CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ডাকসুতে জিতলেই জাতীয় রাজনীতিতে বিরাট কিছু করবে তা নয়: মান্না

#
news image

জাতীয় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমি দুবার ডাকসুর ভিপি হয়েছি। খুব পপুলার ছিলাম ছাত্রদের মধ্যে। কিন্তু আমার পলিটিক্যাল পার্টি হয়নি, ক্ষমতায় যাইনি। আমার পার্টি ক্ষমতায় যেতে পারেনি। ডাকসুতে জিতলেই যে তারা জাতীয় রাজনীতিতে বিরাট কিছু করে ফেলবে সে রকম নয়।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ: সংস্কার বাস্তবায়নের পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মান্না বলেন, আমি দেখছি গুপ্ত রাজনীতি করে তারা (শিবির) সংগঠিত থেকেছে। তারা আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢুকেছে, ছাত্রলীগের মধ্যে ঢুকেছে, গালাগালি করছে, মামলা করছে, কিন্তু তারা মনে করছে এভাবেই বেঁচে থেকে লড়াই করবো। কারণ ওইখানে থাকার পরে ফিরে আবার তার জায়গায় এসেছে এবং নির্বাচন করে জিতেছে। রাজনীতি একটা কঠিন সংগ্রামের বিষয়। রাজনীতি একটা বুদ্ধিবৃত্তির লড়াই। একেবারে হালকাভাবে নেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এই দেশে যে একটা ভালো ভোট হতে পারে, শেষ পর্যন্ত ভোট শেষ হতে পারে এমন ধারণাই মানুষ করতে পারেনি। পরিস্থিতি তো এরকম দাঁড়িয়েছিল, মানুষই আমাদের কাছে বলছিল, শেখ হাসিনাকে কেউ সরাতে পারবে না। সেই শেখ হাসিনাই চলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, একটা ভালো ভোট করার জন্য আমরা সবগুলো পার্টি মিলে চর্চা করছি। এখনও মানুষ আমাদের জিজ্ঞেস করে ভোট কি হবে? ভালো ভোট করার জন্য যে সংস্কার তার জন্য ঐকমত্য কমিশন আগামীকাল আবারও বসবে।

জামায়াত-শিবিরকে ইঙ্গিত করে মান্না বলেন, ভেবে দেখেন, আজ থেকে ৩০-৫০ বছর আগে একটা রাজনৈতিক দল মাথা তুলার মতো সাহস পেতো না। তারা এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে আসছে এবং আমাদের চাইতে বড় যারা তাদের চ্যালেঞ্জ করছে।

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– ভাষানী জনশক্তি পার্টির মুখপাত্র আবদুল কাদির, মহাসচিব আবু ইউসুফ সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আকবর খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট সিরাজ মিয়া, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মিডিয়া ও প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  7:13 PM

news image

জাতীয় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমি দুবার ডাকসুর ভিপি হয়েছি। খুব পপুলার ছিলাম ছাত্রদের মধ্যে। কিন্তু আমার পলিটিক্যাল পার্টি হয়নি, ক্ষমতায় যাইনি। আমার পার্টি ক্ষমতায় যেতে পারেনি। ডাকসুতে জিতলেই যে তারা জাতীয় রাজনীতিতে বিরাট কিছু করে ফেলবে সে রকম নয়।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ: সংস্কার বাস্তবায়নের পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মান্না বলেন, আমি দেখছি গুপ্ত রাজনীতি করে তারা (শিবির) সংগঠিত থেকেছে। তারা আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢুকেছে, ছাত্রলীগের মধ্যে ঢুকেছে, গালাগালি করছে, মামলা করছে, কিন্তু তারা মনে করছে এভাবেই বেঁচে থেকে লড়াই করবো। কারণ ওইখানে থাকার পরে ফিরে আবার তার জায়গায় এসেছে এবং নির্বাচন করে জিতেছে। রাজনীতি একটা কঠিন সংগ্রামের বিষয়। রাজনীতি একটা বুদ্ধিবৃত্তির লড়াই। একেবারে হালকাভাবে নেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এই দেশে যে একটা ভালো ভোট হতে পারে, শেষ পর্যন্ত ভোট শেষ হতে পারে এমন ধারণাই মানুষ করতে পারেনি। পরিস্থিতি তো এরকম দাঁড়িয়েছিল, মানুষই আমাদের কাছে বলছিল, শেখ হাসিনাকে কেউ সরাতে পারবে না। সেই শেখ হাসিনাই চলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, একটা ভালো ভোট করার জন্য আমরা সবগুলো পার্টি মিলে চর্চা করছি। এখনও মানুষ আমাদের জিজ্ঞেস করে ভোট কি হবে? ভালো ভোট করার জন্য যে সংস্কার তার জন্য ঐকমত্য কমিশন আগামীকাল আবারও বসবে।

জামায়াত-শিবিরকে ইঙ্গিত করে মান্না বলেন, ভেবে দেখেন, আজ থেকে ৩০-৫০ বছর আগে একটা রাজনৈতিক দল মাথা তুলার মতো সাহস পেতো না। তারা এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে আসছে এবং আমাদের চাইতে বড় যারা তাদের চ্যালেঞ্জ করছে।

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– ভাষানী জনশক্তি পার্টির মুখপাত্র আবদুল কাদির, মহাসচিব আবু ইউসুফ সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আকবর খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট সিরাজ মিয়া, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মিডিয়া ও প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান প্রমুখ।