নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ জুলাই, ২০২৫, 10:51 AM
ঢাকা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসমাবেশস্থল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অবস্থানে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গতকাল রাত থেকেই আসতে শুরু করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এতেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণতা পায়।
শনিবার (১৯ জুলাই) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় মহাসমাবেশের মূল আনুষ্ঠানিকতা দুপুর ২টায় শুরু হবে।
দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এটাই দলীয় ইতিহাসের প্রথম সমাবেশ। আগে পুরানা পল্টন, বায়তুল মোকাররম, পল্টন ময়দানসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছে জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম ‘জাতীয় সমাবেশ’ করতে যাচ্ছি আমরা।
জামায়াতের জাতীয় মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জানা গেছে, মহাসমাবেশে তারা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, সংস্কার ও বিচারসহ বেশ কিছু দাবি উপস্থাপন করবেন।
এর আগে শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন শেষে দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, মহাসমাবেশের খবর শুধু জাতির কাছে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও পৌঁছে যাবে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চতুর্দিকে ভেতরে এবং বাইরে মিলিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আমাদের ১৫টি মেডিকেল বুথ থাকবে। একাধিক বেড সম্বলিত প্রতিটি বুথে ২ জন করে এমবিবিএস ডাক্তার থাকবেন। জরুরি ওষুধ এবং অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসও রাখার ব্যবস্থা থাকবে। জাতীয় সমাবেশের কার্যক্রমে আইটি টিম এবং লাইভ প্রচারের জন্য ড্রোন টু ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে সমাবেশে উচ্চমানের ভিডিও ধারণ ও সমাবেশস্থলে এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শন করা এবং ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিকমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার করবে দলটি।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ জুলাই, ২০২৫, 10:51 AM
ঢাকা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসমাবেশস্থল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অবস্থানে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গতকাল রাত থেকেই আসতে শুরু করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এতেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণতা পায়।
শনিবার (১৯ জুলাই) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় মহাসমাবেশের মূল আনুষ্ঠানিকতা দুপুর ২টায় শুরু হবে।
দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এটাই দলীয় ইতিহাসের প্রথম সমাবেশ। আগে পুরানা পল্টন, বায়তুল মোকাররম, পল্টন ময়দানসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছে জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম ‘জাতীয় সমাবেশ’ করতে যাচ্ছি আমরা।
জামায়াতের জাতীয় মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জানা গেছে, মহাসমাবেশে তারা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, সংস্কার ও বিচারসহ বেশ কিছু দাবি উপস্থাপন করবেন।
এর আগে শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন শেষে দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, মহাসমাবেশের খবর শুধু জাতির কাছে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও পৌঁছে যাবে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চতুর্দিকে ভেতরে এবং বাইরে মিলিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আমাদের ১৫টি মেডিকেল বুথ থাকবে। একাধিক বেড সম্বলিত প্রতিটি বুথে ২ জন করে এমবিবিএস ডাক্তার থাকবেন। জরুরি ওষুধ এবং অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসও রাখার ব্যবস্থা থাকবে। জাতীয় সমাবেশের কার্যক্রমে আইটি টিম এবং লাইভ প্রচারের জন্য ড্রোন টু ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে সমাবেশে উচ্চমানের ভিডিও ধারণ ও সমাবেশস্থলে এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শন করা এবং ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিকমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার করবে দলটি।