CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

দুদকের মামলায় সাবেক বিচারপতি মানিক গ্রেফতার

#
news image

জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অভিযোগের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুনানিকালে তাকে করাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুদকের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। পরে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক পাপন কুমার শাহ গত ১১ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি হিসেবে কর্মরত থাকাকালে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮২০ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করে তা দখলে রাখা এবং হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর গত বছরের ২৩ আগস্ট রাতে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্ত থেকে মানিককে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। পরদিন সিলেটের বিচারিক হাকিম আলমগীর হোসেন বিচারপতি মানিককে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পাসপোর্ট আইনে ভারতে ‘অনুপ্রবেশের চেষ্টা’র অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মানিকের বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর জুলাই আন্দোলনের মামলায়ও তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

১৯৭৮ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন জীবন শুরু করেন শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। তিনি ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হন। ২০০১ সালে তাকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। কিন্তু পরে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে তাকে বাদ দেয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর হাইকোর্টের একটি রায়ে বিচারকের আসনে ফেরেন শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ২০১৩ সালে তাকে পদোন্নতি দিয়ে আপিল বিভাগের বিচারক করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  3:06 PM

news image

জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অভিযোগের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুনানিকালে তাকে করাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুদকের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। পরে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক পাপন কুমার শাহ গত ১১ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি হিসেবে কর্মরত থাকাকালে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮২০ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করে তা দখলে রাখা এবং হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর গত বছরের ২৩ আগস্ট রাতে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্ত থেকে মানিককে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। পরদিন সিলেটের বিচারিক হাকিম আলমগীর হোসেন বিচারপতি মানিককে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পাসপোর্ট আইনে ভারতে ‘অনুপ্রবেশের চেষ্টা’র অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মানিকের বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর জুলাই আন্দোলনের মামলায়ও তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

১৯৭৮ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন জীবন শুরু করেন শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। তিনি ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হন। ২০০১ সালে তাকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। কিন্তু পরে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে তাকে বাদ দেয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর হাইকোর্টের একটি রায়ে বিচারকের আসনে ফেরেন শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ২০১৩ সালে তাকে পদোন্নতি দিয়ে আপিল বিভাগের বিচারক করা হয়।