নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট নিয়মে সম্পন্ন হয়।

২. রূপক বা আধ্যাত্মিক মৃত্যু: পবিত্র কোরআনে রূপক অর্থে ‘মৃত’ শব্দটির ব্যবহার রয়েছে। ঈমানহীনতা, গোমরাহি বা হৃদয়ের অচেতনতাকে আত্মার মৃত্যু হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যে ব্যক্তির হৃদয়ে ঈমানের আলো নেই, সে জীবিত থাকলেও মূলত মৃত। শারীরিক মৃত্যুর চেয়ে এই আধ্যাত্মিক মৃত্যু বা ঈমানহীনতা অধিক ভয়াবহ।

কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকৃত বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তিই, যিনি এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে থেকে পরকালের স্থায়ী জীবনের পাথেয় সংগ্রহ করেন। দৈহিক মৃত্যুর পরেও ঈমানদার ব্যক্তি তার কর্ম ও বিশ্বাসের মাধ্যমে অবিনশ্বর সফলতার অধিকারী হতে পারেন।কোরআনের দৃষ্টিতে মৃত্যু: স্বরূপ ও তাৎপর্য

পবিত্র কোরআনে মৃত্যুর বিষয়টি নানা আঙ্গিকে ও গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কোরআনে মৃত্যুর উল্লেখ জীবনের আগে আসার মূল কারণ হলো, মানুষ সৃষ্টির আগে অস্তিত্বহীন ছিল। মূলত আত্মা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াই হলো শারীরিক মৃত্যু, যা প্রতিটি জীবের জন্য অবশ্যম্ভাবী।

কোরআনের আলোকে মৃত্যুর দুটি রূপ ও তাৎপর্য লক্ষ্য করা যায়:

১. প্রকৃত বা শারীরিক মৃত্যু: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘প্রত্যেক প্রাণকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ শারীরিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেহ থেকে আত্মা বিচ্ছিন্ন হয়, যা আল্লাহর নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট নিয়মে সম্পন্ন হয়।

২. রূপক বা আধ্যাত্মিক মৃত্যু: পবিত্র কোরআনে রূপক অর্থে ‘মৃত’ শব্দটির ব্যবহার রয়েছে। ঈমানহীনতা, গোমরাহি বা হৃদয়ের অচেতনতাকে আত্মার মৃত্যু হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যে ব্যক্তির হৃদয়ে ঈমানের আলো নেই, সে জীবিত থাকলেও মূলত মৃত। শারীরিক মৃত্যুর চেয়ে এই আধ্যাত্মিক মৃত্যু বা ঈমানহীনতা অধিক ভয়াবহ।

কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকৃত বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তিই, যিনি এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে থেকে পরকালের স্থায়ী জীবনের পাথেয় সংগ্রহ করেন। দৈহিক মৃত্যুর পরেও ঈমানদার ব্যক্তি তার কর্ম ও বিশ্বাসের মাধ্যমে অবিনশ্বর সফলতার অধিকারী হতে পারেন।