নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ আগস্ট, ২০২৫, 12:01 PM
ঢাকা : দীর্ঘ ১৮ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া ৩২৮ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহারের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তাদের চাকরির সকল সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) এই বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ছিল অসাংবিধানিক এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। আদালতের মতে, একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সরকারের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।
ফখরুদ্দিন সরকারের সময় ২০০৭ সালে দেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচন অফিসে কর্মরত ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। অভিযোগ ছিল, তারা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করেছেন। তবে দীর্ঘ সময়েও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা সেই সময় থেকেই আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন।
রায়ে বলা হয়েছে, ওই বরখাস্ত আদেশে কোনো নিয়ম মানা হয়নি এবং বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক প্রভাবিত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। এখন যারা জীবিত আছেন, তাদের চাকরিতে পুনর্বহারের পাশাপাশি বকেয়া বেতন-ভাতা, পেনশনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের পরিবারবর্গকে ওই সব সুবিধা পরিশোধ করতে হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ আগস্ট, ২০২৫, 12:01 PM
ঢাকা : দীর্ঘ ১৮ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া ৩২৮ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহারের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তাদের চাকরির সকল সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) এই বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ছিল অসাংবিধানিক এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। আদালতের মতে, একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সরকারের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।
ফখরুদ্দিন সরকারের সময় ২০০৭ সালে দেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচন অফিসে কর্মরত ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। অভিযোগ ছিল, তারা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করেছেন। তবে দীর্ঘ সময়েও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা সেই সময় থেকেই আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন।
রায়ে বলা হয়েছে, ওই বরখাস্ত আদেশে কোনো নিয়ম মানা হয়নি এবং বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক প্রভাবিত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। এখন যারা জীবিত আছেন, তাদের চাকরিতে পুনর্বহারের পাশাপাশি বকেয়া বেতন-ভাতা, পেনশনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের পরিবারবর্গকে ওই সব সুবিধা পরিশোধ করতে হবে।