নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 5:36 PM
রাজধানীর পল্টন থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন। আইনজীবী মো. আমজাদ হোসেন জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
এর আগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতেও সিরাজুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।
গত ২৬ আগস্ট সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। ওইদিন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে পল্টন থানার এ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সিরাজুল ইসলামের জামিন চাইতে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী আমজাদ হোসেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ সকাল ভোরে গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সিরাজুল ইসলামকে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ‘স্বাধীনতা দিবসকে কলুষিত করা, দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্ন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য’ সক্রিয়ভাবে ‘দেশবিরোধী প্রচারে’ মিছিল করেন। তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 5:36 PM
রাজধানীর পল্টন থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন। আইনজীবী মো. আমজাদ হোসেন জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
এর আগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতেও সিরাজুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।
গত ২৬ আগস্ট সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। ওইদিন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে পল্টন থানার এ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সিরাজুল ইসলামের জামিন চাইতে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী আমজাদ হোসেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ সকাল ভোরে গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সিরাজুল ইসলামকে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ‘স্বাধীনতা দিবসকে কলুষিত করা, দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্ন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য’ সক্রিয়ভাবে ‘দেশবিরোধী প্রচারে’ মিছিল করেন। তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।