নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ জুলাই, ২০২৫, 3:06 PM
জাপা চেয়ারম্যান জি.এম কাদেরের অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে, এবার জাতীয় পার্টির চলমান বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন সাবেক এমপি ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা ও কুমিল্লার সাবেক এমপি অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে দলটির প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত একাত্মতা প্রকাশ অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমূদ,এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ও মুজিবুল হক চুন্নুর হাতে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টির বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন দলটির নেতাকর্মীরা।
জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কো : সাবেক চেয়ারম্যান ,সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাহিদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এ টি ইউ এম তাজ রহমান, নাজমা আক্তার, মোস্তফা আল মাহমুদ, জহিরুল ইসলাম জহির, আরিফুর রহমান খান, মাসরুর মওলা,জসীম উদ্দীন ভূঁইয়া।
সভাপতির বক্তব্যে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন..
বর্তমান রাষ্ট্রপতি নতুন প্রেক্ষাপটে, জাতীয় পার্টির বিরাট সম্ভাবনা আছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে আমরা দলকে ঐক্যবদ্ধ করছি।কোনভাবেই জাতীয় পার্টিতে ভাঙতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন
অনেক কষ্ট করে এই পার্টিটাবি করেছি, এই পার্টি যেন মুসলিম লীগ, জাসদের মত হয়ে না যায়। সেজন্য জাতীয় পার্টি কে বড় করার চেষ্টা করছি।আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি, জাতীয় পার্টি ভাঙবে না,আরো বৃহৎ হবে।
তিনি বলেন, এরশাদ সাহেব আমাকে বলে গেছেন, এ পার্টি যেন সাধারণ মানুষের মাঝে থাকে। সেজন্য আমরা কাজ করছি। আমরা যখন দেখলাম পদ নিয়ে পার্টিতে বাণিজ্য হয়,তখন আমি বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য চেয়ারম্যান কে বলেছি।কিন্তু চেয়ারম্যান তা বন্ধ করেন। গণতান্ত্রিক উপায়ে পার্টি পরিচালনার জন্য ২০-১ ক ধারা বাতিল করার জন্য বলেছি।তিনি তাও শোনেনি।
জিএম কাদের কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু তিনি দলের স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছে। এরশাদ সাহেবও কোন সিদ্ধান্ত আমাদের সাথে আলোচনা ছাড়া নিতেন না। কিন্তু জিএম কাদের নিজেকে খোদার চেয়ে বেশি শক্তিশালী মনে করেন।
তুমি বারবার বলে, আমি চেয়ারম্যান আমার কথায় সব। আমি যদি বলে রাত তাহলে রাত। এভাবে কোন রাজনৈতিক দল চলতে পারে না। সকলের সাথে আলোচনা ছাড়া কোনো সরকারও চলে না। অথচ জিএম কাদের, নিজের কর্তৃত্ব বজায় রেখে দলের চালাতে চায়।
তিনি জিএম কাদেরকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, সাহস থাকলে কাউন্সিল করুন। আমি নিজে চেয়ারম্যান পদে পতিতলিত করব। আমার প্যানেলে মহাসচিব থাকবে রুহুল আমিন হাওলাদার ।আমি নির্বাচনে আসেন, আমি দেখতে চাই আপনি কত ভোট পান।
এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশে একটি জাতীয় পার্টি থাকবে।দুইটা জাতীয় পার্টি থাকবে না। কোনো সিন্ডিকেটের মধ্যে জাতীয় পার্টি বন্দী থাকবে না। জাতীয় পার্টি হবে সকল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের।
তিনি বলেন,দেশ আজ অনিশ্চিতার মধ্যে আছে, ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে দেশে একটা পরিবর্তন হয়েছে। পৃথিবীর দেশে দেশে ধরনের পরিবর্তন হয়। পরিবর্তন সময়ের দাবি।
আমাদের দলেও পরিবর্তনের সময় এসেছে, আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে জাতীয় পার্টিকে গড়ে তুলতে চাই। সময়ের দাবিতে, গণতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত হবে।
আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, রাজনৈতিক সহাবস্থানের জন্য, কারো বিরুদ্ধেচারণের জন্য জাতীয় পার্টির রাজনীতি করেন না। আগামী দিনে সকলকে নিয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় পার্টি করা হবে। যারা জাতীয় পার্টি কে ছেড়ে চলে গেছে, তাদেরকে নেওয়া নিয়ে আসা হবে। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে পল্লীবন্ধু এরশাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আমরা কাজ করব।
রুহুল আমিন হালদার বলেন, জি এম কাদের একটি ব্যারিস্টারকে মহাসচিব করেছে।সে আমাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে।সে বলে আমরা সিনিয়ররা বেইমানি করেছি। তার কথায় আঘাত পেয়েছি। তার উচিত, শালিন ভাবে কথা বলা।সে যে এমপি হয়েছে, তার পিছনে আমার কি অবদান তা যেন স্মরণ রাখে।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জি.এম কাদের অসাংগঠনিক, অগণতান্ত্রিক ও বেআইনিভাবে আমাদের ১১ জনকে অব্যাহতি দিয়েছে। এই অব্যাহতি আমরা মানি না। আমরা আগামীকাল কাউন্সিল পর্যন্ত নিজ নিজ পদে বহাল আছি। জি এম কাদের একক ভাবে তার স্ত্রীকে নিয়ে সিন্ডিকেট করে দল চালাতে চায়, কিন্তু আমরা যারা এ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, তারা কোনভাবে জাতীয় পার্টিকে ভাঙতে দেব না, ছোট হতে দেব না,কোন সিন্ডিকেটের হাতে জাতীয় পার্টি কে তুলে দিতে পারি না।
