CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ধানমন্ডি ৩২ থেকে আটক রিকশাচালকের জামিন 

#
news image

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ থেকে আটক মো. আজিজুর রহমানকে (২৭) জামিন দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
আজ আজিজুর রহমানের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী জামিন আবেদন করেন। পরে এক হাজার টাকা বন্ডে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। শুক্রবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে আটক হন আজিজুর রহমান। পরের দিন তাকে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। ওই দিন আজিজুর বলেন, আমি কোনও দল করি না। শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভালোবাসি, তাই এসেছিলাম।
তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আসিনি। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি, তাই আমার হালাল টাকা দিয়ে কেনা ফুল নিয়ে এসেছি।
আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, মামলার ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী এবং বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার সন্দিগ্ধ আসামি মো. আজিজুর রহমান মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, এই আসামি ধানমন্ডি ৩২ এ সাধারণ জণগণের দ্বারা আটক হওয়ায় সময় ধস্তাধস্তিতে সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হন। মামলা তদন্তের স্বার্থে আসামিকে জেল-হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগ বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৪ আগস্ট ধানমন্ডি থানার নিউমার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব এলাকায় মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন মো. আরিফুল ইসলাম। ঘটনার দিন দুপুর আড়াইটায় আসামিরা গুলি, পেট্রোল বোমা ও হাতবোমা নিক্ষেপ করে। গুলি ভুক্তভোগীর পিঠ দিয়ে ঢুকে গেলে তাৎক্ষণিক পড়ে যান। পরে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে দুই মাস চিকিৎসা শেষ সুস্থ হন। এ ঘটনায় এ বছরের ২ এপ্রিল ধানমন্ডি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী আরিফুল।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ আগস্ট, ২০২৫,  7:07 PM

news image

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ থেকে আটক মো. আজিজুর রহমানকে (২৭) জামিন দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
আজ আজিজুর রহমানের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী জামিন আবেদন করেন। পরে এক হাজার টাকা বন্ডে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। শুক্রবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে আটক হন আজিজুর রহমান। পরের দিন তাকে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। ওই দিন আজিজুর বলেন, আমি কোনও দল করি না। শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভালোবাসি, তাই এসেছিলাম।
তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আসিনি। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি, তাই আমার হালাল টাকা দিয়ে কেনা ফুল নিয়ে এসেছি।
আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, মামলার ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী এবং বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার সন্দিগ্ধ আসামি মো. আজিজুর রহমান মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, এই আসামি ধানমন্ডি ৩২ এ সাধারণ জণগণের দ্বারা আটক হওয়ায় সময় ধস্তাধস্তিতে সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হন। মামলা তদন্তের স্বার্থে আসামিকে জেল-হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগ বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৪ আগস্ট ধানমন্ডি থানার নিউমার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব এলাকায় মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন মো. আরিফুল ইসলাম। ঘটনার দিন দুপুর আড়াইটায় আসামিরা গুলি, পেট্রোল বোমা ও হাতবোমা নিক্ষেপ করে। গুলি ভুক্তভোগীর পিঠ দিয়ে ঢুকে গেলে তাৎক্ষণিক পড়ে যান। পরে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে দুই মাস চিকিৎসা শেষ সুস্থ হন। এ ঘটনায় এ বছরের ২ এপ্রিল ধানমন্ডি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী আরিফুল।