CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৪ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

পানির নিচে রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

#
news image

সিম্বল অব রাঙ্গামাটি খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি কাপ্তাই হ্রদে পানিতে ডুবে যাওয়ায় দর্শনার্থীদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে সেতুটি কোথাও ৬ ইঞ্চি কোথাও তার চেয়ে বেশি পানিতে ডুবে গেছে। যার কারণে সেতুতে দর্শনার্থী প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা।

তিনি জানান, ঝুলন্ত সেতুতে কাপ্তাই হ্রদের পানি প্রবেশ করায় কর্তৃপক্ষের সাঙ্গে কথা বলে আমরা সেতুতে পর্যটকদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। সেতু থেকে পানি না নামা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার পর্যটন এলাকায় পর্যটন কর্পোরেশন ১৯৮৬ সালে নয়নাভিরাম ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন এ সেতুটি দেখতে জলপথ ও স্থলপথ যেকোনো মাধ্যমে সহজে যাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটি সিম্বল অব রাঙ্গামাটি হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে।

১৯৮৬ সালে স্থাপনের পর থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৪-১০৫ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) হলে হ্রদের পানিতে ডুবে যায় পর্যটন কর্পোরেশনের ঝুলন্ত সেতুটি।

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি    

৩০ জুলাই, ২০২৫,  3:41 PM

news image

সিম্বল অব রাঙ্গামাটি খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি কাপ্তাই হ্রদে পানিতে ডুবে যাওয়ায় দর্শনার্থীদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে সেতুটি কোথাও ৬ ইঞ্চি কোথাও তার চেয়ে বেশি পানিতে ডুবে গেছে। যার কারণে সেতুতে দর্শনার্থী প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা।

তিনি জানান, ঝুলন্ত সেতুতে কাপ্তাই হ্রদের পানি প্রবেশ করায় কর্তৃপক্ষের সাঙ্গে কথা বলে আমরা সেতুতে পর্যটকদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। সেতু থেকে পানি না নামা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার পর্যটন এলাকায় পর্যটন কর্পোরেশন ১৯৮৬ সালে নয়নাভিরাম ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন এ সেতুটি দেখতে জলপথ ও স্থলপথ যেকোনো মাধ্যমে সহজে যাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটি সিম্বল অব রাঙ্গামাটি হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে।

১৯৮৬ সালে স্থাপনের পর থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৪-১০৫ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) হলে হ্রদের পানিতে ডুবে যায় পর্যটন কর্পোরেশনের ঝুলন্ত সেতুটি।