CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

ইনবক্সে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে হয়?

#
news image

বর্তমানে অনেকে আবেগের বশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ ও আইন অনুযায়ী, কেবল মেসেজে সম্মতি প্রদান করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয় না। কেন এটি বিয়ে নয়? ইসলামে বিয়ে একটি পবিত্র চুক্তি। এর বৈধতার জন্য কিছু অপরিহার্য শর্ত রয়েছে, যা মেসেজে পূরণ হওয়া অসম্ভব।

অভিভাবকের উপস্থিতি: ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ নয়।

সাক্ষী: বিয়ের মজলিসে অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

আইনি স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কাজী বা নিবন্ধকের মাধ্যমে নিবন্ধন করা আইনত আবশ্যক।

ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় এই শর্তগুলো পূরণ হয় না। তাই ইনবক্সে বা মেসেজে ‘কবুল’ বলা কেবল একটি কথোপকথন মাত্র, একে কোনোভাবেই দাম্পত্য সম্পর্ক বা বিয়ে হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিয়ে জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। আবেগতাড়িত হয়ে এমন কাজ করা ভবিষ্যতে সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই সঠিক ও নিরাপদ উপায়।

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল, ২০২৬,  1:19 PM

news image
সংগৃহীত

বর্তমানে অনেকে আবেগের বশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ ও আইন অনুযায়ী, কেবল মেসেজে সম্মতি প্রদান করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয় না। কেন এটি বিয়ে নয়? ইসলামে বিয়ে একটি পবিত্র চুক্তি। এর বৈধতার জন্য কিছু অপরিহার্য শর্ত রয়েছে, যা মেসেজে পূরণ হওয়া অসম্ভব।

অভিভাবকের উপস্থিতি: ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ নয়।

সাক্ষী: বিয়ের মজলিসে অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

আইনি স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কাজী বা নিবন্ধকের মাধ্যমে নিবন্ধন করা আইনত আবশ্যক।

ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় এই শর্তগুলো পূরণ হয় না। তাই ইনবক্সে বা মেসেজে ‘কবুল’ বলা কেবল একটি কথোপকথন মাত্র, একে কোনোভাবেই দাম্পত্য সম্পর্ক বা বিয়ে হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিয়ে জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। আবেগতাড়িত হয়ে এমন কাজ করা ভবিষ্যতে সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই সঠিক ও নিরাপদ উপায়।