CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

নওগাঁয় আত্রাই নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকছে পানি

#
news image

নওগাঁর আত্রাই নদীর একটি স্থানে কয়েক সেন্টিমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকতে শুরু করেছে পানি। গতকাল শনিবার সকালে মান্দা উপজেলার কসব ইউনিয়নের তালপাতিলা এলাকায় আত্রাই নদীর এই বেড়িবাঁধটি ভেঙে যায়। এতে তালপাতিলা গ্রামসহ আশপাশের চকবালু, চকরামপুরসহ কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করে। এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন শতাধিক পরিবার।
স্থানীয়রা বলছেন, এই একই স্থান গত বছর বন্যার পানিতে ভেঙে গিয়েছিল। এরপর মাসখানেক আগে বেড়িবাঁধের এই অংশটুকু মেরামত করা হয়। কিন্তু নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারও অংশটি ভেঙে গেছে। 
এদিকে বেড়িবাঁধ ভাঙার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী। তিনি বলেন, নদীতে পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় শুকনো খাবার মজুত ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতের বিষয়েও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী- আত্রাই নদীর পানি মান্দা উপজেলার জোত বাজার পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ও রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও নওগাঁর ছোট যমুনা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় মান্দা উপজেলার চকরামপুর, উত্তর চকরামপুর, কয়লাবাড়ী, জোকাহাট, দ্বারিয়াপুর, নুরুল্লাবাদ, পারনুরুল্লাবাদ ও তালপাতিলা এলাকার অন্তত ১০টি বেড়িবাঁধকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধের লক্ষ্মীরামপুর, আয়াপুর, পাঁজরভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, মিঠাপুর, নিখিরাপাড়া ও গোয়ালমান্দাসহ অন্তত ২০টি পয়েন্টকে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ আগস্ট, ২০২৫,  5:50 PM

news image

নওগাঁর আত্রাই নদীর একটি স্থানে কয়েক সেন্টিমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকতে শুরু করেছে পানি। গতকাল শনিবার সকালে মান্দা উপজেলার কসব ইউনিয়নের তালপাতিলা এলাকায় আত্রাই নদীর এই বেড়িবাঁধটি ভেঙে যায়। এতে তালপাতিলা গ্রামসহ আশপাশের চকবালু, চকরামপুরসহ কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করে। এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন শতাধিক পরিবার।
স্থানীয়রা বলছেন, এই একই স্থান গত বছর বন্যার পানিতে ভেঙে গিয়েছিল। এরপর মাসখানেক আগে বেড়িবাঁধের এই অংশটুকু মেরামত করা হয়। কিন্তু নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারও অংশটি ভেঙে গেছে। 
এদিকে বেড়িবাঁধ ভাঙার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী। তিনি বলেন, নদীতে পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় শুকনো খাবার মজুত ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতের বিষয়েও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী- আত্রাই নদীর পানি মান্দা উপজেলার জোত বাজার পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ও রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও নওগাঁর ছোট যমুনা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় মান্দা উপজেলার চকরামপুর, উত্তর চকরামপুর, কয়লাবাড়ী, জোকাহাট, দ্বারিয়াপুর, নুরুল্লাবাদ, পারনুরুল্লাবাদ ও তালপাতিলা এলাকার অন্তত ১০টি বেড়িবাঁধকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধের লক্ষ্মীরামপুর, আয়াপুর, পাঁজরভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, মিঠাপুর, নিখিরাপাড়া ও গোয়ালমান্দাসহ অন্তত ২০টি পয়েন্টকে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।