মুজিবুল হক চুন্নু আরো বলেন, কাউন্সিল আহ্বান করার পর, কাউকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুযোগ নেই, শুধুমাত্র কাউন্সিলে যাতে করে জিএম কাদেরকে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে না পারে, সেজন্য তিনি ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে, তড়িঘড়ি করে আমাদের অব্যাহতি দেয়ার নাটক করেছে। তবে যে উদ্দেশ্যে তিনি এই নাটক করছে,তা তিনি সফল হতে পারবেন না। সারাদেশে জড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাখ লাখ এরশাদ প্রেমিক জাতীয় পার্টির কর্মী তার সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিবে ।
লিয়াকত হোসেন খোকা তার বক্তব্যে বলেন,আমি জি,এম কাদেরকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি,দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, জাতীয় পার্টি কে ঐক্যবদ্ধ করবার জন্য। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। জি এম কাদেরের আশেপাশে থাকা কিছু তথাকথিত নেতা একটা সিন্ডিকেট করে নিজের ব্যক্তি স্বার্থে দলকে ছোট করছে।
তারা চায়না দল বড় হোক, ঐক্যবদ্ধ হোক। কিন্তু
জাতীয় পার্টির তৃণমূল নেতা কর্মীরা চায়,জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ হোক বড় হোক। জাতীয় পার্টির এক আছে এবং ভবিষ্যতে আরো বৃহৎ হবে । কোন গোষ্ঠী ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। জাতীয় পার্টির মালিক কোন একক ব্যক্তি নয়, এরশাদ প্রেমিক তৃণমূলের সকল নেতাকর্মী হচ্ছে জাতীয় পার্টির মালিক।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সরদার শাহজাহান, হারুন আর রশীদ, ভাইস-চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর হোসেন,জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, আমানত হোসেন আমানত, শফিকুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বেলাল হোসেন, ফখরুল আহসান শাহজাদা, দফতর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা,যুগ্ম সম্পাদক সেকান্দার আলী সেরনিয়াবাত, শারমিন পারভীন লিজা,মাশুক আহমেদ,ডাঃ সেলিমা খান, শাহনাজ পারভীন, শরফুদ্দিন আহমেদ শিপু,কেন্দ্রীয় নেতা - আব্দুস সাত্তার, মিজানুর রহমান দুলাল, জিয়া উর রহমান বিপুল, জাকির মাহমুদ সেলিম,তাসলিমা আকবর রুনা, ফজলে এলাহী সোহাগ, মোঃ মিজানুর রহমান, আলমগীর হোসেন,কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাহমুদুল আনোয়ার, কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল হক সাইদুল, মাহবুবুর রহমান কামাল,নারায়নগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সানাউল্লাহ সানু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু রিপন বাওয়াল, আনিসুর রহমান বাবু,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি কাজী মোঃ মহসিন, সোনারগাঁও উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি কাজী নাজমুল ইসলাম লিটু, সোনারগাঁও উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জাকির সরকার,সহিদ বাদশা মেম্বর,দেলোয়ার খান, আরিফুর রহমান, সদস্য সচিব সেকান্দার আলী , ইয়ামিন সুজন,জহির হোসেন প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ জুলাই, ২০২৫, 3:06 PM
জাপা চেয়ারম্যান জি.এম কাদেরের অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে, এবার জাতীয় পার্টির চলমান বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন সাবেক এমপি ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা ও কুমিল্লার সাবেক এমপি অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে দলটির প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত একাত্মতা প্রকাশ অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমূদ,এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ও মুজিবুল হক চুন্নুর হাতে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টির বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন দলটির নেতাকর্মীরা।
জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কো : সাবেক চেয়ারম্যান ,সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাহিদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এ টি ইউ এম তাজ রহমান, নাজমা আক্তার, মোস্তফা আল মাহমুদ, জহিরুল ইসলাম জহির, আরিফুর রহমান খান, মাসরুর মওলা,জসীম উদ্দীন ভূঁইয়া।
সভাপতির বক্তব্যে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন..
