CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

আহমদিয়া সমবায়ের ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক

#
news image

গ্রাহকের আমানত আত্মসাতের অভিযোগে আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।
সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদের মালিকানাধীন কাফরুল থানা এলাকার ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’ নামে ১০ তলা বাণিজ্যিক ভবন ক্রোক করা হয়েছে। ভবনটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

মনির আহমেদ (৫৩) ২০০৫ সালে ‘আহমেদিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি’ নামে ঢাকা জেলা সমবায় সমিতি থেকে নিবন্ধন নেন (নিবন্ধন নম্বর ৬৪৮, তারিখ- ১৭/০৮/২০০৫)।
পরে ২০০৬ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড’ নামে পুনরায় নিবন্ধন নেন (নিবন্ধন নম্বর ৫৮, তারিখ: ২০/০৭/২০০৬)।
প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল— সদস্যদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও শেয়ার আমানত সংগ্রহ করে সদস্যদের ঋণ প্রদান এবং তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন করা। প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য সংখ্যা ছিল ২০ জন, যা ২০১৮ সালের অডিট রিপোর্টে বেড়ে দাঁড়ায় ২১ জনে।
সদস্যদের মাসিক চাঁদা ছিল ২০০০ টাকা করে। আইন অনুযায়ী সমিতির কার্যক্রম শুধু সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও, অভিযুক্ত মনির আহমেদ বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিভিন্ন মেয়াদে আমানত সংগ্রহ শুরু করেন।
মিরপুর, ক্যান্টনমেন্ট, বনানী, মহাখালী, কাফরুলসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ১১শ জনের কাছ থেকে তিনি ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মনির আহমেদ নিজের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ডিএমপির কাফরুল থানায় মামলা দায়ের হয়।
তদন্ত চলাকালে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ইব্রাহিমপুর মৌজায় ৮.৪৭ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’-এর সন্ধান পায়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে গত ১৬ জুলাই মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ ভবনটি ক্রোকের আদেশ দেন।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ আগস্ট, ২০২৫,  6:30 PM

news image

গ্রাহকের আমানত আত্মসাতের অভিযোগে আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।
সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদের মালিকানাধীন কাফরুল থানা এলাকার ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’ নামে ১০ তলা বাণিজ্যিক ভবন ক্রোক করা হয়েছে। ভবনটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

মনির আহমেদ (৫৩) ২০০৫ সালে ‘আহমেদিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি’ নামে ঢাকা জেলা সমবায় সমিতি থেকে নিবন্ধন নেন (নিবন্ধন নম্বর ৬৪৮, তারিখ- ১৭/০৮/২০০৫)।
পরে ২০০৬ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড’ নামে পুনরায় নিবন্ধন নেন (নিবন্ধন নম্বর ৫৮, তারিখ: ২০/০৭/২০০৬)।
প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল— সদস্যদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও শেয়ার আমানত সংগ্রহ করে সদস্যদের ঋণ প্রদান এবং তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন করা। প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য সংখ্যা ছিল ২০ জন, যা ২০১৮ সালের অডিট রিপোর্টে বেড়ে দাঁড়ায় ২১ জনে।
সদস্যদের মাসিক চাঁদা ছিল ২০০০ টাকা করে। আইন অনুযায়ী সমিতির কার্যক্রম শুধু সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও, অভিযুক্ত মনির আহমেদ বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিভিন্ন মেয়াদে আমানত সংগ্রহ শুরু করেন।
মিরপুর, ক্যান্টনমেন্ট, বনানী, মহাখালী, কাফরুলসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ১১শ জনের কাছ থেকে তিনি ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মনির আহমেদ নিজের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ডিএমপির কাফরুল থানায় মামলা দায়ের হয়।
তদন্ত চলাকালে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ইব্রাহিমপুর মৌজায় ৮.৪৭ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’-এর সন্ধান পায়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে গত ১৬ জুলাই মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ ভবনটি ক্রোকের আদেশ দেন।