CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

আখের রস উপকারী হলেও যাদের জন্য ক্ষতিকর

#
news image

তীব্র গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা আখের রস শরীর ও মনে প্রশান্তি আনে। তবে প্রাকৃতিক এই পানীয়টি সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে আখের রস পানের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, শরীরের অবস্থা বুঝে এই পানীয় গ্রহণ করা উচিত। কারা আখের রস এড়িয়ে চলবেন বা সাবধানে পান করবেন, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ডায়াবেটিস রোগী: আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি এবং এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও উচ্চ। এটি দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।
ওজন কমাতে ইচ্ছুক ব্যক্তি: যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য আখের রস এড়িয়ে চলাই ভালো। এক গ্লাস রসে প্রচুর ক্যালোরি থাকে, যা শরীরের চর্বি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
হৃদরোগ ও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা: অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ হৃদরোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই আগে থেকে এমন সমস্যা থাকলে আখের রস এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
দাঁতের সমস্যা: আখের রস আঠালো ও মিষ্টি হওয়ায় এটি দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে। নিয়মিত পানের ফলে দাঁতে ক্যাভিটি ও মাড়ির প্রদাহের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম যাদের: রাস্তার ধারের খোলা পরিবেশে তৈরি আখের রসে অনেক সময় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকে। শিশু, বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই রস পান করলে পেট খারাপ বা ফুড পয়জনিং হতে পারে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: যারা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন, তারা আখের রস পান করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। আর সুস্থ ব্যক্তিরা যদি আখের রস পান করতে চান, তবে রাস্তার ধারের অস্বাস্থ্যকর রসের বদলে ঘরে পরিষ্কার পরিবেশে তৈরি রস পান করাই সবচেয়ে নিরাপদ। আখের রস পান করার পর পানি দিয়ে কুলি করে নেওয়া ভালো, যাতে দাঁতে চিনি জমে না থাকে।

 

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল, ২০২৬,  1:18 PM

news image
সংগৃহীত

তীব্র গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা আখের রস শরীর ও মনে প্রশান্তি আনে। তবে প্রাকৃতিক এই পানীয়টি সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে আখের রস পানের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, শরীরের অবস্থা বুঝে এই পানীয় গ্রহণ করা উচিত। কারা আখের রস এড়িয়ে চলবেন বা সাবধানে পান করবেন, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ডায়াবেটিস রোগী: আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি এবং এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও উচ্চ। এটি দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।
ওজন কমাতে ইচ্ছুক ব্যক্তি: যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য আখের রস এড়িয়ে চলাই ভালো। এক গ্লাস রসে প্রচুর ক্যালোরি থাকে, যা শরীরের চর্বি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
হৃদরোগ ও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা: অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ হৃদরোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই আগে থেকে এমন সমস্যা থাকলে আখের রস এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
দাঁতের সমস্যা: আখের রস আঠালো ও মিষ্টি হওয়ায় এটি দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে। নিয়মিত পানের ফলে দাঁতে ক্যাভিটি ও মাড়ির প্রদাহের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম যাদের: রাস্তার ধারের খোলা পরিবেশে তৈরি আখের রসে অনেক সময় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকে। শিশু, বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই রস পান করলে পেট খারাপ বা ফুড পয়জনিং হতে পারে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: যারা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন, তারা আখের রস পান করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। আর সুস্থ ব্যক্তিরা যদি আখের রস পান করতে চান, তবে রাস্তার ধারের অস্বাস্থ্যকর রসের বদলে ঘরে পরিষ্কার পরিবেশে তৈরি রস পান করাই সবচেয়ে নিরাপদ। আখের রস পান করার পর পানি দিয়ে কুলি করে নেওয়া ভালো, যাতে দাঁতে চিনি জমে না থাকে।