CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

প্যারাসাইট নির্মাতাদের হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে ইন্দোনেশীয় হরর

#
news image

বিশ্বখ্যাত ও অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র 'প্যারাসাইট' এর পেছনের দক্ষিণ কোরীয় প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা বারুনসন ইএন্ডএ এবার ইন্দোনেশীয় চলচ্চিত্রের বাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। জনপ্রিয় ইন্দোনেশীয় হরর সিরিজ ‘জোনা মেরাহ’ এর চলচ্চিত্র সংস্করণ ‘জোনা মেরাহ: ডেড সিটি’-র আন্তর্জাতিক স্বত্ব ও বিপণনের দায়িত্ব নিয়েছে সিউল-ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য কান চলচ্চিত্র উৎসবের বাণিজ্য শাখা ‘মার্শে দু ফিল্ম’-এ জম্বি থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটি বিশ্ব দরবারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে।

ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্থানীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভিডিও’-তে মুক্তি পাওয়া ‘জোনা মেরাহ’ সিরিজটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রায় ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ভিউ পাওয়া এই সিরিজের মূল কাহিনী আবর্তিত হয় জম্বি মহামারীর কবলে পড়া একটি কাল্পনিক শহরকে কেন্দ্র করে। সিরিজের বিশাল সাফল্যের পর এবার ‘স্ক্রিনপ্লে ফিল্মস’ এর ব্যানারে এর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সিনেমাটির কাহিনীতে জম্বি সংক্রমণের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে, যেখানে নতুন একটি শহরকে ‘রেড জোন’ বা বিপদজনক এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন মূল সিরিজের পরিচালক জুটি সিদ্ধার্থ টাটা ও ফজর মার্থা সান্তোসা। অভিনয়ে থাকছেন আগনিনি হক, আন্দ্রি মাশাদি এবং লুকমান সার্ডির মতো ইন্দোনেশিয়ার পরিচিত তারকারা। এছাড়াও চলচ্চিত্র সংস্করণে নতুন করে যোগ দিয়েছেন লুনা মায়া ও ব্রায়ান ডোমানির মতো অভিনয়শিল্পীরা। গত ৭ এপ্রিল থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় চলচ্চিত্র বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বারুনসন ইএন্ডএ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর আগে তারা থাই নির্মাতা বাঞ্জং পিসানথানাকুন এর নতুন হরর ছবি ‘ইনহেরিট’ এর সাথেও যুক্ত হয়েছে। বারুনসনের সিইও ইয়ুনহি চোই মনে করেন, ইন্দোনেশিয়ার জেনারে ফিল্ম বা বিশেষ ঘরানার সিনেমাগুলো এখন আন্তর্জাতিক মানের হয়ে উঠছে এবং বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর এখনই সঠিক সময়।

বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রোডাকশন হাউসের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বিশ্ববাজারে মানসম্মত ভৌতিক ও থ্রিলার সিনেমা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানটি।

নিউজ ডেস্ক

০৪ মে, ২০২৬,  12:42 PM

news image
ইন্টারনেট

বিশ্বখ্যাত ও অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র 'প্যারাসাইট' এর পেছনের দক্ষিণ কোরীয় প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা বারুনসন ইএন্ডএ এবার ইন্দোনেশীয় চলচ্চিত্রের বাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। জনপ্রিয় ইন্দোনেশীয় হরর সিরিজ ‘জোনা মেরাহ’ এর চলচ্চিত্র সংস্করণ ‘জোনা মেরাহ: ডেড সিটি’-র আন্তর্জাতিক স্বত্ব ও বিপণনের দায়িত্ব নিয়েছে সিউল-ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য কান চলচ্চিত্র উৎসবের বাণিজ্য শাখা ‘মার্শে দু ফিল্ম’-এ জম্বি থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটি বিশ্ব দরবারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে।

ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্থানীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভিডিও’-তে মুক্তি পাওয়া ‘জোনা মেরাহ’ সিরিজটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রায় ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ভিউ পাওয়া এই সিরিজের মূল কাহিনী আবর্তিত হয় জম্বি মহামারীর কবলে পড়া একটি কাল্পনিক শহরকে কেন্দ্র করে। সিরিজের বিশাল সাফল্যের পর এবার ‘স্ক্রিনপ্লে ফিল্মস’ এর ব্যানারে এর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সিনেমাটির কাহিনীতে জম্বি সংক্রমণের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে, যেখানে নতুন একটি শহরকে ‘রেড জোন’ বা বিপদজনক এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন মূল সিরিজের পরিচালক জুটি সিদ্ধার্থ টাটা ও ফজর মার্থা সান্তোসা। অভিনয়ে থাকছেন আগনিনি হক, আন্দ্রি মাশাদি এবং লুকমান সার্ডির মতো ইন্দোনেশিয়ার পরিচিত তারকারা। এছাড়াও চলচ্চিত্র সংস্করণে নতুন করে যোগ দিয়েছেন লুনা মায়া ও ব্রায়ান ডোমানির মতো অভিনয়শিল্পীরা। গত ৭ এপ্রিল থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় চলচ্চিত্র বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বারুনসন ইএন্ডএ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর আগে তারা থাই নির্মাতা বাঞ্জং পিসানথানাকুন এর নতুন হরর ছবি ‘ইনহেরিট’ এর সাথেও যুক্ত হয়েছে। বারুনসনের সিইও ইয়ুনহি চোই মনে করেন, ইন্দোনেশিয়ার জেনারে ফিল্ম বা বিশেষ ঘরানার সিনেমাগুলো এখন আন্তর্জাতিক মানের হয়ে উঠছে এবং বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর এখনই সঠিক সময়।

বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রোডাকশন হাউসের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বিশ্ববাজারে মানসম্মত ভৌতিক ও থ্রিলার সিনেমা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানটি।