CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

রাজধানীতে বসছে ২৬টি অস্থায়ী পশুর হাট

#
news image

হাইকোর্টের রায়ে আবাসিক এলাকায় কোরবানির পশুরহাট বন্ধে নির্দেশনা থাকলেও এবার রাজধানীতে ২৬টি অস্থায়ী হাট বসবে। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৫টি ও দক্ষিণ সিটিতে ১১টি।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, উত্তর সিটিতে ১৫টির মধ্যে সাতটি হাটের ইজারা চূড়ান্ত হয়েছে। হাটগুলো হলো—মিরপুর-৬-এর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা, মিরপুরের কালশী বালুর মাঠ, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, পূর্ব হাজীপাড়ার ইকরা মাদ্রাসা এলাকা, উত্তরার দিয়াবাড়ী, কীচকুড়া বাজার সংলগ্ন রহমাননগর আবাসিক এলাকা এবং খিলক্ষেত থানাধীন খালপাড়া চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকা।

দক্ষিণে ১১টির মধ্যে আটটি হাটের ইজারা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি হাটগুলোর ইজারা চলমান।

দক্ষিণ সিটির অস্থায়ী হাটগুলো হলো— পোস্তগোলা, উত্তর শাহজাহানপুর, আমুলিয়া, শিকদার মেডিকেল, কাজলা ব্রিজ, বনশ্রী, ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং গোলাপবাগ।

আবাসিক এলাকায় পশুর অস্থায়ী হাট বন্ধ হলেও এবার নতুন চারটি জায়গায় হাট বসাচ্ছে ডিএনসিসি। এসব হাটের কারণ হিসেবে ‘রাজনৈতিক চাহিদার’ কথা মৌখিকভাবে উল্লেখ করেছেন এক কর্মকর্তা। কিন্তু কিছুতেই নিজের নাম প্রকাশ করতে চাননি।

বললেন, দলীয় সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ফলে রাজনৈতিক কিছু চাহিদা তো থাকবেই। এরই ভিত্তিতে এবার কিছু জায়গায় নতুন করে হাট বসানো হচ্ছে।

যদিও সিটি করপোরেশনের ইজারার শর্তে বলা আছে, আবাসিক এলাকা, পথচারী বা যান চলাচল ব্যাহত হয় এমন জায়গায় পশুর হাট বসানো যাবে না। বরং উন্মুক্ত বড় জায়গায় হাট বসাতে হবে।

কিন্তু এর পরও প্রতি বছর বনশ্রী এবং আফতাবনগর আবাসিক এলাকায় হাট বসাত সিটি করপোরেশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ দুই আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা হাট বসানো বন্ধে হাইকোর্টে করেন রিট। 

আদালত আবাসিক এলাকায় পশুর হাট বন্ধে নির্দেশ দেন গত বছর কোরবানির আগে। কিন্তু সেই আদেশ উপেক্ষা করেই বসানো হয়েছিল পশুর হাট। তবে এবার আর এই দুই আবাসিক এলাকায় বসছে না হাট, যা স্বস্তি দিয়েছে এলাকাবাসীকে।

বহুদিন পর এবার কোরবানির পশুর হাট নিয়ে যন্ত্রণায় পড়তে হবে না, স্বস্তির সঙ্গে বলছিলেন বনশ্রী সি ব্লকের বাসিন্দা ডা. নাবিল আহমেদ। প্রতি বছর তার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাট বসায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এ বছর সে সিদ্ধান্ত বদলেছে। ফলে দুই সপ্তাহ ধরে গরু, ছাগল, পশুর বর্জ্য আর হাট ঘিরে হইচইয়ের মধ্যে পড়তে হবে না স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এ প্রসঙ্গে নগরবিদ অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বললেন, ‘অনেক দেরিতে হলেও আবাসিক এলাকায় হাট বসানো বন্ধ হলো। এটা ইতিবাচক দিক। কোরবানির সময় হাট বসবে, তবে সিটি করপোরেশনকে খেয়াল রাখতে হবে, যেন এতে নাগরিকদের চলাচলে অসুবিধা না হয়।’

