CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

হবিগঞ্জের কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা ভারী হয়ে উঠছে

#
news image

হবিগঞ্জের হাওর এলাকার কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা চিত্র ভারী হয়ে উঠছে। পানির নিচে নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফলানো ফসল। এসব ধান ঘরে তুলতে গিয়ে চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। গলা পর্যন্ত পানিতে নেমে কিছু জমির ফসল কাটা হলেও টানা বৃষ্টির কারেন সে গুলোও শুকানো যাচ্ছে না।

লাভের আশায় এ বছর ধান চাষ করে লোকসানে গুনছেন কৃষকরা। টানা বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধানে গজিয়েছে চারা। কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে পানির নিছে নষ্ট হচ্ছে ধান। ধান কাটানোর শ্রমিক মিলছেনা। জমিতে পানি থাকায় সরকারের ভর্তুকির কম্বাইন হার্ভেস্টর যন্ত্রও নামানো যাচ্ছেনা।

কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ ১১হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমির ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে তাদেরকে সরকারেরর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে।

এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ধান, যা থেকে প্রায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৩৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত মোট আবাদকৃত জমির প্রায় ৫৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

০২ মে, ২০২৬,  12:23 PM

news image

হবিগঞ্জের হাওর এলাকার কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা চিত্র ভারী হয়ে উঠছে। পানির নিচে নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফলানো ফসল। এসব ধান ঘরে তুলতে গিয়ে চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। গলা পর্যন্ত পানিতে নেমে কিছু জমির ফসল কাটা হলেও টানা বৃষ্টির কারেন সে গুলোও শুকানো যাচ্ছে না।

লাভের আশায় এ বছর ধান চাষ করে লোকসানে গুনছেন কৃষকরা। টানা বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধানে গজিয়েছে চারা। কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে পানির নিছে নষ্ট হচ্ছে ধান। ধান কাটানোর শ্রমিক মিলছেনা। জমিতে পানি থাকায় সরকারের ভর্তুকির কম্বাইন হার্ভেস্টর যন্ত্রও নামানো যাচ্ছেনা।

কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ ১১হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমির ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে তাদেরকে সরকারেরর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে।

এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ধান, যা থেকে প্রায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৩৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত মোট আবাদকৃত জমির প্রায় ৫৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।