ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
৩১ মে, ২০২৫, 7:52 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীঘর উত্তরপাড়া ও কান্দিপাড়া মেঘনাপাড়ের মহল্লা বাসী অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধের জোর দাবি তুলেছেন। যেখানে বাংলাদেশ সরকার নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে ও নদী পাড়ের প্রত্যেকটি গ্রাম এবং বসতবাড়ি সহ ফসলি জমি রক্ষার্থে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছেন। সেখানে একদল প্রভাবশালী ভূমিদস্যু মেঘনাপাড়ের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। মাটি কাটার কারণে আশপাশের জমিন সহ বাড়িঘর হয়ে পড়েছে হুমকির মুখে।
প্রতিবছর নদী ভাঙ্গনে হাজারো মানুষের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতেকরে বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পরছে অনেকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রীঘর গ্রামের উত্তর পাড়া ও কান্দিপাড়া মেঘনা নদীর পাড় থেকে বড় বড় ট্রলারে একদল শ্রমিক মেঘনা পাড়ের ফসলি জমির মাটি কেটে ট্রলার বোঝাই করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী বলেন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় এই মাটিগুলো শ্রীঘর গ্রামের কান্দিপাড়া কাসেম মিয়া, শ্রীঘর দক্ষিণ পাড়ার আলমগীর হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের আপন ভাই, এরাই মেঘনা পাড়ের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এলাকাবাসীর বারবার অনুরোধ করেও মাটিকাটা বন্ধ হচ্ছে না।
এদিকে মেঘনাপাড়ের ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কাসেম মিয়া ও আলমগীর মিয়া আত্মগোপনে চলে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কাউকে ক্যামেরার সামনে আনা যায়নি। এসময় ভুক্তভোগীরা সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সরকারের কাছে তাদের ঘরবাড়ি মেঘনা ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য অনুরোধ করেন। ভুক্তভোগীরা বলেন, ফসলি জমি থেকে যদি প্রতিনিয়ত মাটি কেটে নেওয়া হয়, তাহলে অতি দ্রুতই আমাদের জমিসহ বাড়িঘর মেঘনা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমদ বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
৩১ মে, ২০২৫, 7:52 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীঘর উত্তরপাড়া ও কান্দিপাড়া মেঘনাপাড়ের মহল্লা বাসী অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধের জোর দাবি তুলেছেন। যেখানে বাংলাদেশ সরকার নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে ও নদী পাড়ের প্রত্যেকটি গ্রাম এবং বসতবাড়ি সহ ফসলি জমি রক্ষার্থে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছেন। সেখানে একদল প্রভাবশালী ভূমিদস্যু মেঘনাপাড়ের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। মাটি কাটার কারণে আশপাশের জমিন সহ বাড়িঘর হয়ে পড়েছে হুমকির মুখে।
প্রতিবছর নদী ভাঙ্গনে হাজারো মানুষের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতেকরে বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পরছে অনেকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রীঘর গ্রামের উত্তর পাড়া ও কান্দিপাড়া মেঘনা নদীর পাড় থেকে বড় বড় ট্রলারে একদল শ্রমিক মেঘনা পাড়ের ফসলি জমির মাটি কেটে ট্রলার বোঝাই করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী বলেন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় এই মাটিগুলো শ্রীঘর গ্রামের কান্দিপাড়া কাসেম মিয়া, শ্রীঘর দক্ষিণ পাড়ার আলমগীর হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের আপন ভাই, এরাই মেঘনা পাড়ের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এলাকাবাসীর বারবার অনুরোধ করেও মাটিকাটা বন্ধ হচ্ছে না।
এদিকে মেঘনাপাড়ের ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কাসেম মিয়া ও আলমগীর মিয়া আত্মগোপনে চলে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কাউকে ক্যামেরার সামনে আনা যায়নি। এসময় ভুক্তভোগীরা সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সরকারের কাছে তাদের ঘরবাড়ি মেঘনা ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য অনুরোধ করেন। ভুক্তভোগীরা বলেন, ফসলি জমি থেকে যদি প্রতিনিয়ত মাটি কেটে নেওয়া হয়, তাহলে অতি দ্রুতই আমাদের জমিসহ বাড়িঘর মেঘনা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমদ বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই।