CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

রাজাপুরে কৃষি কর্মকর্তাদের অনিয়মিত উপস্থিতি,ভোগান্তিতে কৃষকরা

#
news image

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের অনিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাঃ শাহিদা শারমিন আফরোজ ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মেহেরুণ নেচ্ছা পাপড়ি সকাল ১১টার আগে অফিসে আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার দুপুরের পরেই অনেকটা সময় বাকি থাকলেও বাসায় চলে যান তারা। বিষয়টি গত দুই সপ্তাহ সরেজমিনে তদন্ত করলে এর সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা নিতে অফিসে আসা কৃষকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, অফিসে কোনো কর্মসূচি, কৃষক প্রশিক্ষণ কিংবা বিশেষ অনুষ্ঠান থাকলেই তারা সকাল ১০টার আগে আসেন। তবে সাধারণ দিনে তাদের দেরিতে আসা এবং আগেভাগে চলে যাওয়া নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কৃষকদের সেবা কার্য অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ নিয়মিত অফিসে না বসায় তাদের বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। অধিকাংশ সময় অফিসের কর্মচারীরা বলেন, ‘স্যার ফিল্ডে আছেন।’ কিন্তু বাস্তবে কর্মকর্তারা অফিসেই থাকেন না। 

রাজাপুরের কৃষক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা মাঠে সারাদিন পরিশ্রম করি। সমস্যা হলে অফিসে আসি, কিন্তু কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় ণঅ। এতে আমরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

অন্য কৃষক মো. মনির হাওলাদার জানান, “বীজ সার কিংবা রোগবালাইয়ের বিষয়ে জানতে গেলে দেখা যায় অফিস খালি। এতে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে।”

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মেহেরুণ নেচ্ছা পাপড়ি অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতির বিষয় অস্বীকার করে জানান, “আমার কাজ অফিসে নয় যে ৯টা থেকে ৫টা অফিসে বসে থাকবো। আমাকে সব সময় মাঠে থাকতে হয়। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিদা শারমিন আফরোজ অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতির বিষয় অস্বীকার করে জানান, “আমি অফিস প্রধান আমাকে অনেক সব দিকে নজর রাখতে হয়। তাছাড়া আমাকে বেশির ভাগ সময় মাঠে থাকতে হয়। তবে নিয়ম মেনে সব সময় ৯টা থেকে ৫টা অফিসে থাকা হয় না। 

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন,“বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সচেতন মহলের মতে, কৃষি কর্মকর্তরা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকলে কৃষকরা যথাসময়ে দিকনির্দেশনা পেতেন। তাই দ্রæত সেবার স্বার্থে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধিঃ

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  4:49 PM

news image

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের অনিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাঃ শাহিদা শারমিন আফরোজ ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মেহেরুণ নেচ্ছা পাপড়ি সকাল ১১টার আগে অফিসে আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার দুপুরের পরেই অনেকটা সময় বাকি থাকলেও বাসায় চলে যান তারা। বিষয়টি গত দুই সপ্তাহ সরেজমিনে তদন্ত করলে এর সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা নিতে অফিসে আসা কৃষকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, অফিসে কোনো কর্মসূচি, কৃষক প্রশিক্ষণ কিংবা বিশেষ অনুষ্ঠান থাকলেই তারা সকাল ১০টার আগে আসেন। তবে সাধারণ দিনে তাদের দেরিতে আসা এবং আগেভাগে চলে যাওয়া নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কৃষকদের সেবা কার্য অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ নিয়মিত অফিসে না বসায় তাদের বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। অধিকাংশ সময় অফিসের কর্মচারীরা বলেন, ‘স্যার ফিল্ডে আছেন।’ কিন্তু বাস্তবে কর্মকর্তারা অফিসেই থাকেন না। 

রাজাপুরের কৃষক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা মাঠে সারাদিন পরিশ্রম করি। সমস্যা হলে অফিসে আসি, কিন্তু কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় ণঅ। এতে আমরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

অন্য কৃষক মো. মনির হাওলাদার জানান, “বীজ সার কিংবা রোগবালাইয়ের বিষয়ে জানতে গেলে দেখা যায় অফিস খালি। এতে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে।”

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মেহেরুণ নেচ্ছা পাপড়ি অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতির বিষয় অস্বীকার করে জানান, “আমার কাজ অফিসে নয় যে ৯টা থেকে ৫টা অফিসে বসে থাকবো। আমাকে সব সময় মাঠে থাকতে হয়। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিদা শারমিন আফরোজ অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতির বিষয় অস্বীকার করে জানান, “আমি অফিস প্রধান আমাকে অনেক সব দিকে নজর রাখতে হয়। তাছাড়া আমাকে বেশির ভাগ সময় মাঠে থাকতে হয়। তবে নিয়ম মেনে সব সময় ৯টা থেকে ৫টা অফিসে থাকা হয় না। 

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন,“বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সচেতন মহলের মতে, কৃষি কর্মকর্তরা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকলে কৃষকরা যথাসময়ে দিকনির্দেশনা পেতেন। তাই দ্রæত সেবার স্বার্থে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।