ইউসুফ আলী বাচ্চু
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 4:28 PM
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ‘আরইউটিডিপি’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মঞ্জুর আলীর বিরুদ্ধে টেন্ডার ও পিডি নিয়োগসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতিসহ প্রকল্পে হরিলুটের অভিযোগ।
জানা গেছে, টেন্ডারবিহীন রুটিন দায়িত্বের প্রধান প্রকৌশলী গোরাকৃষ্ণ দেবনাশের সময়ে দুই ভবনে ঢোকার ইন আউট এক্সিট মেশিন নিজস্ব ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্রয় করেছেন। আর প্রকল্পের কনসালটেন্ট নিয়োগে জন প্রতি ৪ লাখ করে উৎকোচ নিয়ে সহকারী প্রকোশলী উপ-সহকারী প্রকোশলী ও সোসিওলজিস্ট নিয়োগ দেন। উক্ত প্রকল্পে ‘এল কে এস এস’ এর মাধ্যমে প্রায় ৪টি বিভাগে জনবল নিয়োগে জন প্রতি ৩ থেকে ৪ লাখ করে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি অফিস সহকারি, হিসাব সহকারী, অফিস সহায়ক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী এবং সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়ার প্রচেষ্টা করা হয়।
সূত্র জানায়, গত শুক্রবার ও শনিবার প্রায় ৫ শতাধিক ব্যক্তির মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। যাদের মৌখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, তাদের নাম আগেই সিলেক্ট করা হয়েছে। এই কাজের জন্য মোটা অংকের অর্থ স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক মো. মঞ্জুর আরীর আপন ভাই সহকারি প্রকৌশলী মো. রাজু নিয়েছেন। মো. মঞ্জুর আলী আগামি নভেম্বর মাসের ১০ তারিখে এল পি আর এ যাবেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। আর সে জন্যই তড়িঘড়ি করে ২০০ কোটি টাকার গাড়ি ক্রয়ের একটি দরপত্র আহবান করেছেন। শুধু তাই নয়, এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় তিনি নিজের লোক কে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করভেন।
অপর এক সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরে কর্মরত তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর আলী ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ এর বিরুদ্ধে স্বৈরাচারি সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের কয়েকদিন পর থেকে বদলী বাণিজ্য, এলজিইডির বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে স্বৈরশাসক আমলে নিয়োগ পাওয়া
প্রভাবশালী প্রকল্প পরিচালক স্বপদে বহাল রাখতে নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। ২০২৪ সালের আগষ্ট মাসে প্রভাব খাটিয়ে প্রায় শতাধিক উপ-সহকারী প্রকৌশলী, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীদের বদলী করানো হয়েছে। ফলে প্রকৌশলীদের মধ্যে এখনো সেই আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মঞ্জুর আলী এর আগে সরকারের নিয়ম অমান্য করে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ব্যবহার করা গাড়ী নং- ১৩-৬১১০ দখল করে ব্যবহার করছেন। একই সাথে অর্থের বিনিময়ে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ১৭টি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে তৎপর হন। শুধু তাই নয়, তিনি তার ভাই উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাজু ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ এর ড্রাইভার মো. জিয়া ‘এলজিইডি জিয়া কর্মচারী পরিষদ’ এর ব্যানারে বিভিন্ন দাবী দাওয়া তুলে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিকট থেকে বদলী বাণিজ্যের নামে অনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ফ্যাস্টিস সরকারের সময়ে অর্থ ও তদবীর বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালক হওয়া বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের স্বপদে বহাল রাখতে অনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। আর এসব প্রকল্প পরিচালকদের মধ্যে ‘বিডিআইআরডব্লিউএসপি. বিজেপি, ও আইবিআরপি’এর সব প্রকল্প পরিচালক মো. আদনান আকতারুল আলম, এর প্রকল্প পরিচালক শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ‘সিএএফডিআরআইপি’ এর প্রকল্প পরিচালক মো. রফিকুল আলম, আইইউজিআইপি এর প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল বারেক ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম ভিত্তিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আমিনুর রশিদ চৌধুরীসহ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আস্তাভাজন দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয়ের নামে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়াও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলজিইডির একাধিক প্রকৌশলী জানান, এলজিইডির তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর আলী ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ অনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বদলী, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, অবৈধভাবে গাড়ী ব্যবহার ও স্বৈরশাসক আমলে নিয়োগ পাওয়া প্রকল্প পরিচালক এবং নির্বাহী প্রকৌশলীদের রক্ষার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে সহকারি প্রকৌশলী মো. রাজু এর সেল ফোনে কল করা হলেও অপর প্রাপ্ত থেকে একজন নারী রিসিভ করে নম্বরটি রং বলে কেটে দেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও আরইউটিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মঞ্জুর আলীর সেল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেননি। পরে তার হোটসআপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করা হলেও তিনি তার উত্তর দেননি।
