রংপুর প্রতিনিধি
০২ অক্টোবর, ২০২৫, 4:45 PM
রংপুর মহানগরীর বাহার কাছনা হাজীর খামার এলাকার এক কৃষকের ৩৬ শতাংশ ধানক্ষেত জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছে রংপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত।
বিজ্ঞ আদালতের আদেশ কার্যকর করতে মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ওই জমি নিয়ে বিরোধে শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকায় মো: ওসমান আলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আদেশের ১৪৪ ধারা কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুল ইসলাম।
তিনি জানান, যাতে শান্তি ভঙ্গ না হয়, এজন্য আদালতের আদেশ পেয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে ভূমি কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রদান না করা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে।
জানা যায়, রংপুর মহানগরীর ৯নং ওয়ার্ডের বাহার কাছনা এলাকার মৃত্যু ইসমাইল হোসেনের পুত্র মো: ওসমান আলী পৈতৃক সূত্রে ৩৬ শতাংশ জমির মালিক হয় এবং ওই জমি চাষাবাদ করে আসছেন।
চলতি বছরে আর্থিক সংকটের কারণে ওসমান আলী জমি বিক্রয়ের জন্য খদ্দেরের সন্ধান করেন। এসময় কাগজপত্র উঠাতে গিয়ে দেখতে পায় ' ৯২ সালের আরএস খতিয়ান মরহুম মাকসুদার নামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তারপর, ওসমান আলী আরএস রেকর্ড সংশোধনীর জন্য বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন। মামলা নং- ১০১/২৫
মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর মরহুম মাকসুদা খাতুনের হয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাইনবোর্ড টাঙিয়ে জবর দখলের পায়তারা করেন। কিন্তু ওই জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি হলে চক্রটির পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
ওসমান আলী জানান, যে এঘটনায় তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
রংপুর প্রতিনিধি
০২ অক্টোবর, ২০২৫, 4:45 PM
রংপুর মহানগরীর বাহার কাছনা হাজীর খামার এলাকার এক কৃষকের ৩৬ শতাংশ ধানক্ষেত জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছে রংপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত।
বিজ্ঞ আদালতের আদেশ কার্যকর করতে মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ওই জমি নিয়ে বিরোধে শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকায় মো: ওসমান আলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আদেশের ১৪৪ ধারা কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুল ইসলাম।
তিনি জানান, যাতে শান্তি ভঙ্গ না হয়, এজন্য আদালতের আদেশ পেয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে ভূমি কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রদান না করা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে।
জানা যায়, রংপুর মহানগরীর ৯নং ওয়ার্ডের বাহার কাছনা এলাকার মৃত্যু ইসমাইল হোসেনের পুত্র মো: ওসমান আলী পৈতৃক সূত্রে ৩৬ শতাংশ জমির মালিক হয় এবং ওই জমি চাষাবাদ করে আসছেন।
চলতি বছরে আর্থিক সংকটের কারণে ওসমান আলী জমি বিক্রয়ের জন্য খদ্দেরের সন্ধান করেন। এসময় কাগজপত্র উঠাতে গিয়ে দেখতে পায় ' ৯২ সালের আরএস খতিয়ান মরহুম মাকসুদার নামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তারপর, ওসমান আলী আরএস রেকর্ড সংশোধনীর জন্য বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন। মামলা নং- ১০১/২৫
মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর মরহুম মাকসুদা খাতুনের হয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাইনবোর্ড টাঙিয়ে জবর দখলের পায়তারা করেন। কিন্তু ওই জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি হলে চক্রটির পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
ওসমান আলী জানান, যে এঘটনায় তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।