CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী  ইউনিয়নের বিরোধ

#
news image

বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন মিয়ার সঙ্গে আতাত করে সুবিধা ভোগকারী আবারো দল পাল্টাচ্ছেন বরে অভিযোগ উঠেছে। 
অভিযোগে জানা গেছে, গত ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রদল নেতা আমজাদ হোসেনের সহযোগিতায় আবুল কালাম আজাদ পুনরায় সংগঠনের অনুপ্রবেশ করেন। সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান অবসর গ্রহণের সুযোগে আজাদ আবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের পদ পদবী ব্যবহার করে ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু করেন। ফলে সংগঠনের ভেতর বিরোধ শুরু হয়। সংগঠনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ত্যাগী শ্রমিক নেতা আমজাদ হোসেন ও নুরুল ইসলাম  সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস ভাবে চেস্টা করায় বিতর্কিত আজাদ ও আমজাদ-নুরুর মধ্যে গ্রুপিং শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘাতে রূপ নেয়। ফলে কয়েকবার আজাদ গ্রুপ ও আমজাদ-নুরু গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার মারামারি ও বেশ কয়েকজন আহত হন। যা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তদন্ত করছেন। আর দুই গ্রুপের ভেতর একাধিক মামলা হয়েছে। আজাদ বহিরাগত লোক নিয়ে চর দখলের মত ওয়াপদা ভবন ও বিদ্যুৎ ভবনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এতে সাধারণ শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ভীতিকর অবস্থার সৃস্টি হয়। আর ঘুষ দুর্নীতি চাঁদাবাজি বদলি বাণিজ্য নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে লিপ্ত রয়েছেন। বিএনপি ও শ্রমিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। 
জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের নানা অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমজাদ হোসেনের সাথে গ্রুপিং ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়। আজাদের নেতৃত্বে উচ্চবিলাসী মনোভাব থাকায় তিনি নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা আলাউদ্দিন মিয়ার সহযোগিতায় জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের ভুয়া কমিটি বানিয়ে আমজাদ গ্রুপকে বিতর্কিত করার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন রেজিঃ নং বি-১৮৮৬ এর গত ১৫ বছর কোন বৈধ কমিটি ছিল না। আগের কমিটির প্রায় সবাই অবসরে গেছেন। আমজাদ ও নুরুল ইসলাম শ্রম আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে কর্মরত নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে চায়। কিন্তুঅবসরপ্রাপ্ত গ্রুপের সদস্যরা বিশৃঙ্খলার সৃস্টি করায় কমিটি গঠন করা হয়নি। বিএনপি’র শ্রমিক সংগঠনের কতিপয় বিতর্কিত নেতাদের উশৃংখল কর্মকান্ডের কারণে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণ তাদের উপর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। 
বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানান, তাদরে নানা অপকর্মের কারণে বিএনপি’র সর্বত্র রাজনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। সংগঠনটিতে মাত্র তিন থেকে চারশ সদস্য ছিল। সদস্য স্বল্পতার কারণে সংগঠনটি সিবিএ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আর আজাদ মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে প্রবেশ করানোর অভিযোগ উঠেছে। তার এধরণের কর্মকান্ডের বিরোধিতা করায় বিএনপির প্রকৃত নেতাকর্মীকে শ্রমিক লীগের নাম দিয়ে হয়রানি করছেন। বিউবো’র সকল শ্রমিক কর্মচারীরা এই নোংরামির অবসান চেয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ জুন, ২০২৫,  8:04 PM

news image

বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন মিয়ার সঙ্গে আতাত করে সুবিধা ভোগকারী আবারো দল পাল্টাচ্ছেন বরে অভিযোগ উঠেছে। 
অভিযোগে জানা গেছে, গত ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রদল নেতা আমজাদ হোসেনের সহযোগিতায় আবুল কালাম আজাদ পুনরায় সংগঠনের অনুপ্রবেশ করেন। সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান অবসর গ্রহণের সুযোগে আজাদ আবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের পদ পদবী ব্যবহার করে ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু করেন। ফলে সংগঠনের ভেতর বিরোধ শুরু হয়। সংগঠনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ত্যাগী শ্রমিক নেতা আমজাদ হোসেন ও নুরুল ইসলাম  সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস ভাবে চেস্টা করায় বিতর্কিত আজাদ ও আমজাদ-নুরুর মধ্যে গ্রুপিং শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘাতে রূপ নেয়। ফলে কয়েকবার আজাদ গ্রুপ ও আমজাদ-নুরু গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার মারামারি ও বেশ কয়েকজন আহত হন। যা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তদন্ত করছেন। আর দুই গ্রুপের ভেতর একাধিক মামলা হয়েছে। আজাদ বহিরাগত লোক নিয়ে চর দখলের মত ওয়াপদা ভবন ও বিদ্যুৎ ভবনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এতে সাধারণ শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ভীতিকর অবস্থার সৃস্টি হয়। আর ঘুষ দুর্নীতি চাঁদাবাজি বদলি বাণিজ্য নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে লিপ্ত রয়েছেন। বিএনপি ও শ্রমিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। 
জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের নানা অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমজাদ হোসেনের সাথে গ্রুপিং ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়। আজাদের নেতৃত্বে উচ্চবিলাসী মনোভাব থাকায় তিনি নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা আলাউদ্দিন মিয়ার সহযোগিতায় জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের ভুয়া কমিটি বানিয়ে আমজাদ গ্রুপকে বিতর্কিত করার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন রেজিঃ নং বি-১৮৮৬ এর গত ১৫ বছর কোন বৈধ কমিটি ছিল না। আগের কমিটির প্রায় সবাই অবসরে গেছেন। আমজাদ ও নুরুল ইসলাম শ্রম আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে কর্মরত নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে চায়। কিন্তুঅবসরপ্রাপ্ত গ্রুপের সদস্যরা বিশৃঙ্খলার সৃস্টি করায় কমিটি গঠন করা হয়নি। বিএনপি’র শ্রমিক সংগঠনের কতিপয় বিতর্কিত নেতাদের উশৃংখল কর্মকান্ডের কারণে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণ তাদের উপর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। 
বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানান, তাদরে নানা অপকর্মের কারণে বিএনপি’র সর্বত্র রাজনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। সংগঠনটিতে মাত্র তিন থেকে চারশ সদস্য ছিল। সদস্য স্বল্পতার কারণে সংগঠনটি সিবিএ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আর আজাদ মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে প্রবেশ করানোর অভিযোগ উঠেছে। তার এধরণের কর্মকান্ডের বিরোধিতা করায় বিএনপির প্রকৃত নেতাকর্মীকে শ্রমিক লীগের নাম দিয়ে হয়রানি করছেন। বিউবো’র সকল শ্রমিক কর্মচারীরা এই নোংরামির অবসান চেয়েছেন।