নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 6:49 PM
৯ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১২০ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে ভোলা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আলী আজম মুকুল ও তার স্ত্রী ন্যাশনাল ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার জাহানারা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আলী আজম মুকুল জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৯২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩১ টাকা মূল্যের সম্পদ ভোগদখলে রাখেন। পাশাপাশি তিনি নিজ ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৫টি ব্যাংকের ৩৭টি হিসাবে ৫৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৮১ টাকার সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেন করায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে তার স্ত্রী জাহানারা ইয়াসমিন জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৭ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৬টি ব্যাংকের ৩৯টি হিসাবে ৬৬ কোটি ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 6:49 PM
৯ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১২০ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে ভোলা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আলী আজম মুকুল ও তার স্ত্রী ন্যাশনাল ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার জাহানারা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আলী আজম মুকুল জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৯২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩১ টাকা মূল্যের সম্পদ ভোগদখলে রাখেন। পাশাপাশি তিনি নিজ ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৫টি ব্যাংকের ৩৭টি হিসাবে ৫৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৮১ টাকার সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেন করায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে তার স্ত্রী জাহানারা ইয়াসমিন জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৭ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৬টি ব্যাংকের ৩৯টি হিসাবে ৬৬ কোটি ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।