CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

পশ্চিমবঙ্গেও নামল বুলডোজার

#
news image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন জেলায় সহিংসতার ঘটনায় গতকাল বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন- পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) চন্দ্রনাথ রথ, আবির শেখ, যাদব বর, মধু মণ্ডল ও বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক। ভোট গণনার পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকে রাজ্যজুড়ে সহিংসতায় নিহতের ঘটনা ঘটেই চলছে। ফল প্রকাশের পরই মঙ্গলবার রাতে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।

এতে নিহত হন ৪৫ বছর বয়সী তৃণমূল কর্মী আবির শেখ। আবিরের আত্মীয় মহসিনা বেগম জানান, আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন আবির। পরে নিজের বাড়ি যাওয়ার পথে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের হামলার শিকার হন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হাওড়া জেলার উদয় নারায়ণপুরে বিজেপির এক সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তার নাম যাদব বর (৪৮)। পরিবারের দাবি, যাদব বিজেপির সমর্থক ছিলেন। ৪ মে রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে একদল লোক যাদবকে ঘিরে ধরে ও নির্মমভাবে মারধর করে। গুরুতর আহতাবস্থায় দ্রুত উদয় নারায়ণপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ দিকে কলকাতা নিউ টাউনে ‘হত্যার শিকার’ হয়েছেন বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডল। ৫ মে বিজেপির বিজয় মিছিলে তৃণমূল কংগ্রেসের অতর্কিত হামলায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবার ও স্বজনরা।

অন্য দিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নাজাত থানার অন্তর্গত সারাবেড়িয়া আগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বামনঝেরি এলাকায় ভোট পরবর্তী উত্তেজনাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ৫ মে দিনগত রাতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই এলাকায় টহল দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

এ ঘটনায় নাজাত থানার পুলিশ ইনচার্জ ভারত পুরোকাইত, রাজবাড়ী ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তা ভাস্কর গোস্বামী ও এক নারী পুলিশ অফিসার গুলিবিদ্ধ হন।

এ ছাড়া মুর্শিদাবাদের ডোমকল পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের যুগিন্দা রথতলা পাড়ায় পোলট্র্রি ফার্ম থেকে বাড়ি ফেরার সময় শফিকুল ইসলাম নামে এক সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে। গুলি শফিকুলের গলায় লেগেছে।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর আসনের তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর বাড়িতেও তাণ্ডব চালায় রাম ভক্তরা। রাতে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী বীণা মণ্ডলের বাড়িতে বিজেপি সমর্থকরা চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। চতুর্থ বারের জন্য জয়ী বিধায়ক বীণার বাড়ির সামনে কয়েক শ বিজেপি কর্মী সমর্থক জয় শ্রীরাম বলে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল, ডিজে বাজিয়ে বাড়ির সামনে ইটপাটকেল ছোড়ে, গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রামের মানুষ রুখে দাঁড়িয়ে তা প্রতিহত করে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল উত্তর আসনের অন্তর্গত কোর্ট মোড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আসানসোল পৌরসভার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী ঘোষের ওই কার্যালয়টিতে রাতে একদল দুর্বৃত্ত এসে ভাঙচুর করে।

এ দিকে বেলেঘাটা নিজের বাড়ির বাইরে উদ্ধার হয়েছে বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক নামে এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর লাশ। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে জানা গেছে।

শুভেন্দুর পিএকে গুলি করে হত্যা : পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএ) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রাতে মধ্যমগ্রামের দোহারিয়াতে তিনি হামলার শিকার হন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম চন্দ্রনাথ রথ। তার বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রাম এলাকায়।

বিজেপির বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, গতকাল রাতে চন্দ্রনাথের গাড়ির পিছু নেন হামলাকারীরা। তারা দোহারিয়া এলাকায় চন্দ্রনাথের গাড়ি লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে বুদ্ধদেব বেরা নামে এক যুবক ছিলেন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

