CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ডেঙ্গু আক্রন্ত আরো ২৯৪ জন হাসপাতালে

#
news image

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১২৬ জনই বরিশাল বিভাগের (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে)। শুক্রবার (৪ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত তারা হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে এ সময়ের মধ্যে কেউ মারা যায়নি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৯৫৪ জন আর মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, জুলাইয়ে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৫৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন তিন জন। সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ২৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৫৭ জন, বাকি ৮৭৯ জন অন্যান্য বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, এ বছরের জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ জন, মার্চে ৩৩৬ জন, এপ্রিলে ৭০১ জন এবং মেতে ১ হাজার ৭৭৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন জন, এপ্রিলে সাত জন, মেতে তিন জন মারা গেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ জুলাই, ২০২৫,  6:03 PM

news image

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১২৬ জনই বরিশাল বিভাগের (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে)। শুক্রবার (৪ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত তারা হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে এ সময়ের মধ্যে কেউ মারা যায়নি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৯৫৪ জন আর মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, জুলাইয়ে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৫৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন তিন জন। সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ২৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৫৭ জন, বাকি ৮৭৯ জন অন্যান্য বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, এ বছরের জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ জন, মার্চে ৩৩৬ জন, এপ্রিলে ৭০১ জন এবং মেতে ১ হাজার ৭৭৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন জন, এপ্রিলে সাত জন, মেতে তিন জন মারা গেছেন।