বর্তমান রাষ্ট্রপতি নতুন প্রেক্ষাপটে, জাতীয় পার্টির বিরাট সম্ভাবনা আছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে আমরা দলকে ঐক্যবদ্ধ করছি।কোনভাবেই জাতীয় পার্টিতে ভাঙতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন
অনেক কষ্ট করে এই পার্টিটাবি করেছি, এই পার্টি যেন মুসলিম লীগ, জাসদের মত হয়ে না যায়। সেজন্য জাতীয় পার্টি কে বড় করার চেষ্টা করছি।আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি, জাতীয় পার্টি ভাঙবে না,আরো বৃহৎ হবে।
তিনি বলেন, এরশাদ সাহেব আমাকে বলে গেছেন, এ পার্টি যেন সাধারণ মানুষের মাঝে থাকে। সেজন্য আমরা কাজ করছি। আমরা যখন দেখলাম পদ নিয়ে পার্টিতে বাণিজ্য হয়,তখন আমি বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য চেয়ারম্যান কে বলেছি।কিন্তু চেয়ারম্যান তা বন্ধ করেন। গণতান্ত্রিক উপায়ে পার্টি পরিচালনার জন্য ২০-১ ক ধারা বাতিল করার জন্য বলেছি।তিনি তাও শোনেনি।
জিএম কাদের কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু তিনি দলের স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছে। এরশাদ সাহেবও কোন সিদ্ধান্ত আমাদের সাথে আলোচনা ছাড়া নিতেন না। কিন্তু জিএম কাদের নিজেকে খোদার চেয়ে বেশি শক্তিশালী মনে করেন।
তুমি বারবার বলে, আমি চেয়ারম্যান আমার কথায় সব। আমি যদি বলে রাত তাহলে রাত। এভাবে কোন রাজনৈতিক দল চলতে পারে না। সকলের সাথে আলোচনা ছাড়া কোনো সরকারও চলে না। অথচ জিএম কাদের, নিজের কর্তৃত্ব বজায় রেখে দলের চালাতে চায়।
তিনি জিএম কাদেরকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, সাহস থাকলে কাউন্সিল করুন। আমি নিজে চেয়ারম্যান পদে পতিতলিত করব। আমার প্যানেলে মহাসচিব থাকবে রুহুল আমিন হাওলাদার ।আমি নির্বাচনে আসেন, আমি দেখতে চাই আপনি কত ভোট পান।
এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশে একটি জাতীয় পার্টি থাকবে।দুইটা জাতীয় পার্টি থাকবে না। কোনো সিন্ডিকেটের মধ্যে জাতীয় পার্টি বন্দী থাকবে না। জাতীয় পার্টি হবে সকল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের।
তিনি বলেন,দেশ আজ অনিশ্চিতার মধ্যে আছে, ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে দেশে একটা পরিবর্তন হয়েছে। পৃথিবীর দেশে দেশে ধরনের পরিবর্তন হয়। পরিবর্তন সময়ের দাবি।
আমাদের দলেও পরিবর্তনের সময় এসেছে, আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে জাতীয় পার্টিকে গড়ে তুলতে চাই। সময়ের দাবিতে, গণতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত হবে।
আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, রাজনৈতিক সহাবস্থানের জন্য, কারো বিরুদ্ধেচারণের জন্য জাতীয় পার্টির রাজনীতি করেন না। আগামী দিনে সকলকে নিয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় পার্টি করা হবে। যারা জাতীয় পার্টি কে ছেড়ে চলে গেছে, তাদেরকে নেওয়া নিয়ে আসা হবে। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে পল্লীবন্ধু এরশাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আমরা কাজ করব।
রুহুল আমিন হালদার বলেন, জি এম কাদের একটি ব্যারিস্টারকে মহাসচিব করেছে।সে আমাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে।সে বলে আমরা সিনিয়ররা বেইমানি করেছি। তার কথায় আঘাত পেয়েছি। তার উচিত, শালিন ভাবে কথা বলা।সে যে এমপি হয়েছে, তার পিছনে আমার কি অবদান তা যেন স্মরণ রাখে।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জি.এম কাদের অসাংগঠনিক, অগণতান্ত্রিক ও বেআইনিভাবে আমাদের ১১ জনকে অব্যাহতি দিয়েছে। এই অব্যাহতি আমরা মানি না। আমরা আগামীকাল কাউন্সিল পর্যন্ত নিজ নিজ পদে বহাল আছি। জি এম কাদের একক ভাবে তার স্ত্রীকে নিয়ে সিন্ডিকেট করে দল চালাতে চায়, কিন্তু আমরা যারা এ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, তারা কোনভাবে জাতীয় পার্টিকে ভাঙতে দেব না, ছোট হতে দেব না,কোন সিন্ডিকেটের হাতে জাতীয় পার্টি কে তুলে দিতে পারি না।
