CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

আমার দেখা অভিশঙ্করের প্রদর্শিত চিত্রাবলী

#
news image

হয়তো সময়টা ২০০৭ সালের প্রথম দিকের কোন এক মাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টসের জয়নুল গ্যালারিতে একটি গ্রুপ শোয়ের এক দেয়ালজুড়ে বড় ক্যানভাসে জাহাঙ্গীরনগরের অতিথি পাখির উড়ে যাওয়ার দৃশ্য। প্রথম দেখায় মনে হচ্ছিল, এটি কোন পেইন্টিং নয়; যেন সামনে বাস্তব চিত্র। এটাই ছিল শিল্পী অভিশঙ্কর আইনের পেইন্টিংয়ের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা। 
এরপরে অভিশঙ্করের প্রচুর কাজের সঙ্গে পরিচয়; সে হোক ওয়াটার কালারে পুরোনো বাড়ির সামনে গাছের ঝোঁপ কী চারুকলার ছোট পন্ড বা ফিগার ড্রইং …
এরপর এলো তার প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী। এ যেন কোনো এক স্বপ্ন স্বপ্ন বাস্তবতা। পেইন্টিংগুলো খুব রিয়েলিস্টিক। কিন্তু উপস্থাপনায় স্বাপ্নিক এক বিষয় লক্ষণীয়। অনেকটা ম্যাজিক্যাল। এরপর এলো দ্বিতীয় চিত্র প্রদর্শনী। এ যেন সুন্দরবন থেকে এক ঝাঁক হরিন গ্যালারিতে চলে এসেছে। 


কিন্তু আজ কথা বলবো, অভিশঙ্করের তৃতীয় একক চিত্র প্রদর্শনী ‘অ্যাটমোসফিয়ার্স অব টাইম’ নিয়ে। যা সম্প্রতি শেষ হয়েছে প্ল্যাটফর্মস গ্যালারিতে। একটা দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত। এখানে আবার অভিশঙ্করের সম্পূর্ণ ভিন্ন উপস্থাপনা। সুপার রিয়েলিস্টিক পেইন্টিংয়ের বদলে বিমূর্ত চিত্রাবলী। বিমূর্ত মুগ্ধতার মাঝে ফুটে উঠেছে পৃথিবীর ঋতু রং; মিষ্টি রোদ; কখনো বৃষ্টি; কখনো কোনো উপত্যকায় নির্জন জোৎস্না পাতায় পাতায় ঝরে পড়া; আবার কখনো বা জল পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নদীতে গিয়ে পড়া; উত্তাল সাগরের উন্মত্ত ঝড়; আবার একই সাথে অশান্ত সাগরের সাথে ঠিক তার নিচে শান্ত গভীরতা। রয়েছে রংয়ের লেয়ারের সঙ্গে সঙ্গে টেস্কচারের খেলা। এ যেন ভিন্ন ভাষায় এই ভূখন্ডের ভৌগলিক রূপ তুলে আনা। 


কেউ একজন বলেছিল, ‘নাহ। অভিদার কাজে অ্যাবস্ট্রাক্ট বা ভেঙে চুড়ে ফেলার মজাটা নাই।’ কিন্তু আমি বলি, ‘কিছু ভাঙাচোড়া বা নিয়ম ভাঙা দেখতে পাওয়া যায় না।’ 

লেখক: চিত্রশিল্পী এবং চারু ও কারু প্রশিক্ষক

তানজিমা তাবাচ্ছুম এশা

১১ জুন, ২০২৬,  10:28 AM

news image
সংগৃহীত

হয়তো সময়টা ২০০৭ সালের প্রথম দিকের কোন এক মাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টসের জয়নুল গ্যালারিতে একটি গ্রুপ শোয়ের এক দেয়ালজুড়ে বড় ক্যানভাসে জাহাঙ্গীরনগরের অতিথি পাখির উড়ে যাওয়ার দৃশ্য। প্রথম দেখায় মনে হচ্ছিল, এটি কোন পেইন্টিং নয়; যেন সামনে বাস্তব চিত্র। এটাই ছিল শিল্পী অভিশঙ্কর আইনের পেইন্টিংয়ের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা। 
এরপরে অভিশঙ্করের প্রচুর কাজের সঙ্গে পরিচয়; সে হোক ওয়াটার কালারে পুরোনো বাড়ির সামনে গাছের ঝোঁপ কী চারুকলার ছোট পন্ড বা ফিগার ড্রইং …
এরপর এলো তার প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী। এ যেন কোনো এক স্বপ্ন স্বপ্ন বাস্তবতা। পেইন্টিংগুলো খুব রিয়েলিস্টিক। কিন্তু উপস্থাপনায় স্বাপ্নিক এক বিষয় লক্ষণীয়। অনেকটা ম্যাজিক্যাল। এরপর এলো দ্বিতীয় চিত্র প্রদর্শনী। এ যেন সুন্দরবন থেকে এক ঝাঁক হরিন গ্যালারিতে চলে এসেছে। 


কিন্তু আজ কথা বলবো, অভিশঙ্করের তৃতীয় একক চিত্র প্রদর্শনী ‘অ্যাটমোসফিয়ার্স অব টাইম’ নিয়ে। যা সম্প্রতি শেষ হয়েছে প্ল্যাটফর্মস গ্যালারিতে। একটা দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত। এখানে আবার অভিশঙ্করের সম্পূর্ণ ভিন্ন উপস্থাপনা। সুপার রিয়েলিস্টিক পেইন্টিংয়ের বদলে বিমূর্ত চিত্রাবলী। বিমূর্ত মুগ্ধতার মাঝে ফুটে উঠেছে পৃথিবীর ঋতু রং; মিষ্টি রোদ; কখনো বৃষ্টি; কখনো কোনো উপত্যকায় নির্জন জোৎস্না পাতায় পাতায় ঝরে পড়া; আবার কখনো বা জল পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নদীতে গিয়ে পড়া; উত্তাল সাগরের উন্মত্ত ঝড়; আবার একই সাথে অশান্ত সাগরের সাথে ঠিক তার নিচে শান্ত গভীরতা। রয়েছে রংয়ের লেয়ারের সঙ্গে সঙ্গে টেস্কচারের খেলা। এ যেন ভিন্ন ভাষায় এই ভূখন্ডের ভৌগলিক রূপ তুলে আনা। 


কেউ একজন বলেছিল, ‘নাহ। অভিদার কাজে অ্যাবস্ট্রাক্ট বা ভেঙে চুড়ে ফেলার মজাটা নাই।’ কিন্তু আমি বলি, ‘কিছু ভাঙাচোড়া বা নিয়ম ভাঙা দেখতে পাওয়া যায় না।’ 

লেখক: চিত্রশিল্পী এবং চারু ও কারু প্রশিক্ষক