CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার বিরোদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

#
news image

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা( ভার প্রাপ্ত)ডা: সাবিনা ইয়াসমিন এলএফএ আশিকুর রহমানের বিরোদ্ধে এর গাড়ীর জ্বালানী তেল, ঔষধ,খামারে চিকিৎসা ও ঔষধ দিয়ে টাকা নেওয়াসহ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গত ২০২৪ এ শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটিরিনারি হাসপাতালের কর্মকর্তা বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। কসাই খামারী, পিজি গ্রুপের হাঁস মুরগী টেনিং এ রয়েছে নানা অনিয়ম। ক্ষুদ্র নৃগুষ্টির জন্য গরু বিতরন, ঘর তৈরীর মালামাল, খাদ্য, ঘাসের নগদ বরাদ্ধ সব কিছুতে রয়েছে তার অনিয়ম ও দুর্নীতি। গাড়ীর জ্বালানী তেলের বিল নিয়ে তার দুর্নীতি চরমে। ২৪ সালের নভেম্বর ডিসেম্বর জ্বালানি তেলের বিল করেন ৩৪ হাজার টাকা। ২৫ সালের জানুয়ারী টু জুন বিল করেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫ শত টাকা। গাড়ী মেরামতের বিল ৫০ হাজার টাকা। মবিল বদলানো ২৫ হাজার টাকা। সে সময়ের লক বইয়ে দেখা যায় ৮ মাসে গাড়ী চলেছে ১৮ শত কিলোমিটার। কিন্তু গাড়ী প্রতি মাসে নিন্মতম ৮ শত কিলোমিটার চলার নিয়ম। গাড়ী লক বই ড্রাইভার লিখে রাখার নিয়ম। আর লক বই দিয়ে একাউন্ট থেকে বিল তুলতে হয়। ড্রাইভারকে মিথ্যা লক বই লিখার চাপ দিলেও সে না লিখায় তার উপর ক্ষেপেযান বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তিনি ব্যক্তিগত কাজে, বেড়াতে গাড়ী ব্যবহার করেন। এই সমস্ত কাজের সহযোগীতায় রয়েছেন অফিসের এল এফ এ আশিকুর রহমান। ক্ষুদ্র নৃগুষ্টির হাঁস মোরোগের ঘর তৈরী করে দেয় নিন্ম মানের মালামাল দিয়ে। তাদের ট্রেনিং অনিয়ম করেন।সরকারি বরাদ্ধকৃত খাদ্য বিক্রি করে দেন। এছাড়াও এফ এ আশিকুর রহমান শ্রীমঙ্গল উদনীঘাট, পাতা খাউরি, বৈকন্ঠপুর নামে এলাকার ঠিকানা ও এন আইডি দেখিয়ে এল এফ এ মোঃ আশিকুর রহমান ৩ টি গরু বিতরন দেখিয়েছেন। শ্রীমঙ্গলে এই নামে কোন এলাকা খোঁজে পাওয়া যায়নি। এই ৩ টি বরাদ্ধকৃত গরু ও সরঞ্জাম নিজে আত্নসাৎ করেন।
ভোক্তভুগী ভাড়াউরা চা বাগানের সজিতা সাঁওতাল জানান, শ্রীমঙ্গল প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের একটি গরু পেলেও টিন, পিলার এগুলো নিন্ম মানের। আমরা শুনেছি এই গরুর ঘরের জন্য ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে।
 রতন কর্মকার জানান, আমার আইডি কার্ড নিয়ে শ্রীমঙ্গল প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে জমা ৬ মাস আগে গরু বরাদ্ধ পাই। কিন্তু গরু অফিসের একজন নিয়ে যায়। 
মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের গাড়ী চালক মোঃ বাবুল মিয়া বলেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ সাবিনা ইয়াসমিন দায়িত্ব পেয়ে আমাকে ডেকে এনে বলেন, গাড়িতে স্টিকার লাগানো নেই কেন। আমি বলেছি টেম্পার শেষ হয়ে যাওয়ায় গাড়ির স্টিকার উঠে গেছে। এই বিষয়ে আমি আমার কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। অফিসের সবাই নাইট গার্ডসহ সরকারি লগ দিয়ে বির্জিটিং কার্ড ব্যবহার করে। স্যার আমার বেতন আটকিয়ে রেখেছেন।
