CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

ইনবক্সে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে হয়?

#
news image

বর্তমানে অনেকে আবেগের বশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ ও আইন অনুযায়ী, কেবল মেসেজে সম্মতি প্রদান করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয় না। কেন এটি বিয়ে নয়? ইসলামে বিয়ে একটি পবিত্র চুক্তি। এর বৈধতার জন্য কিছু অপরিহার্য শর্ত রয়েছে, যা মেসেজে পূরণ হওয়া অসম্ভব।

অভিভাবকের উপস্থিতি: ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ নয়।

সাক্ষী: বিয়ের মজলিসে অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

আইনি স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কাজী বা নিবন্ধকের মাধ্যমে নিবন্ধন করা আইনত আবশ্যক।

ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় এই শর্তগুলো পূরণ হয় না। তাই ইনবক্সে বা মেসেজে ‘কবুল’ বলা কেবল একটি কথোপকথন মাত্র, একে কোনোভাবেই দাম্পত্য সম্পর্ক বা বিয়ে হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিয়ে জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। আবেগতাড়িত হয়ে এমন কাজ করা ভবিষ্যতে সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই সঠিক ও নিরাপদ উপায়।

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল, ২০২৬,  1:19 PM

news image
সংগৃহীত

বর্তমানে অনেকে আবেগের বশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ ও আইন অনুযায়ী, কেবল মেসেজে সম্মতি প্রদান করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয় না। কেন এটি বিয়ে নয়? ইসলামে বিয়ে একটি পবিত্র চুক্তি। এর বৈধতার জন্য কিছু অপরিহার্য শর্ত রয়েছে, যা মেসেজে পূরণ হওয়া অসম্ভব।

অভিভাবকের উপস্থিতি: ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ নয়।

সাক্ষী: বিয়ের মজলিসে অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

আইনি স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কাজী বা নিবন্ধকের মাধ্যমে নিবন্ধন করা আইনত আবশ্যক।

ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় এই শর্তগুলো পূরণ হয় না। তাই ইনবক্সে বা মেসেজে ‘কবুল’ বলা কেবল একটি কথোপকথন মাত্র, একে কোনোভাবেই দাম্পত্য সম্পর্ক বা বিয়ে হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিয়ে জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। আবেগতাড়িত হয়ে এমন কাজ করা ভবিষ্যতে সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই সঠিক ও নিরাপদ উপায়।