মুজিবুল হক চুন্নু আরো বলেন, কাউন্সিল আহ্বান করার পর, কাউকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুযোগ নেই, শুধুমাত্র কাউন্সিলে যাতে করে জিএম কাদেরকে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে না পারে, সেজন্য তিনি ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে, তড়িঘড়ি করে আমাদের অব্যাহতি দেয়ার নাটক করেছে। তবে যে উদ্দেশ্যে তিনি এই নাটক করছে,তা তিনি সফল হতে পারবেন না। সারাদেশে জড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাখ লাখ এরশাদ প্রেমিক জাতীয় পার্টির কর্মী তার সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিবে ।
লিয়াকত হোসেন খোকা তার বক্তব্যে বলেন,আমি জি,এম কাদেরকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি,দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, জাতীয় পার্টি কে ঐক্যবদ্ধ করবার জন্য। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। জি এম কাদেরের আশেপাশে থাকা কিছু তথাকথিত নেতা একটা সিন্ডিকেট করে নিজের ব্যক্তি স্বার্থে দলকে ছোট করছে।
তারা চায়না দল বড় হোক, ঐক্যবদ্ধ হোক। কিন্তু
জাতীয় পার্টির তৃণমূল নেতা কর্মীরা চায়,জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ হোক বড় হোক। জাতীয় পার্টির এক আছে এবং ভবিষ্যতে আরো বৃহৎ হবে । কোন গোষ্ঠী ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। জাতীয় পার্টির মালিক কোন একক ব্যক্তি নয়, এরশাদ প্রেমিক তৃণমূলের সকল নেতাকর্মী হচ্ছে জাতীয় পার্টির মালিক।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সরদার শাহজাহান, হারুন আর রশীদ, ভাইস-চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর হোসেন,জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, আমানত হোসেন আমানত, শফিকুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বেলাল হোসেন, ফখরুল আহসান শাহজাদা, দফতর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা,যুগ্ম সম্পাদক সেকান্দার আলী সেরনিয়াবাত, শারমিন পারভীন লিজা,মাশুক আহমেদ,ডাঃ সেলিমা খান, শাহনাজ পারভীন, শরফুদ্দিন আহমেদ শিপু,কেন্দ্রীয় নেতা - আব্দুস সাত্তার, মিজানুর রহমান দুলাল, জিয়া উর রহমান বিপুল, জাকির মাহমুদ সেলিম,তাসলিমা আকবর রুনা, ফজলে এলাহী সোহাগ, মোঃ মিজানুর রহমান, আলমগীর হোসেন,কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাহমুদুল আনোয়ার, কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল হক সাইদুল, মাহবুবুর রহমান কামাল,নারায়নগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সানাউল্লাহ সানু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু রিপন বাওয়াল, আনিসুর রহমান বাবু,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি কাজী মোঃ মহসিন, সোনারগাঁও উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি কাজী নাজমুল ইসলাম লিটু, সোনারগাঁও উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জাকির সরকার,সহিদ বাদশা মেম্বর,দেলোয়ার খান, আরিফুর রহমান, সদস্য সচিব সেকান্দার আলী , ইয়ামিন সুজন,জহির হোসেন প্রমুখ।