CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

গঠনতন্ত্র ও আরপিও  অনুযায়ী কাউন্সিলে নির্বাচিত বৈধ নেতৃত্ব লাঙ্গল  প্রতীকের মালিক

#
news image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার   আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্র এবং Representation of the People Order (RPO) অনুযায়ী গত ৯ আগস্ট  ২০২৫ সর্বশেষ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় কাউন্সিল যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত কাউন্সিলে আমি (ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ) সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। কাউন্সিলের  পর আমরা কমিটি নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছি। একই সঙ্গে কাউন্সিলের  সকল ডকুমেন্টও জমা দিয়েছি।নতুন কমিটি গঠনের পর  জি এম কাদের আর কোনভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পরিচয় দিতে পারে না। তাছাড়া লাঙ্গল প্রতিক কোন ব্যক্তির নয়। লাঙ্গল প্রতীক নির্বাচনের কমিশনের নিবন্ধিত ১২  নম্বর জাতীয় পার্টির প্রতীক। তাই আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমাদের নেতৃত্বই জাতীয় পার্টির একমাত্র বৈধ নেতৃত্ব এবং লাঙ্গল প্রতীকের একমাত্র দাবিদার।

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত জাতীয় পার্টির জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। 

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)  এ এম এম নাসির উদ্দিন  বলেছিলেন, “জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার একাধিক, মালিক কে তা খুঁজে পাচ্ছি না। প্রধান নির্বাচন  কমিশনারের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতীয় পার্টি। 
সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু পক্ষ নির্বাচন কমিশনে ভিন্ন ভিন্ন আবেদন জমা দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতীক কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির আবেদনে নয়, কেবলমাত্র দলীয় গঠনতান্ত্রিক নেতৃত্বের বৈধ আবেদনের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন বরাদ্দ দিতে পারে। অতীতেও নির্বাচন কমিশন একই নীতি অনুসরণ করেছে এবং এবারও আইন, সংবিধান ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন,জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক হলো দলের ঐতিহ্য, জনগণের আস্থা এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতীক। এ প্রতীক কেবল বৈধ নেতৃত্বকেই প্রদান করা উচিত। বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী আবেদনগুলো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
জি এম কাদেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে আনিসুল ইসলাম  ইসলাম মাহমুদ বলেন, জি এম কাদের এক সময় বলেন,শেখ হাসিনার ফাঁসি চান। আবার বলেন আওয়ামীলীগ ছাড়া নির্বাচন বৈধ হবে না। তিনি কখন কি বলেন নিজেও জানেন না। তার মতো একজন দ্বৈতনীতির লোক রাজনীতিতে কতটা প্রাসঙ্গিক তা ভাববার সময় এসেছে। 

সংবাদ সম্মেলনে, জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার মহোদয় বলেছেন, তিনি লাঙ্গলের মালিক খুঁজে পাচ্ছেন না। বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই গঠনতন্ত্র ও আইন মেনে চলতি বছরের ৯ আগস্ট  জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আরপিও এবং গঠনতন্ত্র মোতাবেক জাতীয় পার্টির প্রতীক লাঙ্গলের বৈধ দাবিদার একমাত্র আমরাই।
হাওলাদার বলেন, জাতীয় পার্টি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও আইন মেনে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং বৈধ নেতৃত্বকে লাঙ্গল প্রতীকের স্বীকৃতি প্রদান করবে। জনগণের আস্থা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এটিই হবে একমাত্র ন্যায়সংগত পদক্ষেপ।
হাওলাদার বলেন, আমরা জাতীয় পার্টির  মালিকানা তৃণমূল নেতা কর্মীদের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাই।  কোন একক ব্যক্তির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি পরিচালিত হবে না। পল্লীবন্ধু এরশাদের প্রতিষ্টিত জাতীয় পার্টি  পরিচালিত হবে যেীথ নেতৃত্বের মাধ্যমে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার,  সিনিয়ার কো- চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান-  এডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু, কো- চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, লিয়াকত হোসেন খোকা, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ। 
প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা, নাজমা আকতার, মাসরুর মওলা,জসিম উদ্দিন ভূইয়া, আরিফুর রহমান খান, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম মিলন, সরদার শাহজাহান, ফখরুল আহসান শাহজাদা, মোঃ বেলাল হোসেনে। 
ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলনতানা রানী, জামাল রানা, ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন তোতা, ডাঃ সেলিমা খান,যুগ্ম মহাসচিব মাসুক রহমান, 
সম্পাদক মন্ডলির সদস্য - শারমিন পারভীন লিজা, তাসলিমা আকবর রুনা, মিজানুর রহমান,   উর রহমান বিপুল, যুগ্ম সম্পাদক - ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী, আবদুস সাত্তার, মাসুম, এস এম হাশেম, সাইফুল ইসলাম শোভন,  কেন্দ্রীয় নেতা -জাকির মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী, এডভোকেট আল মামুন, আবু জাফর মোঃ কামাল,বজলুর রহমান মৃধা, হাদিসুর রহমান, ফয়সাল।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  2:46 PM

