CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রস্তাবিত বাজেটে শ্রমখাত উপেক্ষিত

#
news image

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলকল্যাণ তহবিল এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে প্রদেয় অর্থের উপর কর আরোপের প্রস্তাবের প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর নির্বাহী পরিচালক জনাব সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “প্রস্তাবিত বাজেটে ১২ টি খাত কে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্ল্যেখ করলেও শ্রমখাতকে উপেক্ষা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকার কখনোই এই তহবিলগুলোতে সরাসরি বাজেট বরাদ্দ দেয় না। বরং কোম্পানির লভ্যাংশের ৫% অংশ শ্রমিকদের প্রাপ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়যার ১০% শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে জমা পড়ে। এই তহবিল মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত প্রান্তিক শ্রমিকদের চিকিৎসাশিক্ষা ও মাতৃত্বকালীন সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়। এমন মানবিক খাতের উপর কর আরোপ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

তিনি আরও বলেন, “প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্যানসার বা শিশুচিকিৎসার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়তা থেকে কর কেটে নেওয়ার প্রস্তাব শ্রমিকদের অত্যন্ত বিস্ময়কর। ইতিপূর্বে এই তহবিল রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। শ্রম সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যেই তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হোয়াইট পেপার’ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সংশ্লিষ্ট সকল তহবিলের ওপর প্রস্তাবিত কর অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশিশ্রখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শ্রমিকদের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে এবং শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী একটি আলাদা বিশেষ তহবিল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ জুন, ২০২৫,  6:34 PM

news image

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলকল্যাণ তহবিল এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে প্রদেয় অর্থের উপর কর আরোপের প্রস্তাবের প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর নির্বাহী পরিচালক জনাব সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “প্রস্তাবিত বাজেটে ১২ টি খাত কে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্ল্যেখ করলেও শ্রমখাতকে উপেক্ষা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকার কখনোই এই তহবিলগুলোতে সরাসরি বাজেট বরাদ্দ দেয় না। বরং কোম্পানির লভ্যাংশের ৫% অংশ শ্রমিকদের প্রাপ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়যার ১০% শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে জমা পড়ে। এই তহবিল মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত প্রান্তিক শ্রমিকদের চিকিৎসাশিক্ষা ও মাতৃত্বকালীন সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়। এমন মানবিক খাতের উপর কর আরোপ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

তিনি আরও বলেন, “প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্যানসার বা শিশুচিকিৎসার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়তা থেকে কর কেটে নেওয়ার প্রস্তাব শ্রমিকদের অত্যন্ত বিস্ময়কর। ইতিপূর্বে এই তহবিল রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। শ্রম সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যেই তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হোয়াইট পেপার’ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সংশ্লিষ্ট সকল তহবিলের ওপর প্রস্তাবিত কর অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশিশ্রখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শ্রমিকদের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে এবং শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী একটি আলাদা বিশেষ তহবিল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।