ইউসুফ আলী বাচ্চু
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 4:28 PM
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ‘আরইউটিডিপি’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মঞ্জুর আলীর বিরুদ্ধে টেন্ডার ও পিডি নিয়োগসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতিসহ প্রকল্পে হরিলুটের অভিযোগ।
জানা গেছে, টেন্ডারবিহীন রুটিন দায়িত্বের প্রধান প্রকৌশলী গোরাকৃষ্ণ দেবনাশের সময়ে দুই ভবনে ঢোকার ইন আউট এক্সিট মেশিন নিজস্ব ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্রয় করেছেন। আর প্রকল্পের কনসালটেন্ট নিয়োগে জন প্রতি ৪ লাখ করে উৎকোচ নিয়ে সহকারী প্রকোশলী উপ-সহকারী প্রকোশলী ও সোসিওলজিস্ট নিয়োগ দেন। উক্ত প্রকল্পে ‘এল কে এস এস’ এর মাধ্যমে প্রায় ৪টি বিভাগে জনবল নিয়োগে জন প্রতি ৩ থেকে ৪ লাখ করে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি অফিস সহকারি, হিসাব সহকারী, অফিস সহায়ক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী এবং সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়ার প্রচেষ্টা করা হয়।
সূত্র জানায়, গত শুক্রবার ও শনিবার প্রায় ৫ শতাধিক ব্যক্তির মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। যাদের মৌখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, তাদের নাম আগেই সিলেক্ট করা হয়েছে। এই কাজের জন্য মোটা অংকের অর্থ স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক মো. মঞ্জুর আরীর আপন ভাই সহকারি প্রকৌশলী মো. রাজু নিয়েছেন। মো. মঞ্জুর আলী আগামি নভেম্বর মাসের ১০ তারিখে এল পি আর এ যাবেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। আর সে জন্যই তড়িঘড়ি করে ২০০ কোটি টাকার গাড়ি ক্রয়ের একটি দরপত্র আহবান করেছেন। শুধু তাই নয়, এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় তিনি নিজের লোক কে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করভেন।
অপর এক সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরে কর্মরত তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর আলী ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ এর বিরুদ্ধে স্বৈরাচারি সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের কয়েকদিন পর থেকে বদলী বাণিজ্য, এলজিইডির বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে স্বৈরশাসক আমলে নিয়োগ পাওয়া
প্রভাবশালী প্রকল্প পরিচালক স্বপদে বহাল রাখতে নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। ২০২৪ সালের আগষ্ট মাসে প্রভাব খাটিয়ে প্রায় শতাধিক উপ-সহকারী প্রকৌশলী, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীদের বদলী করানো হয়েছে। ফলে প্রকৌশলীদের মধ্যে এখনো সেই আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মঞ্জুর আলী এর আগে সরকারের নিয়ম অমান্য করে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ব্যবহার করা গাড়ী নং- ১৩-৬১১০ দখল করে ব্যবহার করছেন। একই সাথে অর্থের বিনিময়ে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ১৭টি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে তৎপর হন। শুধু তাই নয়, তিনি তার ভাই উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাজু ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ এর ড্রাইভার মো. জিয়া ‘এলজিইডি জিয়া কর্মচারী পরিষদ’ এর ব্যানারে বিভিন্ন দাবী দাওয়া তুলে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিকট থেকে বদলী বাণিজ্যের নামে অনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ফ্যাস্টিস সরকারের সময়ে অর্থ ও তদবীর বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালক হওয়া বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের স্বপদে বহাল রাখতে অনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। আর এসব প্রকল্প পরিচালকদের মধ্যে ‘বিডিআইআরডব্লিউএসপি. বিজেপি, ও আইবিআরপি’এর সব প্রকল্প পরিচালক মো. আদনান আকতারুল আলম, এর প্রকল্প পরিচালক শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ‘সিএএফডিআরআইপি’ এর প্রকল্প পরিচালক মো. রফিকুল আলম, আইইউজিআইপি এর প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল বারেক ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম ভিত্তিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আমিনুর রশিদ চৌধুরীসহ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আস্তাভাজন দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয়ের নামে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়াও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলজিইডির একাধিক প্রকৌশলী জানান, এলজিইডির তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর আলী ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ অনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বদলী, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, অবৈধভাবে গাড়ী ব্যবহার ও স্বৈরশাসক আমলে নিয়োগ পাওয়া প্রকল্প পরিচালক এবং নির্বাহী প্রকৌশলীদের রক্ষার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে সহকারি প্রকৌশলী মো. রাজু এর সেল ফোনে কল করা হলেও অপর প্রাপ্ত থেকে একজন নারী রিসিভ করে নম্বরটি রং বলে কেটে দেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও আরইউটিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মঞ্জুর আলীর সেল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেননি। পরে তার হোটসআপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করা হলেও তিনি তার উত্তর দেননি।