CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

সাবেক সচিব শফিকুল ইসলাম কারাগারে

#
news image

রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার সাবেক সচিব ভুঁইয়া মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা  ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে আসামির জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, আসামি ভূঁইয়া মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার পরামর্শ ও সহযোগিতায় ‘মঞ্চ ৭১’ নামে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। এছাড়া  আসামি এই মামলার এজাহারভুক্ত আরেক আসামি লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যান্য আসামির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে গোপন বৈঠক ও যোগাযোগ করেছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটি তদন্তাধীন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে রাষ্ট্র তথা সরকারের বিরুদ্ধে পুনরায় যড়যন্ত্রে লিপ্ত হবেন এবং মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটাবেন। এমতাবস্থায় মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই না হওয়ায় পর্যন্ত, তাকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। প্রকাশ থাকে যে, মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী সময়ে ব্যাপক ও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে পাওয়ার আবেদন করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আনন্দলোক ইকো রিসোর্ট থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২৮ আগস্টে সকাল ১১টার দিকে মামলার বাদী দেখতে পান, বেশকিছু লোক রিপোর্টার্স ইউনিটির অডিটোরিয়ামে কিছু লোককে ঘেরাও করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বলে স্লোগান দিচ্ছেন এবং সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বক্তব্য দিচ্ছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ আগস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল— জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২৮ আগস্ট সকাল ১০টায় একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে তারা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ গোলটেবিল বৈঠকে গ্রেফতার হওয়া আসামিরাসহ আরও ৭০/৮০ জন অংশগ্রহণ করেনি। পরে পুলিশ আসামিদের হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার এসআই আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।

ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম ২০১৩ সালে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ছিলেন। পরে ২০১৫ সালে তাকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  5:45 PM

news image

রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার সাবেক সচিব ভুঁইয়া মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা  ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে আসামির জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, আসামি ভূঁইয়া মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার পরামর্শ ও সহযোগিতায় ‘মঞ্চ ৭১’ নামে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। এছাড়া  আসামি এই মামলার এজাহারভুক্ত আরেক আসামি লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যান্য আসামির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে গোপন বৈঠক ও যোগাযোগ করেছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটি তদন্তাধীন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে রাষ্ট্র তথা সরকারের বিরুদ্ধে পুনরায় যড়যন্ত্রে লিপ্ত হবেন এবং মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটাবেন। এমতাবস্থায় মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই না হওয়ায় পর্যন্ত, তাকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। প্রকাশ থাকে যে, মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী সময়ে ব্যাপক ও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে পাওয়ার আবেদন করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আনন্দলোক ইকো রিসোর্ট থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২৮ আগস্টে সকাল ১১টার দিকে মামলার বাদী দেখতে পান, বেশকিছু লোক রিপোর্টার্স ইউনিটির অডিটোরিয়ামে কিছু লোককে ঘেরাও করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বলে স্লোগান দিচ্ছেন এবং সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বক্তব্য দিচ্ছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ আগস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল— জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২৮ আগস্ট সকাল ১০টায় একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে তারা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ গোলটেবিল বৈঠকে গ্রেফতার হওয়া আসামিরাসহ আরও ৭০/৮০ জন অংশগ্রহণ করেনি। পরে পুলিশ আসামিদের হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার এসআই আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।

ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম ২০১৩ সালে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ছিলেন। পরে ২০১৫ সালে তাকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব করা হয়।