নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ জুলাই, ২০২৫, 6:44 PM
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার শংকর চৌধুরীর নামে একজন ডাক্তার ও তার কমপাউন্ডারসহ কয়েকজনের টাকা লোন দেয়ার নামে ব্যাংকের চেক ডিজওনারের ৩টি মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ ঘটনায় হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনোরেটিস বাংলাদেশ চ্যাপ্টার, লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, ভুক্তভোগি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার শংকর চৌধুরীর কন্যা সন্তানদের ডা. সন্তোষ সরদার ২০১২ সালে শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে তার সঙ্গে শংকর চৌধুরীর পরিচয়। এরপর ধীরে ধীর তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। ডা. সন্তোষ সরদারের বাড়ি ভোলা জেলার লালমোহন এলাকায়। সেই পরিচয়ের সুবাদে শংকর চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে তনি যোগাযোগ করতেন। আর শংকর চৌধুরী অর্থিক অনটনের কারণে বা বিপদে আপদে তিনি অনেক সাহায্য সহযোগিত করতেন। মাঝে মধ্যেই তিনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে তাকে দেওয়া হতো। আবার তার সমস্যার কারণে টাকা ধার দিতেন। এসব মোট তিনি শংকর চৌধুরীর কাছে ৮ লাখ টাকা পাওনাদার হন। এই টাকার জন্য তিনি প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা সুদ হিসাবে ধার্য্য ছিল। এই টাকার সিকিউরিটি হিসাবে শংকর চৌধুরীর কাছ থেকে ৩টি চেকের পাতা স্বাক্ষরযুক্ত নেন ডাক্তার সন্তোষ সরদার। উক্ত টাকা দিতে না পারায় তার ব্যাংক হিসান মাঝে মধ্যেই ডাক্তার সন্তোষ ব্যবহার করতেন। একপর্যায়ে শংকরের ব্যাংক হিসাবে বড় অংকের টাকা আনতে চাইলে তিনি অসম্মতি জানান। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে শংকরের কাছে পাওয়া টাকা দাবি করেন। পরে তাকে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। আর সুদের টাকা পরিশোধ করলে চেকের পাতা ফেরত দেওয়ার কথা জানান। এতে শংকর ভীত হয়ে গত ১৬ মার্চ খুলনা সদর থানায় ডিজি করেন তিনি। এরপর থেকেই তার নামে ডা. সন্তোষ ও তার লোকজন একের পর এক মামলা দিতে থাকেন। মামলাগুলো হচ্ছে, সিআর মামলা নং ৫৮/২০১৯, লালমোহন। সিআর মামলা নং- ৭৫/২০১৯ এই মামলার বাদি জিয়াউর রহমান। আবার সিআর মামলা নম্বর-৭৪/২০১৯, মামলার বাদি প্রদীপ হালদার। এসব মামলায় প্রদীপ হালদার, একেএম ফকরুল আলম, মো. মনিরুজ্জামান বাদি হয়েছেন। এদের কাউকে আসামি শংকর চৌধুরী চেনেন না। তারা সবাই ডা. সন্তোষ সরকারের পরিচিত বলে ভুক্তভোগিরা দাবি করেন।
পরে সেই মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকেন। এসব মামলার কারণে তার আয়রোজগার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে তার পরিবারের খোরপোষ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। একপর্যায়ে তার ভাইদের সহযোগিতা ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যাংকের জমা দেওয়ায় তিনি জেলহাজত থেকে মুক্তি পান। উক্ত মামলাগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সেই মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। ভুক্তভোগির পরিবার প্রকৃত ঘটনাটি সঠিক তদন্তপূর্বক তাকে জামিন দিয়ে ন্যায় বিচারের দাবি করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ জুলাই, ২০২৫, 6:44 PM
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার শংকর চৌধুরীর নামে একজন ডাক্তার ও তার কমপাউন্ডারসহ কয়েকজনের টাকা লোন দেয়ার নামে ব্যাংকের চেক ডিজওনারের ৩টি মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ ঘটনায় হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনোরেটিস বাংলাদেশ চ্যাপ্টার, লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, ভুক্তভোগি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার শংকর চৌধুরীর কন্যা সন্তানদের ডা. সন্তোষ সরদার ২০১২ সালে শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে তার সঙ্গে শংকর চৌধুরীর পরিচয়। এরপর ধীরে ধীর তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। ডা. সন্তোষ সরদারের বাড়ি ভোলা জেলার লালমোহন এলাকায়। সেই পরিচয়ের সুবাদে শংকর চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে তনি যোগাযোগ করতেন। আর শংকর চৌধুরী অর্থিক অনটনের কারণে বা বিপদে আপদে তিনি অনেক সাহায্য সহযোগিত করতেন। মাঝে মধ্যেই তিনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে তাকে দেওয়া হতো। আবার তার সমস্যার কারণে টাকা ধার দিতেন। এসব মোট তিনি শংকর চৌধুরীর কাছে ৮ লাখ টাকা পাওনাদার হন। এই টাকার জন্য তিনি প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা সুদ হিসাবে ধার্য্য ছিল। এই টাকার সিকিউরিটি হিসাবে শংকর চৌধুরীর কাছ থেকে ৩টি চেকের পাতা স্বাক্ষরযুক্ত নেন ডাক্তার সন্তোষ সরদার। উক্ত টাকা দিতে না পারায় তার ব্যাংক হিসান মাঝে মধ্যেই ডাক্তার সন্তোষ ব্যবহার করতেন। একপর্যায়ে শংকরের ব্যাংক হিসাবে বড় অংকের টাকা আনতে চাইলে তিনি অসম্মতি জানান। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে শংকরের কাছে পাওয়া টাকা দাবি করেন। পরে তাকে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। আর সুদের টাকা পরিশোধ করলে চেকের পাতা ফেরত দেওয়ার কথা জানান। এতে শংকর ভীত হয়ে গত ১৬ মার্চ খুলনা সদর থানায় ডিজি করেন তিনি। এরপর থেকেই তার নামে ডা. সন্তোষ ও তার লোকজন একের পর এক মামলা দিতে থাকেন। মামলাগুলো হচ্ছে, সিআর মামলা নং ৫৮/২০১৯, লালমোহন। সিআর মামলা নং- ৭৫/২০১৯ এই মামলার বাদি জিয়াউর রহমান। আবার সিআর মামলা নম্বর-৭৪/২০১৯, মামলার বাদি প্রদীপ হালদার। এসব মামলায় প্রদীপ হালদার, একেএম ফকরুল আলম, মো. মনিরুজ্জামান বাদি হয়েছেন। এদের কাউকে আসামি শংকর চৌধুরী চেনেন না। তারা সবাই ডা. সন্তোষ সরকারের পরিচিত বলে ভুক্তভোগিরা দাবি করেন।
পরে সেই মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকেন। এসব মামলার কারণে তার আয়রোজগার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে তার পরিবারের খোরপোষ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। একপর্যায়ে তার ভাইদের সহযোগিতা ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যাংকের জমা দেওয়ায় তিনি জেলহাজত থেকে মুক্তি পান। উক্ত মামলাগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সেই মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। ভুক্তভোগির পরিবার প্রকৃত ঘটনাটি সঠিক তদন্তপূর্বক তাকে জামিন দিয়ে ন্যায় বিচারের দাবি করেছেন।