CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

পানির নিচে রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

#
news image

সিম্বল অব রাঙ্গামাটি খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি কাপ্তাই হ্রদে পানিতে ডুবে যাওয়ায় দর্শনার্থীদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে সেতুটি কোথাও ৬ ইঞ্চি কোথাও তার চেয়ে বেশি পানিতে ডুবে গেছে। যার কারণে সেতুতে দর্শনার্থী প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা।

তিনি জানান, ঝুলন্ত সেতুতে কাপ্তাই হ্রদের পানি প্রবেশ করায় কর্তৃপক্ষের সাঙ্গে কথা বলে আমরা সেতুতে পর্যটকদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। সেতু থেকে পানি না নামা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার পর্যটন এলাকায় পর্যটন কর্পোরেশন ১৯৮৬ সালে নয়নাভিরাম ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন এ সেতুটি দেখতে জলপথ ও স্থলপথ যেকোনো মাধ্যমে সহজে যাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটি সিম্বল অব রাঙ্গামাটি হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে।

১৯৮৬ সালে স্থাপনের পর থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৪-১০৫ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) হলে হ্রদের পানিতে ডুবে যায় পর্যটন কর্পোরেশনের ঝুলন্ত সেতুটি।

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি    

৩০ জুলাই, ২০২৫,  3:41 PM

news image

সিম্বল অব রাঙ্গামাটি খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি কাপ্তাই হ্রদে পানিতে ডুবে যাওয়ায় দর্শনার্থীদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে সেতুটি কোথাও ৬ ইঞ্চি কোথাও তার চেয়ে বেশি পানিতে ডুবে গেছে। যার কারণে সেতুতে দর্শনার্থী প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা।

তিনি জানান, ঝুলন্ত সেতুতে কাপ্তাই হ্রদের পানি প্রবেশ করায় কর্তৃপক্ষের সাঙ্গে কথা বলে আমরা সেতুতে পর্যটকদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। সেতু থেকে পানি না নামা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার পর্যটন এলাকায় পর্যটন কর্পোরেশন ১৯৮৬ সালে নয়নাভিরাম ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন এ সেতুটি দেখতে জলপথ ও স্থলপথ যেকোনো মাধ্যমে সহজে যাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটি সিম্বল অব রাঙ্গামাটি হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে।

১৯৮৬ সালে স্থাপনের পর থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৪-১০৫ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) হলে হ্রদের পানিতে ডুবে যায় পর্যটন কর্পোরেশনের ঝুলন্ত সেতুটি।