CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ভোলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি আরিফ কে কুপিয়ে হত্যা

#
news image

ভোলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোরে ভোলা শহরের কালীবাড়ি রোডের নবী মসজিদ সড়কের নিজ বাসার সামনে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত আরিফ ভোলা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটির সদস্যরা গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা আটক নেই। পুলিশের ধারণা, পূর্বের কোনো বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা করেছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।
নিহতের বাবা বশীর উদ্দিন বলেন, “ফজরের নামাজের জন্য বাসার গেট খুলে বাইরে বেরোতেই আরিফের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। ওর গায়ে রক্তমাখা কোপের দাগ ছিল। ডাক-চিৎকারে পরিবার ও স্থানীয়রা ছুটে আসে। আমি চাই, আমার ছেলের হত্যার বিচার হোক।”
ভোলা সদর থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানান, “পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভোলা প্রতিনিধি

৩০ আগস্ট, ২০২৫,  5:44 PM

news image

ভোলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোরে ভোলা শহরের কালীবাড়ি রোডের নবী মসজিদ সড়কের নিজ বাসার সামনে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত আরিফ ভোলা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটির সদস্যরা গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা আটক নেই। পুলিশের ধারণা, পূর্বের কোনো বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা করেছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।
নিহতের বাবা বশীর উদ্দিন বলেন, “ফজরের নামাজের জন্য বাসার গেট খুলে বাইরে বেরোতেই আরিফের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। ওর গায়ে রক্তমাখা কোপের দাগ ছিল। ডাক-চিৎকারে পরিবার ও স্থানীয়রা ছুটে আসে। আমি চাই, আমার ছেলের হত্যার বিচার হোক।”
ভোলা সদর থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানান, “পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।