আমাদের গাড়িতে মাইলেস লিখে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ সাবিনা ইয়াসমিন চাপ দেন। আমি অসম্মতি জানাই। গাড়ি কম চলছে, জিপিএস লাগানো আছে, তার দায়ভার আমি কেন নেবো। উনারা তেল দিবে আমার শুধু দ্বায়িত্ব আমি গাড়ি চালাবো। তাছাড়া অফিসে আমার আর কোনো কাজ নেই। অফিসের দুর্নীতি, খামারের গরুর ঘর দুর্নীতি, এলএফএ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান জড়িত। আমার উপর বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ক্ষমতা বলে যা ইচ্ছা তাই করছেন। 
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ ও  ভেটেরিনারি হাসপাতাল এর এল এফ এ মোঃ আশিকুর রহমান বলেন, আমিগবাদি পশুর চিকিৎসা দেইনা। এসব বিষয়ে আমি এতটা দক্ষ নই। আর আমি তো ঠিকাদার নয়। এই কাজ গুলো গ্রুপের নিদিষ্ট সদস্যরা তারা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেন। এখানে আমাদের অফিসের যে সহযোগিতা এবং স্যারের নির্দেশ মোতাবেক কাজ গুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি হচ্ছে না এ গুলো আমরা তদারকি করি। 
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা( ভার প্রাপ্ত)ডা: সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ভির্জিটিং কার্ডে সরকারি লগ ব্যবহার করতে পারে না। একজন ব্যবহার করেছিল। তাকে আমরা নিষেধ করেছি। আর ঘরের বিষয় আমরা শুধু উপকরন দেবো। ৪ টা পিলার, টিন, আর একটা ব্যানার। আর উনারা নিয়ে ঘর করবেন। গাড়ীর জন্য শুধু তেলের বরাদ্দ আছে। মবিল বদলানো, গাড়ী মেরামত, ইমারজেন্সি কাজ তেলের টাকার বিল থেকে করতে হয়। গাড়ির মাইসেল ঠিক নেই। আপনি দেখবেন অনেক টাকার তেল ঢোকানোর  পরও কিন্তু গাড়ির মাইলেস খুবই কম দেখাবে। এই সব কিছুতেই ঝামেলা আছে। আমরা সরকারি ঔষধ বাইরে নেওয়া সুযোগ নেই। আর আমি যদি ড্রাইভারের বেতন আটকে রাখিনি। আমি তো তার টাইম সিট দিয়েছি।বেতন স্যাররা কেনও তাকে দিচ্ছে না এ বিষয়ে আমি কি জানি। দুনীতি বিষয় প্রশ্ন করলে বলেন, আমি কোনো দুনীতি করিনি। অফিসার যারা থাকবে তারাই দুনীতি করবে। আপনারা এমন মনে করেন খুবই কষ্ট হয়।
এব্যাপারে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আশরাফুল আলম বলেন, ড্রাইভারকে অভিযোগের ভিক্তিতে ওকে শোকজ করি। তাকে  বদলী করা হয়েছে। সে জয়েন্ট করেনি। বেতন দেয় ঢাকা প্রকল্প অফিস, তার বেতন আমরা আটকে রাখিনি। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা : সাবিনা ইয়াসমিন ও এলএফএ মোঃ আশিকুর রহমান বিরোদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর এলএফএ সহ অন্যান্য কর্মচারী মাঠ পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারে। বড় ধরনের সমস্যা হলে ডা : সাবিনা ইয়াসমিন চিকিৎসা দেন। ভিজিডিং কার্ডে সরকারী লগো ও ডাক্তার অফিসের মাঠ কর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেনা।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  5:04 PM

