নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ জুলাই, ২০২৫, 4:52 PM
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি আজ এক বিবৃতিতে গোপালগঞ্জে গত কয়েকদিন ধরে জারি রাখা কারফিউ এবং "নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার" তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
জাসদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে নিরস্ত্র জনগণের ওপর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নির্বিচার গুলিবর্ষণে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ নিহত হলেও সরকার তা স্বীকার না করে আড়াল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিহতদের মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই এবং মুসলিমদের কাফন ও জানাজা ছাড়া, হিন্দুদের ধর্মীয় আচার পালন ছাড়াই সৎকার করতে বাধ্য করার মতো "চরম অমানবিক ঘটনা" ঘটেছে।
জাসদ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, কারফিউয়ের আড়ালে গোপালগঞ্জবাসীর ওপর "সিস্টেমেটিক গণনির্যাতন, গণগ্রেফতারসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ" সংঘটিত হচ্ছে।
দলটি অবিলম্বে গোপালগঞ্জে জারি করা কারফিউ তুলে নেওয়া, নির্বিচার গণনির্যাতন ও গণগ্রেফতার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। একই সাথে, জাসদ গোপালগঞ্জে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নির্বিচার হত্যা, গণনির্যাতন ও গণগ্রেফতারের ঘটনা তদন্তের জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ জুলাই, ২০২৫, 4:52 PM
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি আজ এক বিবৃতিতে গোপালগঞ্জে গত কয়েকদিন ধরে জারি রাখা কারফিউ এবং "নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার" তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
জাসদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে নিরস্ত্র জনগণের ওপর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নির্বিচার গুলিবর্ষণে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ নিহত হলেও সরকার তা স্বীকার না করে আড়াল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিহতদের মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই এবং মুসলিমদের কাফন ও জানাজা ছাড়া, হিন্দুদের ধর্মীয় আচার পালন ছাড়াই সৎকার করতে বাধ্য করার মতো "চরম অমানবিক ঘটনা" ঘটেছে।
জাসদ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, কারফিউয়ের আড়ালে গোপালগঞ্জবাসীর ওপর "সিস্টেমেটিক গণনির্যাতন, গণগ্রেফতারসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ" সংঘটিত হচ্ছে।
দলটি অবিলম্বে গোপালগঞ্জে জারি করা কারফিউ তুলে নেওয়া, নির্বিচার গণনির্যাতন ও গণগ্রেফতার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। একই সাথে, জাসদ গোপালগঞ্জে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নির্বিচার হত্যা, গণনির্যাতন ও গণগ্রেফতারের ঘটনা তদন্তের জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।