নিউজ ডেস্ক

১৬ মে, ২০২৬,  12:20 PM

news image
সংগৃহীত

হাইকোর্টের রায়ে আবাসিক এলাকায় কোরবানির পশুরহাট বন্ধে নির্দেশনা থাকলেও এবার রাজধানীতে ২৬টি অস্থায়ী হাট বসবে। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৫টি ও দক্ষিণ সিটিতে ১১টি।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, উত্তর সিটিতে ১৫টির মধ্যে সাতটি হাটের ইজারা চূড়ান্ত হয়েছে। হাটগুলো হলো—মিরপুর-৬-এর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা, মিরপুরের কালশী বালুর মাঠ, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, পূর্ব হাজীপাড়ার ইকরা মাদ্রাসা এলাকা, উত্তরার দিয়াবাড়ী, কীচকুড়া বাজার সংলগ্ন রহমাননগর আবাসিক এলাকা এবং খিলক্ষেত থানাধীন খালপাড়া চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকা।

দক্ষিণে ১১টির মধ্যে আটটি হাটের ইজারা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি হাটগুলোর ইজারা চলমান।

দক্ষিণ সিটির অস্থায়ী হাটগুলো হলো— পোস্তগোলা, উত্তর শাহজাহানপুর, আমুলিয়া, শিকদার মেডিকেল, কাজলা ব্রিজ, বনশ্রী, ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং গোলাপবাগ।

আবাসিক এলাকায় পশুর অস্থায়ী হাট বন্ধ হলেও এবার নতুন চারটি জায়গায় হাট বসাচ্ছে ডিএনসিসি। এসব হাটের কারণ হিসেবে ‘রাজনৈতিক চাহিদার’ কথা মৌখিকভাবে উল্লেখ করেছেন এক কর্মকর্তা। কিন্তু কিছুতেই নিজের নাম প্রকাশ করতে চাননি।

বললেন, দলীয় সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ফলে রাজনৈতিক কিছু চাহিদা তো থাকবেই। এরই ভিত্তিতে এবার কিছু জায়গায় নতুন করে হাট বসানো হচ্ছে।

যদিও সিটি করপোরেশনের ইজারার শর্তে বলা আছে, আবাসিক এলাকা, পথচারী বা যান চলাচল ব্যাহত হয় এমন জায়গায় পশুর হাট বসানো যাবে না। বরং উন্মুক্ত বড় জায়গায় হাট বসাতে হবে।

কিন্তু এর পরও প্রতি বছর বনশ্রী এবং আফতাবনগর আবাসিক এলাকায় হাট বসাত সিটি করপোরেশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ দুই আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা হাট বসানো বন্ধে হাইকোর্টে করেন রিট। 

আদালত আবাসিক এলাকায় পশুর হাট বন্ধে নির্দেশ দেন গত বছর কোরবানির আগে। কিন্তু সেই আদেশ উপেক্ষা করেই বসানো হয়েছিল পশুর হাট। তবে এবার আর এই দুই আবাসিক এলাকায় বসছে না হাট, যা স্বস্তি দিয়েছে এলাকাবাসীকে।

বহুদিন পর এবার কোরবানির পশুর হাট নিয়ে যন্ত্রণায় পড়তে হবে না, স্বস্তির সঙ্গে বলছিলেন বনশ্রী সি ব্লকের বাসিন্দা ডা. নাবিল আহমেদ। প্রতি বছর তার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাট বসায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এ বছর সে সিদ্ধান্ত বদলেছে। ফলে দুই সপ্তাহ ধরে গরু, ছাগল, পশুর বর্জ্য আর হাট ঘিরে হইচইয়ের মধ্যে পড়তে হবে না স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এ প্রসঙ্গে নগরবিদ অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বললেন, ‘অনেক দেরিতে হলেও আবাসিক এলাকায় হাট বসানো বন্ধ হলো। এটা ইতিবাচক দিক। কোরবানির সময় হাট বসবে, তবে সিটি করপোরেশনকে খেয়াল রাখতে হবে, যেন এতে নাগরিকদের চলাচলে অসুবিধা না হয়।’