০৭ মে, ২০২৬,  2:45 PM

news image
ইন্টারনেট

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন জেলায় সহিংসতার ঘটনায় গতকাল বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন- পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) চন্দ্রনাথ রথ, আবির শেখ, যাদব বর, মধু মণ্ডল ও বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক। ভোট গণনার পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকে রাজ্যজুড়ে সহিংসতায় নিহতের ঘটনা ঘটেই চলছে। ফল প্রকাশের পরই মঙ্গলবার রাতে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।

এতে নিহত হন ৪৫ বছর বয়সী তৃণমূল কর্মী আবির শেখ। আবিরের আত্মীয় মহসিনা বেগম জানান, আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন আবির। পরে নিজের বাড়ি যাওয়ার পথে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের হামলার শিকার হন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হাওড়া জেলার উদয় নারায়ণপুরে বিজেপির এক সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তার নাম যাদব বর (৪৮)। পরিবারের দাবি, যাদব বিজেপির সমর্থক ছিলেন। ৪ মে রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে একদল লোক যাদবকে ঘিরে ধরে ও নির্মমভাবে মারধর করে। গুরুতর আহতাবস্থায় দ্রুত উদয় নারায়ণপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ দিকে কলকাতা নিউ টাউনে ‘হত্যার শিকার’ হয়েছেন বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডল। ৫ মে বিজেপির বিজয় মিছিলে তৃণমূল কংগ্রেসের অতর্কিত হামলায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবার ও স্বজনরা।

অন্য দিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নাজাত থানার অন্তর্গত সারাবেড়িয়া আগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বামনঝেরি এলাকায় ভোট পরবর্তী উত্তেজনাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ৫ মে দিনগত রাতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই এলাকায় টহল দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

এ ঘটনায় নাজাত থানার পুলিশ ইনচার্জ ভারত পুরোকাইত, রাজবাড়ী ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তা ভাস্কর গোস্বামী ও এক নারী পুলিশ অফিসার গুলিবিদ্ধ হন।

এ ছাড়া মুর্শিদাবাদের ডোমকল পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের যুগিন্দা রথতলা পাড়ায় পোলট্র্রি ফার্ম থেকে বাড়ি ফেরার সময় শফিকুল ইসলাম নামে এক সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে। গুলি শফিকুলের গলায় লেগেছে।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর আসনের তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর বাড়িতেও তাণ্ডব চালায় রাম ভক্তরা। রাতে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী বীণা মণ্ডলের বাড়িতে বিজেপি সমর্থকরা চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। চতুর্থ বারের জন্য জয়ী বিধায়ক বীণার বাড়ির সামনে কয়েক শ বিজেপি কর্মী সমর্থক জয় শ্রীরাম বলে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল, ডিজে বাজিয়ে বাড়ির সামনে ইটপাটকেল ছোড়ে, গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রামের মানুষ রুখে দাঁড়িয়ে তা প্রতিহত করে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল উত্তর আসনের অন্তর্গত কোর্ট মোড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আসানসোল পৌরসভার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী ঘোষের ওই কার্যালয়টিতে রাতে একদল দুর্বৃত্ত এসে ভাঙচুর করে।

এ দিকে বেলেঘাটা নিজের বাড়ির বাইরে উদ্ধার হয়েছে বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক নামে এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর লাশ। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে জানা গেছে।

শুভেন্দুর পিএকে গুলি করে হত্যা : পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএ) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রাতে মধ্যমগ্রামের দোহারিয়াতে তিনি হামলার শিকার হন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম চন্দ্রনাথ রথ। তার বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রাম এলাকায়।

বিজেপির বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, গতকাল রাতে চন্দ্রনাথের গাড়ির পিছু নেন হামলাকারীরা। তারা দোহারিয়া এলাকায় চন্দ্রনাথের গাড়ি লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে বুদ্ধদেব বেরা নামে এক যুবক ছিলেন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।