CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের আপিলের রায় ৩০ জুলাই

#
news image

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. মোবারক হোসেনের আপিল বিভাগের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৩০ জুলাই রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

মোবারকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত ৮ জুলাই মোবারক হোসেনের আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল।

পূর্বের রায় ও অভিযোগ
২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনাল-১ মোবারকের বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে আনা ৫টি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়। এর একটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোবারক ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ জুলাই, ২০২৫,  4:34 PM

news image

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. মোবারক হোসেনের আপিল বিভাগের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৩০ জুলাই রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

মোবারকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত ৮ জুলাই মোবারক হোসেনের আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল।

পূর্বের রায় ও অভিযোগ
২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনাল-১ মোবারকের বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে আনা ৫টি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়। এর একটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোবারক ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।