news image

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা( ভার প্রাপ্ত)ডা: সাবিনা ইয়াসমিন এলএফএ আশিকুর রহমানের বিরোদ্ধে এর গাড়ীর জ্বালানী তেল, ঔষধ,খামারে চিকিৎসা ও ঔষধ দিয়ে টাকা নেওয়াসহ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গত ২০২৪ এ শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটিরিনারি হাসপাতালের কর্মকর্তা বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। কসাই খামারী, পিজি গ্রুপের হাঁস মুরগী টেনিং এ রয়েছে নানা অনিয়ম। ক্ষুদ্র নৃগুষ্টির জন্য গরু বিতরন, ঘর তৈরীর মালামাল, খাদ্য, ঘাসের নগদ বরাদ্ধ সব কিছুতে রয়েছে তার অনিয়ম ও দুর্নীতি। গাড়ীর জ্বালানী তেলের বিল নিয়ে তার দুর্নীতি চরমে। ২৪ সালের নভেম্বর ডিসেম্বর জ্বালানি তেলের বিল করেন ৩৪ হাজার টাকা। ২৫ সালের জানুয়ারী টু জুন বিল করেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫ শত টাকা। গাড়ী মেরামতের বিল ৫০ হাজার টাকা। মবিল বদলানো ২৫ হাজার টাকা। সে সময়ের লক বইয়ে দেখা যায় ৮ মাসে গাড়ী চলেছে ১৮ শত কিলোমিটার। কিন্তু গাড়ী প্রতি মাসে নিন্মতম ৮ শত কিলোমিটার চলার নিয়ম। গাড়ী লক বই ড্রাইভার লিখে রাখার নিয়ম। আর লক বই দিয়ে একাউন্ট থেকে বিল তুলতে হয়। ড্রাইভারকে মিথ্যা লক বই লিখার চাপ দিলেও সে না লিখায় তার উপর ক্ষেপেযান বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তিনি ব্যক্তিগত কাজে, বেড়াতে গাড়ী ব্যবহার করেন। এই সমস্ত কাজের সহযোগীতায় রয়েছেন অফিসের এল এফ এ আশিকুর রহমান। ক্ষুদ্র নৃগুষ্টির হাঁস মোরোগের ঘর তৈরী করে দেয় নিন্ম মানের মালামাল দিয়ে। তাদের ট্রেনিং অনিয়ম করেন।সরকারি বরাদ্ধকৃত খাদ্য বিক্রি করে দেন। এছাড়াও এফ এ আশিকুর রহমান শ্রীমঙ্গল উদনীঘাট, পাতা খাউরি, বৈকন্ঠপুর নামে এলাকার ঠিকানা ও এন আইডি দেখিয়ে এল এফ এ মোঃ আশিকুর রহমান ৩ টি গরু বিতরন দেখিয়েছেন। শ্রীমঙ্গলে এই নামে কোন এলাকা খোঁজে পাওয়া যায়নি। এই ৩ টি বরাদ্ধকৃত গরু ও সরঞ্জাম নিজে আত্নসাৎ করেন।
ভোক্তভুগী ভাড়াউরা চা বাগানের সজিতা সাঁওতাল জানান, শ্রীমঙ্গল প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের একটি গরু পেলেও টিন, পিলার এগুলো নিন্ম মানের। আমরা শুনেছি এই গরুর ঘরের জন্য ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে।
 রতন কর্মকার জানান, আমার আইডি কার্ড নিয়ে শ্রীমঙ্গল প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে জমা ৬ মাস আগে গরু বরাদ্ধ পাই। কিন্তু গরু অফিসের একজন নিয়ে যায়। 
মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের গাড়ী চালক মোঃ বাবুল মিয়া বলেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ সাবিনা ইয়াসমিন দায়িত্ব পেয়ে আমাকে ডেকে এনে বলেন, গাড়িতে স্টিকার লাগানো নেই কেন। আমি বলেছি টেম্পার শেষ হয়ে যাওয়ায় গাড়ির স্টিকার উঠে গেছে। এই বিষয়ে আমি আমার কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। অফিসের সবাই নাইট গার্ডসহ সরকারি লগ দিয়ে বির্জিটিং কার্ড ব্যবহার করে। স্যার আমার বেতন আটকিয়ে রেখেছেন।
