রাবি প্রতিনিধি
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 10:24 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শর্তসাপেক্ষে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করা হয়েছে । বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই সন্ধ্যা সাড়ে পৌনে ৬টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডসংলগ্ন উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, পোষ্যকোটা ফিরিয়ে নে’, ‘পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘২৪-এর হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘জামাই কোটার বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবী করছে, আগামী ২৫ তারিখের রাকসু নির্বাচনকে পুঁজি করেই শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই অবৈধ পোষ্য কোটা পুনর্বহালের দাবি তুলেছেন এবং তা বাস্তবায়ন করেছেন। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যেই এ দাবি সামনে আনা হয়েছে।
এ দিকে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি মেনে নেওয়ায় কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে আন্দোলনে নেতৃত্ব এক শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানিক’ এই সুবিধায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে।
শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি এন্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে আমাদের দাবির বিষয়ে কিছুটা বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তা ছাড়া দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে রাকসু নির্বাচন হচ্ছে আমরা রাকসুকে কোনো চাপে ফেলতে চাই না। এই বিষয়টি বিবেচনা করে আজ রাতে একটি সভা করে কর্মসূচি প্রত্যাহার করব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘আজকে ভর্তি উপ কমিটির একটি সভা ছিলো। সভায় ২০২৪-২৫ বর্ষের ভর্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের শর্তসাপেক্ষে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এত বিচলিত হওয়ার কিছু নেই তাদের ভর্তি কার্যক্রম নির্দিষ্ট শর্ত মেনেই করা করা হবে।’
রাবি প্রতিনিধি
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 10:24 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শর্তসাপেক্ষে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করা হয়েছে । বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই সন্ধ্যা সাড়ে পৌনে ৬টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডসংলগ্ন উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, পোষ্যকোটা ফিরিয়ে নে’, ‘পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘২৪-এর হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘জামাই কোটার বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবী করছে, আগামী ২৫ তারিখের রাকসু নির্বাচনকে পুঁজি করেই শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই অবৈধ পোষ্য কোটা পুনর্বহালের দাবি তুলেছেন এবং তা বাস্তবায়ন করেছেন। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যেই এ দাবি সামনে আনা হয়েছে।
এ দিকে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি মেনে নেওয়ায় কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে আন্দোলনে নেতৃত্ব এক শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানিক’ এই সুবিধায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে।
শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি এন্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে আমাদের দাবির বিষয়ে কিছুটা বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তা ছাড়া দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে রাকসু নির্বাচন হচ্ছে আমরা রাকসুকে কোনো চাপে ফেলতে চাই না। এই বিষয়টি বিবেচনা করে আজ রাতে একটি সভা করে কর্মসূচি প্রত্যাহার করব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘আজকে ভর্তি উপ কমিটির একটি সভা ছিলো। সভায় ২০২৪-২৫ বর্ষের ভর্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের শর্তসাপেক্ষে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এত বিচলিত হওয়ার কিছু নেই তাদের ভর্তি কার্যক্রম নির্দিষ্ট শর্ত মেনেই করা করা হবে।’