CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

চুক্তি ভেঙ্গে বৈরুতে হামলা ইসরায়েলের 

#
news image

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক মাস না পেরোতেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে লেবাননের পরিস্থিতি। বুধবার (৬ মে) রাজধানী বৈরুর দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নাজুক শান্তি প্রচেষ্টা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেন, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান ইউনিটের এক কমান্ডার। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওই কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি হিজবুল্লাহ বা লেবাননের সেনাবাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও আপাতত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। তিনি বলেছেন, লেবানন কেবল সাময়িক সমাধান নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা চায়। এজন্য দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের স্পষ্ট সময়সূচি প্রয়োজন বলে মনে করছে বৈরুত। একই সঙ্গে দেশের সব অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠকের পরিবেশ তৈরি হবে না।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। তবে বৈরুতে নতুন এই হামলার পর সেই সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

হিজবুল্লাহ শুরু থেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিরোধিতা করে আসছে। বিষয়টি লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বিভাজন তৈরি করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে।

তবে রাজধানী বৈরুতের কেন্দ্রঘেঁষা এলাকায় নতুন করে হামলা চালানোয় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

০৭ মে, ২০২৬,  3:11 PM

news image
ইন্টারনেট

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক মাস না পেরোতেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে লেবাননের পরিস্থিতি। বুধবার (৬ মে) রাজধানী বৈরুর দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নাজুক শান্তি প্রচেষ্টা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেন, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান ইউনিটের এক কমান্ডার। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওই কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি হিজবুল্লাহ বা লেবাননের সেনাবাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও আপাতত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। তিনি বলেছেন, লেবানন কেবল সাময়িক সমাধান নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা চায়। এজন্য দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের স্পষ্ট সময়সূচি প্রয়োজন বলে মনে করছে বৈরুত। একই সঙ্গে দেশের সব অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠকের পরিবেশ তৈরি হবে না।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। তবে বৈরুতে নতুন এই হামলার পর সেই সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

হিজবুল্লাহ শুরু থেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিরোধিতা করে আসছে। বিষয়টি লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বিভাজন তৈরি করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে।

তবে রাজধানী বৈরুতের কেন্দ্রঘেঁষা এলাকায় নতুন করে হামলা চালানোয় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।