আমাদের গাড়িতে মাইলেস লিখে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ সাবিনা ইয়াসমিন চাপ দেন। আমি অসম্মতি জানাই। গাড়ি কম চলছে, জিপিএস লাগানো আছে, তার দায়ভার আমি কেন নেবো। উনারা তেল দিবে আমার শুধু দ্বায়িত্ব আমি গাড়ি চালাবো। তাছাড়া অফিসে আমার আর কোনো কাজ নেই। অফিসের দুর্নীতি, খামারের গরুর ঘর দুর্নীতি, এলএফএ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান জড়িত। আমার উপর বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ক্ষমতা বলে যা ইচ্ছা তাই করছেন। 
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ ও  ভেটেরিনারি হাসপাতাল এর এল এফ এ মোঃ আশিকুর রহমান বলেন, আমিগবাদি পশুর চিকিৎসা দেইনা। এসব বিষয়ে আমি এতটা দক্ষ নই। আর আমি তো ঠিকাদার নয়। এই কাজ গুলো গ্রুপের নিদিষ্ট সদস্যরা তারা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেন। এখানে আমাদের অফিসের যে সহযোগিতা এবং স্যারের নির্দেশ মোতাবেক কাজ গুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি হচ্ছে না এ গুলো আমরা তদারকি করি। 
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা( ভার প্রাপ্ত)ডা: সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ভির্জিটিং কার্ডে সরকারি লগ ব্যবহার করতে পারে না। একজন ব্যবহার করেছিল। তাকে আমরা নিষেধ করেছি। আর ঘরের বিষয় আমরা শুধু উপকরন দেবো। ৪ টা পিলার, টিন, আর একটা ব্যানার। আর উনারা নিয়ে ঘর করবেন। গাড়ীর জন্য শুধু তেলের বরাদ্দ আছে। মবিল বদলানো, গাড়ী মেরামত, ইমারজেন্সি কাজ তেলের টাকার বিল থেকে করতে হয়। গাড়ির মাইসেল ঠিক নেই। আপনি দেখবেন অনেক টাকার তেল ঢোকানোর  পরও কিন্তু গাড়ির মাইলেস খুবই কম দেখাবে। এই সব কিছুতেই ঝামেলা আছে। আমরা সরকারি ঔষধ বাইরে নেওয়া সুযোগ নেই। আর আমি যদি ড্রাইভারের বেতন আটকে রাখিনি। আমি তো তার টাইম সিট দিয়েছি।বেতন স্যাররা কেনও তাকে দিচ্ছে না এ বিষয়ে আমি কি জানি। দুনীতি বিষয় প্রশ্ন করলে বলেন, আমি কোনো দুনীতি করিনি। অফিসার যারা থাকবে তারাই দুনীতি করবে। আপনারা এমন মনে করেন খুবই কষ্ট হয়।
এব্যাপারে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আশরাফুল আলম বলেন, ড্রাইভারকে অভিযোগের ভিক্তিতে ওকে শোকজ করি। তাকে  বদলী করা হয়েছে। সে জয়েন্ট করেনি। বেতন দেয় ঢাকা প্রকল্প অফিস, তার বেতন আমরা আটকে রাখিনি। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা : সাবিনা ইয়াসমিন ও এলএফএ মোঃ আশিকুর রহমান বিরোদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর এলএফএ সহ অন্যান্য কর্মচারী মাঠ পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারে। বড় ধরনের সমস্যা হলে ডা : সাবিনা ইয়াসমিন চিকিৎসা দেন। ভিজিডিং কার্ডে সরকারী লগো ও ডাক্তার অফিসের মাঠ কর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেনা।