CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

বৃষ্টি পড়লেই বিছানায় শুয়ে থাকতে মন চায় কেন?

#
news image

বৃষ্টি মানেই যেন এক অলস, নরম, ঘুমঘুম একটা অনুভব! অনেকেই বলেন, ‘বৃষ্টি পড়লেই যেন ঘুম ঘুম ভাব হয় বেশি’। এমন দিনে কাজ করতে মন না চাওয়া যেন খুব স্বাভাবিক। সকালেই মনে হয়, আজ একটু বেশি ঘুমাই, কাজ পরে করা যাবে। অনেকেই এটাকে আলসেমি ভাবেন, আবার কেউ বলেন, এটা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির দিনে সূর্যের আলো কম থাকে। এতে শরীর একটু ধীর হয়ে যায়। ফলে ঘুম পায় বেশি, শরীর ক্লান্ত লাগে, আর কাজের আগ্রহ কমে যায়। এ কারণেই অনেকেরই বৃষ্টির দিনে বিছানা ছাড়তে ইচ্ছা করে না।

বৃষ্টির দিনে শুয়ে থাকা নিয়ে এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিক রুকাইয়া রুপা। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টির দিনে বিছানা থেকে উঠতে মন চায় না। মাঝেমধ্যে মনে হয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘুমিয়ে থাকি।’

অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইসফা বলেন, ‘বৃষ্টির সময় পরিবেশ সাধারণত কিছুটা শীতল হয়ে ওঠে, যা শরীর ও মনে এক ধরনের আরামদায়ক অনুভূতি তৈরি করে। টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ চারপাশে এক মধুর ও প্রশান্তিময় সুরের মতো পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা অনেকের কাছেই মানসিক শান্তি এনে দেয় বলে মনে হয়। হালকা ঠাণ্ডার মধ্যে গায়ে চাদর মুড়িয়ে বসে থাকা বা শুয়ে থাকাও ভিন্ন এক স্বস্তির অনুভূতি দেয়। এতে শরীরে উষ্ণতার নরম এক অনুভূতি তৈরি হয় এবং ঘুমও তুলনামূলকভাবে আরও গভীর ও আরামদায়ক হয়ে ওঠে।’

আরেক বেসরকারি চাকরিজীবী কে এইচ আর রাব্বী বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বৃষ্টির শব্দে সকালবেলার ঘুমের চেয়ে আরামদায়ক কিছু হতে পারে না। জানালার বাইরে টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ যেন এক ধরনের শান্তি এনে দেয়। তখন মনে হয়, দিনের সব ব্যস্ততা ভুলে আরও কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়ে থাকি।’

আবার বৃষ্টির শব্দ, ঠান্ডা আবহাওয়া—এসব মিলে মনটা একটু শান্ত হয়ে যায়। এতে শরীর আর মন দুটোই বিশ্রাম নিতে চায়। তাই কাজের চেয়ে আরাম, ঘুম বা গল্পে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, বৃষ্টির দিনে খাওয়ার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। গরম ভাজা, চা—এসবের প্রতি টান বাড়ে। এতে শরীর আরও অলস হয়ে পড়ে। কাজ করার বদলে তখন মন চায় শুধু বসে থাকতে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোপুরি কাজ বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। বরং হালকা কাজ দিয়ে দিন শুরু করা, নিয়ম মেনে চলা। এসব করলে এই অলসতা কিছুটা কমানো যায়।

তাই বৃষ্টির দিনে কাজের ইচ্ছা কমে যাওয়া শুধু আলসেমি নয়। এটি অনেকটাই শরীর ও মনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এজন্য এমন দিনে নিজেকে একটু সময় দেওয়া যেমন দরকার, তেমনি দায়িত্বও ভুলে গেলে চলবে না।

নিউজ ডেস্ক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  1:11 PM

news image
সংগৃহীত

বৃষ্টি মানেই যেন এক অলস, নরম, ঘুমঘুম একটা অনুভব! অনেকেই বলেন, ‘বৃষ্টি পড়লেই যেন ঘুম ঘুম ভাব হয় বেশি’। এমন দিনে কাজ করতে মন না চাওয়া যেন খুব স্বাভাবিক। সকালেই মনে হয়, আজ একটু বেশি ঘুমাই, কাজ পরে করা যাবে। অনেকেই এটাকে আলসেমি ভাবেন, আবার কেউ বলেন, এটা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির দিনে সূর্যের আলো কম থাকে। এতে শরীর একটু ধীর হয়ে যায়। ফলে ঘুম পায় বেশি, শরীর ক্লান্ত লাগে, আর কাজের আগ্রহ কমে যায়। এ কারণেই অনেকেরই বৃষ্টির দিনে বিছানা ছাড়তে ইচ্ছা করে না।

বৃষ্টির দিনে শুয়ে থাকা নিয়ে এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিক রুকাইয়া রুপা। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টির দিনে বিছানা থেকে উঠতে মন চায় না। মাঝেমধ্যে মনে হয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘুমিয়ে থাকি।’

অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইসফা বলেন, ‘বৃষ্টির সময় পরিবেশ সাধারণত কিছুটা শীতল হয়ে ওঠে, যা শরীর ও মনে এক ধরনের আরামদায়ক অনুভূতি তৈরি করে। টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ চারপাশে এক মধুর ও প্রশান্তিময় সুরের মতো পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা অনেকের কাছেই মানসিক শান্তি এনে দেয় বলে মনে হয়। হালকা ঠাণ্ডার মধ্যে গায়ে চাদর মুড়িয়ে বসে থাকা বা শুয়ে থাকাও ভিন্ন এক স্বস্তির অনুভূতি দেয়। এতে শরীরে উষ্ণতার নরম এক অনুভূতি তৈরি হয় এবং ঘুমও তুলনামূলকভাবে আরও গভীর ও আরামদায়ক হয়ে ওঠে।’

আরেক বেসরকারি চাকরিজীবী কে এইচ আর রাব্বী বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বৃষ্টির শব্দে সকালবেলার ঘুমের চেয়ে আরামদায়ক কিছু হতে পারে না। জানালার বাইরে টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ যেন এক ধরনের শান্তি এনে দেয়। তখন মনে হয়, দিনের সব ব্যস্ততা ভুলে আরও কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়ে থাকি।’

আবার বৃষ্টির শব্দ, ঠান্ডা আবহাওয়া—এসব মিলে মনটা একটু শান্ত হয়ে যায়। এতে শরীর আর মন দুটোই বিশ্রাম নিতে চায়। তাই কাজের চেয়ে আরাম, ঘুম বা গল্পে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, বৃষ্টির দিনে খাওয়ার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। গরম ভাজা, চা—এসবের প্রতি টান বাড়ে। এতে শরীর আরও অলস হয়ে পড়ে। কাজ করার বদলে তখন মন চায় শুধু বসে থাকতে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোপুরি কাজ বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। বরং হালকা কাজ দিয়ে দিন শুরু করা, নিয়ম মেনে চলা। এসব করলে এই অলসতা কিছুটা কমানো যায়।

তাই বৃষ্টির দিনে কাজের ইচ্ছা কমে যাওয়া শুধু আলসেমি নয়। এটি অনেকটাই শরীর ও মনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এজন্য এমন দিনে নিজেকে একটু সময় দেওয়া যেমন দরকার, তেমনি দায়িত্বও ভুলে গেলে চলবে না।