news image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার   আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্র এবং Representation of the People Order (RPO) অনুযায়ী গত ৯ আগস্ট  ২০২৫ সর্বশেষ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় কাউন্সিল যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত কাউন্সিলে আমি (ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ) সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। কাউন্সিলের  পর আমরা কমিটি নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছি। একই সঙ্গে কাউন্সিলের  সকল ডকুমেন্টও জমা দিয়েছি।নতুন কমিটি গঠনের পর  জি এম কাদের আর কোনভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পরিচয় দিতে পারে না। তাছাড়া লাঙ্গল প্রতিক কোন ব্যক্তির নয়। লাঙ্গল প্রতীক নির্বাচনের কমিশনের নিবন্ধিত ১২  নম্বর জাতীয় পার্টির প্রতীক। তাই আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমাদের নেতৃত্বই জাতীয় পার্টির একমাত্র বৈধ নেতৃত্ব এবং লাঙ্গল প্রতীকের একমাত্র দাবিদার।

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত জাতীয় পার্টির জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। 

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)  এ এম এম নাসির উদ্দিন  বলেছিলেন, “জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার একাধিক, মালিক কে তা খুঁজে পাচ্ছি না। প্রধান নির্বাচন  কমিশনারের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতীয় পার্টি। 
সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু পক্ষ নির্বাচন কমিশনে ভিন্ন ভিন্ন আবেদন জমা দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতীক কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির আবেদনে নয়, কেবলমাত্র দলীয় গঠনতান্ত্রিক নেতৃত্বের বৈধ আবেদনের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন বরাদ্দ দিতে পারে। অতীতেও নির্বাচন কমিশন একই নীতি অনুসরণ করেছে এবং এবারও আইন, সংবিধান ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন,জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক হলো দলের ঐতিহ্য, জনগণের আস্থা এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতীক। এ প্রতীক কেবল বৈধ নেতৃত্বকেই প্রদান করা উচিত। বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী আবেদনগুলো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
জি এম কাদেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে আনিসুল ইসলাম  ইসলাম মাহমুদ বলেন, জি এম কাদের এক সময় বলেন,শেখ হাসিনার ফাঁসি চান। আবার বলেন আওয়ামীলীগ ছাড়া নির্বাচন বৈধ হবে না। তিনি কখন কি বলেন নিজেও জানেন না। তার মতো একজন দ্বৈতনীতির লোক রাজনীতিতে কতটা প্রাসঙ্গিক তা ভাববার সময় এসেছে। 

সংবাদ সম্মেলনে, জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার মহোদয় বলেছেন, তিনি লাঙ্গলের মালিক খুঁজে পাচ্ছেন না। বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই গঠনতন্ত্র ও আইন মেনে চলতি বছরের ৯ আগস্ট  জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আরপিও এবং গঠনতন্ত্র মোতাবেক জাতীয় পার্টির প্রতীক লাঙ্গলের বৈধ দাবিদার একমাত্র আমরাই।
হাওলাদার বলেন, জাতীয় পার্টি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও আইন মেনে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং বৈধ নেতৃত্বকে লাঙ্গল প্রতীকের স্বীকৃতি প্রদান করবে। জনগণের আস্থা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এটিই হবে একমাত্র ন্যায়সংগত পদক্ষেপ।
হাওলাদার বলেন, আমরা জাতীয় পার্টির  মালিকানা তৃণমূল নেতা কর্মীদের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাই।  কোন একক ব্যক্তির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি পরিচালিত হবে না। পল্লীবন্ধু এরশাদের প্রতিষ্টিত জাতীয় পার্টি  পরিচালিত হবে যেীথ নেতৃত্বের মাধ্যমে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার,  সিনিয়ার কো- চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান-  এডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু, কো- চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, লিয়াকত হোসেন খোকা, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ। 
প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা, নাজমা আকতার, মাসরুর মওলা,জসিম উদ্দিন ভূইয়া, আরিফুর রহমান খান, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম মিলন, সরদার শাহজাহান, ফখরুল আহসান শাহজাদা, মোঃ বেলাল হোসেনে। 
ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলনতানা রানী, জামাল রানা, ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন তোতা, ডাঃ সেলিমা খান,যুগ্ম মহাসচিব মাসুক রহমান, 
সম্পাদক মন্ডলির সদস্য - শারমিন পারভীন লিজা, তাসলিমা আকবর রুনা, মিজানুর রহমান,   উর রহমান বিপুল, যুগ্ম সম্পাদক - ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী, আবদুস সাত্তার, মাসুম, এস এম হাশেম, সাইফুল ইসলাম শোভন,  কেন্দ্রীয় নেতা -জাকির মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী, এডভোকেট আল মামুন, আবু জাফর মোঃ কামাল,বজলুর রহমান মৃধা, হাদিসুর রহমান, ফয়সাল।