CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান

#
news image

রাজধানীতে বসবাসরত কিশোরগঞ্জ জেলার সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, আমার পৈতিক নির্বাস কিশোরগঞ্জে। তাই বার বার আপনাদের যেকোনো অনুষ্ঠানে আমি ছুটে আসি। আমি বিশ্বাস করি আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে রাষ্ট্র সংস্কার ও সমাজে পরিবর্তন আসবে। এরআগে ঢাকায় বসবাসরত কিশোরগঞ্জ জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে বন্ডিং তৈরি করতে হবে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর পল্টনস্থ ফারস হোটেল এণ্ড রেস্টুরেন্টে ঢাকাস্থ কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত ‘নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানে সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল আলম, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোল্লা জালাল, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতির মহাসচিব উদয় হাকিম, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা'র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ,

 জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জি এম মজিবুর রহমান ভুঁইয়া সবুজ।

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, সাংবাদিকেরা জাতির আয়না স্বরূপ, তারা জাতিকে যাহা দেখাবে তাহাই জাতি গ্রহণ করবে। দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখা ও সঠিকপথ দেখানো একজন প্রফেশনাল সাংবাদিকের দায়িত্ব ও কতৃব্য। এ সময় কিশোরগঞ্জের সাংবাদিকদের কল্যানে সবসময় পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করতে হবে। এতে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত কর্মশালা, সেমিনার, বা আড্ডা আয়োজনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা আদান-প্রদান করতে পারবে। এছাড়াও, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ তৈরি করে নিয়মিত আলোচনা ও প্রশ্ন-উত্তর পর্বের আয়োজন করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন অনুসন্ধানী বা বিশেষ প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে দলবদ্ধভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। এতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়া বাড়বে। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এতে তারা নির্ভয়ে কাজ করতে পারবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিশ্বাস বাড়বে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করা সম্ভব, যা তাদের পেশাগত জীবনে উন্নতি ঘটাবে এবং সমাজের উন্নয়নেও সহায়তা করবে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেছেন, নিজের জন্মভূমিকে সবসময় প্রধান্য দেওয়া উচিত। জন্মভূমি প্রতিটি মানুষের কাছে সবচেয়ে আপন এবং প্রিয় স্থান। এটি আমাদের শিকড়, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিচয়ের অংশ। জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং কর্তব্যবোধ থাকা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জের সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত। আমরা যারা নিজের যোগ্যতায় আজকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি,তারা প্রত্যেকেই যেন নিজের জেলার প্রতিটি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাড়াই। তিনি আরও বলেন, সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলুন। তিনি বলেন, সংবাদ মাধ্যমকে বলা হয় জাতির বিবেক ও জাতির আয়না। আমাদের অনুরোধ সাদাকে সাদা বলতে হবে আর কালোকে কালো। যদি আমিও কালো হই তাহলে কালোই বলবেন আমাকে ছাড় দেবেন না। তিনি বলেন, যে বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এদেশের ছাত্র-জনতা আন্দোলন করেছে, জীবন দিয়েছে, তাদের আমরা যেন অসম্মানিত না করি। তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই-যে বাংলাদেশে কোন বৈষম্য থাকবে না, ভেদাভেদ থাকবে না। এমন একটি রাষ্ট্র চাই-যে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। দেশের যেসব মানুষের সামর্থ থাকবে না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেবে এই রাষ্ট্র। এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে অফিস, আদালত, কোর্ট, কাচারি-কোথাও ঘুস বাণিজ্য থাকবে না, যেখানে কোন চাঁদাবাজ ও দখলদারিত্ব থাকবে না। আমাদের মা বোনেরা তাদের ইজ্জতের সঙ্গে বসবাস করবে। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই-যে বাংলাদেশে প্রত্যেকটি মানুষ প্রত্যেকটি মানুষকে শ্রদ্ধা করবে।

নতুন সভাপতি এরফানুল হক নাহিদ বলেন, কিশোরগঞ্জের সামগ্রিক উন্নয়নে এই ফোরামের সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। আগামীতে এই কমিটি সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করবে। একইসঙ্গে ঢাকায় আমরা একটি স্থায়ী কার্যালয় করার চিন্তা-ভাবনা করছি। সকলের সহযোগিতা নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই,যোগ করেন তিনি। এ সময় সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কিরণ বলেন, আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকলে অচিরেই কিশোরগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরামের স্থায়ী কার্যালয় হবে। এ জন্য অন্তর থেকে আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন এবং পাশে থাকবেন।

কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এরফানুল হক নাহিদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হামিদ মোহাম্মদ জসিমের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কিরণ। এ সময় বক্তব্যে রাখেন ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন, নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সভাপতি রফিক মোহাম্মদ, জামালপুর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র এম মনিরুল আলম, ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলর সাবেক সভাপতি কে এম শহিদুল হক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি হাফিজুর রহমান হীরা, ঢাকাস্থ ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া রতন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফজলে এলাহী আরিফ, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম সুজন, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সাবেক সভাপতি রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব মন্টু, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সহসভাপতি ও দৈনিক জনতার সিনিয়র রিপোর্টার সফিকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুলাই, ২০২৫,  1:35 PM

news image

রাজধানীতে বসবাসরত কিশোরগঞ্জ জেলার সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, আমার পৈতিক নির্বাস কিশোরগঞ্জে। তাই বার বার আপনাদের যেকোনো অনুষ্ঠানে আমি ছুটে আসি। আমি বিশ্বাস করি আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে রাষ্ট্র সংস্কার ও সমাজে পরিবর্তন আসবে। এরআগে ঢাকায় বসবাসরত কিশোরগঞ্জ জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে বন্ডিং তৈরি করতে হবে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর পল্টনস্থ ফারস হোটেল এণ্ড রেস্টুরেন্টে ঢাকাস্থ কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত ‘নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানে সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল আলম, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোল্লা জালাল, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতির মহাসচিব উদয় হাকিম, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা'র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ,

 জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জি এম মজিবুর রহমান ভুঁইয়া সবুজ।

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, সাংবাদিকেরা জাতির আয়না স্বরূপ, তারা জাতিকে যাহা দেখাবে তাহাই জাতি গ্রহণ করবে। দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখা ও সঠিকপথ দেখানো একজন প্রফেশনাল সাংবাদিকের দায়িত্ব ও কতৃব্য। এ সময় কিশোরগঞ্জের সাংবাদিকদের কল্যানে সবসময় পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করতে হবে। এতে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত কর্মশালা, সেমিনার, বা আড্ডা আয়োজনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা আদান-প্রদান করতে পারবে। এছাড়াও, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ তৈরি করে নিয়মিত আলোচনা ও প্রশ্ন-উত্তর পর্বের আয়োজন করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন অনুসন্ধানী বা বিশেষ প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে দলবদ্ধভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। এতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়া বাড়বে। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এতে তারা নির্ভয়ে কাজ করতে পারবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিশ্বাস বাড়বে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করা সম্ভব, যা তাদের পেশাগত জীবনে উন্নতি ঘটাবে এবং সমাজের উন্নয়নেও সহায়তা করবে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেছেন, নিজের জন্মভূমিকে সবসময় প্রধান্য দেওয়া উচিত। জন্মভূমি প্রতিটি মানুষের কাছে সবচেয়ে আপন এবং প্রিয় স্থান। এটি আমাদের শিকড়, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিচয়ের অংশ। জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং কর্তব্যবোধ থাকা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জের সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত। আমরা যারা নিজের যোগ্যতায় আজকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি,তারা প্রত্যেকেই যেন নিজের জেলার প্রতিটি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাড়াই। তিনি আরও বলেন, সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলুন। তিনি বলেন, সংবাদ মাধ্যমকে বলা হয় জাতির বিবেক ও জাতির আয়না। আমাদের অনুরোধ সাদাকে সাদা বলতে হবে আর কালোকে কালো। যদি আমিও কালো হই তাহলে কালোই বলবেন আমাকে ছাড় দেবেন না। তিনি বলেন, যে বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এদেশের ছাত্র-জনতা আন্দোলন করেছে, জীবন দিয়েছে, তাদের আমরা যেন অসম্মানিত না করি। তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই-যে বাংলাদেশে কোন বৈষম্য থাকবে না, ভেদাভেদ থাকবে না। এমন একটি রাষ্ট্র চাই-যে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। দেশের যেসব মানুষের সামর্থ থাকবে না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেবে এই রাষ্ট্র। এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে অফিস, আদালত, কোর্ট, কাচারি-কোথাও ঘুস বাণিজ্য থাকবে না, যেখানে কোন চাঁদাবাজ ও দখলদারিত্ব থাকবে না। আমাদের মা বোনেরা তাদের ইজ্জতের সঙ্গে বসবাস করবে। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই-যে বাংলাদেশে প্রত্যেকটি মানুষ প্রত্যেকটি মানুষকে শ্রদ্ধা করবে।

নতুন সভাপতি এরফানুল হক নাহিদ বলেন, কিশোরগঞ্জের সামগ্রিক উন্নয়নে এই ফোরামের সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। আগামীতে এই কমিটি সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করবে। একইসঙ্গে ঢাকায় আমরা একটি স্থায়ী কার্যালয় করার চিন্তা-ভাবনা করছি। সকলের সহযোগিতা নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই,যোগ করেন তিনি। এ সময় সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কিরণ বলেন, আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকলে অচিরেই কিশোরগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরামের স্থায়ী কার্যালয় হবে। এ জন্য অন্তর থেকে আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন এবং পাশে থাকবেন।

কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এরফানুল হক নাহিদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হামিদ মোহাম্মদ জসিমের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কিরণ। এ সময় বক্তব্যে রাখেন ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন, নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সভাপতি রফিক মোহাম্মদ, জামালপুর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র এম মনিরুল আলম, ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলর সাবেক সভাপতি কে এম শহিদুল হক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি হাফিজুর রহমান হীরা, ঢাকাস্থ ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া রতন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফজলে এলাহী আরিফ, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম সুজন, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সাবেক সভাপতি রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব মন্টু, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সহসভাপতি ও দৈনিক জনতার সিনিয়র রিপোর্টার সফিকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র