CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

রাজনৈতিক হয়রানি: ২৩৮৬৫ মামলা প্রত্যাহার

#
news image

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক কারণে হওয়া হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন বাকি মামলাগুলোও প্রত্যাহারের কার্যক্রম চলমান। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আলী আছগারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। 

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।

যদিও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মোট এক লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট আমলে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নামে কতটি মামলা হয়েছে, সে সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৬ সালের ৫ মার্চ রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে। মামলা প্রত্যাহারের আবেদনপত্র, এজাহার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিটের সার্টিফায়েড কপি এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে মামলাটি রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে, জনস্বার্থে মামলা চালানোর প্রয়োজনীয়তা নেই এবং মামলা চালালে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে মর্মে পরিলক্ষিত হলে ওই কমিটি মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করবে।

তিনি আরও বলেন, জেলা কমিটির নিকট থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য সরকার এ বছরের ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় কমিটি’ গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করার কার্যক্রম চলমান।

নিউজ ডেস্ক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  12:42 PM

news image
সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক কারণে হওয়া হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন বাকি মামলাগুলোও প্রত্যাহারের কার্যক্রম চলমান। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আলী আছগারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। 

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।

যদিও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মোট এক লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট আমলে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নামে কতটি মামলা হয়েছে, সে সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৬ সালের ৫ মার্চ রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে। মামলা প্রত্যাহারের আবেদনপত্র, এজাহার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিটের সার্টিফায়েড কপি এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে মামলাটি রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে, জনস্বার্থে মামলা চালানোর প্রয়োজনীয়তা নেই এবং মামলা চালালে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে মর্মে পরিলক্ষিত হলে ওই কমিটি মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করবে।

তিনি আরও বলেন, জেলা কমিটির নিকট থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য সরকার এ বছরের ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় কমিটি’ গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করার কার্যক্রম চলমান।